বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) লেনদেনে স্পট স্বর্ণের মূল্য ০.৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৬৬১ দশমিক ৩৩ ডলারে নেমে আসে, যা টানা উর্ধ্বগতির পর সাপ্তাহিক ভিত্তিতে প্রায় ৩.৫ শতাংশ পতন নির্দেশ করে।
বাজার সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, জুন ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ফিউচার্স বাজারেও ১ শতাংশ দরপতন হয়ে মূল্য দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৬৭৬ দশমিক ৫০ ডলারে। বিশ্লেষকরা বলছেন, তেলের উচ্চমূল্য, মূল্যস্ফীতি-ঝুঁকি এবং দীর্ঘমেয়াদি উচ্চ সুদের হার বহাল থাকার আশঙ্কা—সব মিলিয়ে স্বর্ণবাজারে চাপ সৃষ্টি করছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হরমুজ প্রণালি ঘিরে দীর্ঘস্থায়ী অস্থিরতার সম্ভাবনা তেলের দামকে উঁচুতে ধরে রাখছে, যা বিকল্প নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদায় প্রভাব ফেলছে। বাজার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, স্বর্ণের দাম বর্তমানে নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে ওঠানামা করছে এবং মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিই ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনায় প্রধান নিয়ামক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) লেনদেনে স্পট স্বর্ণের মূল্য ০.৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৬৬১ দশমিক ৩৩ ডলারে নেমে আসে, যা টানা উর্ধ্বগতির পর সাপ্তাহিক ভিত্তিতে প্রায় ৩.৫ শতাংশ পতন নির্দেশ করে। বাজার সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, জুন ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ফিউচার্স বাজারেও ১ শতাংশ দরপতন হয়ে মূল্য দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৬৭৬ দশমিক ৫০ ডলারে। বিশ্লেষকরা বলছেন, তেলের উচ্চমূল্য, মূল্যস্ফীতি-ঝুঁকি এবং দীর্ঘমেয়াদি উচ্চ সুদের হার বহাল থাকার আশঙ্কা—সব মিলিয়ে স্বর্ণবাজারে চাপ সৃষ্টি করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, হরমুজ প্রণালি ঘিরে দীর্ঘস্থায়ী অস্থিরতার সম্ভাবনা তেলের দামকে উঁচুতে ধরে রাখছে, যা বিকল্প নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদায় প্রভাব ফেলছে। বাজার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, স্বর্ণের দাম বর্তমানে নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে ওঠানামা করছে এবং মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিই ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনায় প্রধান নিয়ামক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক প্রবণতার ধারাবাহিকতায় নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে দেশের রিজার্ভ—কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যে এ চিত্র উঠে এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, প্রবাসী আয় বৃদ্ধি ও ডলার সরবরাহের স্থিতিশীলতার ফলে মোট রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলারের সীমা অতিক্রম করেছে। আইএমএফের আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের বিপিএম–৬ পদ্ধতি অনুযায়ী, ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩০.৩৬ বিলিয়ন ডলার, আর গ্রস রিজার্ভ পৌঁছেছে ৩৫.০৩ বিলিয়ন ডলারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভাষ্যমতে, ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধিই এ অর্জনের প্রধান চালিকাশক্তি। চলতি মাসের প্রথমার্ধে প্রবাসী আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ১.৭৮ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বেশি। একদিনেই ১৮১ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স আসার ঘটনাও রেকর্ড করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরে মোট প্রবাসী আয় প্রায় ২৮ বিলিয়ন ডলার স্পর্শ করেছে, যা বার্ষিক ভিত্তিতে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি নির্দেশ করে। ডলার বাজারে ভারসাম্য রক্ষায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিয়মিতভাবে বৈদেশিক মুদ্রা ক্রয় অব্যাহত রেখেছে এবং এপ্রিল মাসেই একাধিক বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ডলার সংগ্রহ করেছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, এ প্রবণতা বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনলেও আমদানি ব্যয়, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ এবং বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা ভবিষ্যতে চাপ সৃষ্টি করতে পারে। সার্বিক বিবেচনায়, রেমিট্যান্সনির্ভর এই রিজার্ভ বৃদ্ধি অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক সংকেত বহন করলেও দীর্ঘমেয়াদে টেকসই স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সতর্ক নীতি সহায়তা প্রয়োজন।
দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ঘোষিত নতুন দর শুক্রবার (১০ এপ্রিল) থেকে কার্যকর হয়েছে। নতুন দরে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৪৩২ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭২১ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ২ হাজার ৮৯৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ১ লাখ ৬৫ হাজার ২৭৯ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রুপার দামও কমানো হয়েছে। ২২ ক্যারেট রুপা ভরিতে ৫ হাজার ৭১৫ টাকা, ২১ ক্যারেট ৫ হাজার ৪২৪ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৩ হাজার ৪৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজুস জানায়, চলতি বছরে স্বর্ণের দাম ৫৪ বার এবং রুপার দাম ৩৩ বার সমন্বয় করা হয়েছে।