নারীর জীবনমান উন্নয়ন ও সামাজিক সুরক্ষা জোরদারে বহুমুখী কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন তারেক রহমান। এর অংশ হিসেবে গৃহস্থালি পর্যায়ে রান্নাজনিত ভোগান্তি হ্রাসে নারীদের জন্য এলপিজি কার্ড সেবা চালুর নীতিগত সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) যশোরের শার্শা উপজেলায় অবস্থিত প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর স্মৃতিবিজড়িত উলাশী-যদুনাথপুর খাল পুনর্খনন প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব ঘোষণা দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারীদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ধাপে ধাপে বিভিন্ন সহায়ক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে। এর মধ্যে এলপিজি কার্ডের মাধ্যমে জ্বালানি ব্যবহারে সহজতা আনা, ডিগ্রি পর্যায় পর্যন্ত মেয়েদের বিনামূল্যে শিক্ষাব্যবস্থা চালু এবং আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে পরিবারভিত্তিক কার্ড বিতরণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় জনকল্যাণই হবে মূল নীতিমালা এবং জনগণের স্বার্থবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না। একইসঙ্গে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, গণআন্দোলনের মাধ্যমে যে পরিবর্তন এসেছে, তা এখন রাষ্ট্র পুনর্গঠনের সুযোগ সৃষ্টি করেছে।
শিল্পখাত পুনরুজ্জীবনের বিষয়ে তিনি জানান, অদূর ভবিষ্যতে বন্ধ হয়ে যাওয়া একাধিক কলকারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে খাল পুনর্খনন কাজে স্বেচ্ছাসেবী অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এছাড়া, রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপব্যবহার ও অর্থ লুণ্ঠনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, জনগণের সম্পদ জনগণের কাছেই ফিরিয়ে দেওয়া হবে এবং আইনানুগ প্রক্রিয়ায় দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।
নারীর জীবনমান উন্নয়ন ও সামাজিক সুরক্ষা জোরদারে বহুমুখী কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন তারেক রহমান। এর অংশ হিসেবে গৃহস্থালি পর্যায়ে রান্নাজনিত ভোগান্তি হ্রাসে নারীদের জন্য এলপিজি কার্ড সেবা চালুর নীতিগত সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন তিনি। সোমবার (২৭ এপ্রিল) যশোরের শার্শা উপজেলায় অবস্থিত প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর স্মৃতিবিজড়িত উলাশী-যদুনাথপুর খাল পুনর্খনন প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব ঘোষণা দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারীদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ধাপে ধাপে বিভিন্ন সহায়ক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে। এর মধ্যে এলপিজি কার্ডের মাধ্যমে জ্বালানি ব্যবহারে সহজতা আনা, ডিগ্রি পর্যায় পর্যন্ত মেয়েদের বিনামূল্যে শিক্ষাব্যবস্থা চালু এবং আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে পরিবারভিত্তিক কার্ড বিতরণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় জনকল্যাণই হবে মূল নীতিমালা এবং জনগণের স্বার্থবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না। একইসঙ্গে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, গণআন্দোলনের মাধ্যমে যে পরিবর্তন এসেছে, তা এখন রাষ্ট্র পুনর্গঠনের সুযোগ সৃষ্টি করেছে। শিল্পখাত পুনরুজ্জীবনের বিষয়ে তিনি জানান, অদূর ভবিষ্যতে বন্ধ হয়ে যাওয়া একাধিক কলকারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে খাল পুনর্খনন কাজে স্বেচ্ছাসেবী অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়া, রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপব্যবহার ও অর্থ লুণ্ঠনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, জনগণের সম্পদ জনগণের কাছেই ফিরিয়ে দেওয়া হবে এবং আইনানুগ প্রক্রিয়ায় দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।
দীর্ঘ এক যুগ ধরে বহুল আলোচিত সাংবাদিক দম্পতি হত্যা মামলায় তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে অবশেষে উচ্চ আদালতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল হাইকোর্টকে জানিয়েছেন, সাগর সরোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে, তবে সম্পূর্ণ করতে অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন। রোববার (২৬ এপ্রিল) বিচারপতি ফাতেমা নজীব এবং বিচারপতি এ এফ এম সাইফুল করিম-এর সমন্বয়ে গঠিত বাংলাদেশ হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানিকালে এ বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আরও ছয় মাস সময় মঞ্জুর করেছেন, যা কার্যত মামলার প্রক্রিয়ায় নতুন সময়সীমা নির্ধারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। মামলাটির তদন্ত তদারকির জন্য গঠিত উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স ইতোমধ্যে কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। আদালতের পূর্ববর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন প্রধানের নেতৃত্বে গঠিত এই কমিটিতে বাংলাদেশ পুলিশ, সিআইডি এবং র্যাব-এর অভিজ্ঞ কর্মকর্তারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে নিজ বাসভবনে নির্মমভাবে খুন হন এই সাংবাদিক দম্পতি। দীর্ঘ সময় অতিক্রান্ত হলেও তদন্ত প্রতিবেদন চূড়ান্ত না হওয়ায় বিচারপ্রার্থী পরিবার ও জনমনে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, তা নিরসনে আদালতের এই সর্বশেষ সময়সীমা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
অর্থপাচার মামলায় আইনগত লড়াইয়ের পর জামিন পেয়েছেন আলোচিত ইমরান হোসেন, যিনি সাদিক অ্যাগ্রো-এর চেয়ারম্যান হিসেবে পরিচিত। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও শেখ আবু তাহের-এর হাইকোর্ট বেঞ্চ মানি লন্ডারিং সংক্রান্ত মামলায় তার জামিন বিষয়ে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে এ রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের শুনানি শেষে আদালত এই সিদ্ধান্তে পৌঁছায়। ইমরানের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন ও ব্যারিস্টার মাহফুজুর রহমান মিলন, আর রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আলামিন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ৩ মার্চ রাজধানী থেকে তাকে গ্রেফতার করে সিআইডি। তার বিরুদ্ধে প্রায় ১৩৩ কোটি টাকার মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। এর আগে কোরবানির ঈদে উচ্চমূল্যের ছাগল কেনাকাটাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনায় আসেন তিনি, যা পরবর্তীতে তার খামার ব্যবসাকে কেন্দ্র করে জনমনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে।