পশ্চিমবঙ্গের অভিনয় ও বাচিকশিল্পের অন্যতম পরিচিত মুখ বিপ্লব দাশগুপ্ত (৭৫) বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় মারা গেছেন। গত শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বলে নিশ্চিত করেছে পারিবারিক সূত্র।
পারিবারিক বিবরণ অনুযায়ী, দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর ধরে নানা জটিল শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। মৃত্যুর পর তার মরদেহ দক্ষিণ কলকাতার গল্ফক্লাব রোডের বাসা থেকে টালিগঞ্জ টেকনিশিয়ান স্টুডিওতে নেওয়া হয়, যেখানে চলচ্চিত্র ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সহকর্মীরা তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানান।
প্রায় দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন জগতে সক্রিয় ছিলেন বিপ্লব দাশগুপ্ত। ২০০৪ সালে ‘শ্যাডোজ অব টাইম’ সিনেমার মাধ্যমে তার অভিনয়যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে ‘ফেলুদা’, ‘বাইশে শ্রাবণ’, ‘গুমনামি’সহ একাধিক আলোচিত চলচ্চিত্রে তিনি অভিনয় করেন। পাশাপাশি ‘কুয়াশা যখন’, ‘রাগে অনুরাগে’, ‘নেতাজি’সহ বহু জনপ্রিয় ধারাবাহিকে তার উপস্থিতি দর্শকমহলে প্রশংসিত হয়।
২০১৯ সালে ‘দেবতার গ্রাস’ চলচ্চিত্রে তিনি সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ও নাসিরুদ্দিন শাহের মতো কিংবদন্তি অভিনেতাদের সঙ্গে কাজ করেন। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি শিক্ষকতা পেশা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করলেও পরবর্তীতে আবৃত্তি, ভয়েস ওভার ও বিজ্ঞাপন জগতে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।
তার মৃত্যুতে পশ্চিমবঙ্গের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন শিল্পী ও সহকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও এক কন্যাসন্তান রেখে গেছেন।
পশ্চিমবঙ্গের অভিনয় ও বাচিকশিল্পের অন্যতম পরিচিত মুখ বিপ্লব দাশগুপ্ত (৭৫) বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় মারা গেছেন। গত শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বলে নিশ্চিত করেছে পারিবারিক সূত্র। পারিবারিক বিবরণ অনুযায়ী, দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর ধরে নানা জটিল শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। মৃত্যুর পর তার মরদেহ দক্ষিণ কলকাতার গল্ফক্লাব রোডের বাসা থেকে টালিগঞ্জ টেকনিশিয়ান স্টুডিওতে নেওয়া হয়, যেখানে চলচ্চিত্র ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সহকর্মীরা তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। প্রায় দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন জগতে সক্রিয় ছিলেন বিপ্লব দাশগুপ্ত। ২০০৪ সালে ‘শ্যাডোজ অব টাইম’ সিনেমার মাধ্যমে তার অভিনয়যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে ‘ফেলুদা’, ‘বাইশে শ্রাবণ’, ‘গুমনামি’সহ একাধিক আলোচিত চলচ্চিত্রে তিনি অভিনয় করেন। পাশাপাশি ‘কুয়াশা যখন’, ‘রাগে অনুরাগে’, ‘নেতাজি’সহ বহু জনপ্রিয় ধারাবাহিকে তার উপস্থিতি দর্শকমহলে প্রশংসিত হয়। ২০১৯ সালে ‘দেবতার গ্রাস’ চলচ্চিত্রে তিনি সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ও নাসিরুদ্দিন শাহের মতো কিংবদন্তি অভিনেতাদের সঙ্গে কাজ করেন। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি শিক্ষকতা পেশা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করলেও পরবর্তীতে আবৃত্তি, ভয়েস ওভার ও বিজ্ঞাপন জগতে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। তার মৃত্যুতে পশ্চিমবঙ্গের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন শিল্পী ও সহকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও এক কন্যাসন্তান রেখে গেছেন।
শোবিজ অঙ্গন থেকে রাজনীতির মঞ্চে সক্রিয় হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক, যিনি এবার সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে সাক্ষাৎকারে অংশ নিয়েছেন। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আয়োজিত মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার পর্বে উপস্থিত হন তিনি। সাক্ষাৎকার শেষে গণমাধ্যমকে দেওয়া বক্তব্যে চমক জানান, দেশের উন্নয়ন বিশেষ করে নারীর ক্ষমতায়নে ভূমিকা রাখতে তিনি রাজনীতিতে যুক্ত হতে আগ্রহী। তিনি বলেন, একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্মের প্রয়োজনীয়তা থেকেই রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা ইতিবাচক হয়েছে বলে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়ার প্রস্তুতির কথাও জানান তিনি। এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ‘নতুন যাত্রা’ শুরুর ঘোষণা দিয়ে বিস্তারিত পরে জানানোর ইঙ্গিত দেন এই অভিনেত্রী, যা তার রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রবেশের সম্ভাবনাকেই আরও জোরালো করেছে।
বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ও চিত্রকলার জগতের পরিচিত নাম অভিনেত্রী বিপাশা হায়াত এবার নিজেকে নতুন রূপে উপস্থাপন করেছেন। ঢাকার বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলা অনুষদের বারান্দায় বৈশাখী শোভাযাত্রার প্রস্তুতিতে নবীন শিল্পীদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চিত্রকলায় অংশ নিতে দেখা গেছে তাকে। কাঁচাপাকা চুল ও নতুন লুকে উপস্থিত হয়ে তিনি শুধু চমক দিয়েছেন না, শিল্পীসত্তার সক্রিয় উপস্থিতিও প্রমাণ করেছেন। ১৯৯৮ সালে চারুকলা ইনস্টিটিউট থেকে এমএফএ ডিগ্রি অর্জন করা বিপাশা ১৯৯২-৯৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হিসেবে ক্যাম্পাসের আঙিনায় সাবলীল ও আনন্দমুখর ছিলেন। ২০১৯ সাল থেকে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন। তবে দেশের প্রতি আগ্রহ ও নস্টালজিয়ার কারণে মাঝে মধ্যে দেশে ফিরলেও ক্যামেরার সামনে আসা এড়িয়ে চলেছেন। এবার সে চিত্রপট ভিন্ন মাত্রা পেয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি প্রায় সাত বছর পর আবারও ক্যামেরার সামনে এসে অভিনয় থেকে দূরে থাকার কারণ তুলে ধরেছেন। বিপাশা জানান, অভিনয়কে চিরতরে বিদায় জানাননি, তবে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর মতো প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমি শুধু মানসিকভাবে নয়, শারীরিকভাবে ঘাম ঝরানো চরিত্র করতে চাই। আমি সেই মানুষের কাহিনী বলতে চাই, যারা বেদনার্ত ও কষ্টে ভুগছে।” চিত্রকলায় নিয়মিত সক্রিয় থাকা বিপাশা দেশ-বিদেশে বিভিন্ন প্রদর্শনীর অংশগ্রহণ করছেন। গত বছর ঢাকার গ্যালারি চিত্রক-এ তার একক প্রদর্শনী ‘প্রস্তরকাল’ আয়োজন করা হয়, যা তার শিল্পীসত্তার নতুন অধ্যায়ের সূচনা বলে বিবেচিত হচ্ছে। শিল্পী হিসেবে বিপাশা হায়াত এবার শুধুমাত্র প্রেক্ষাপট নয়, ভাবনা ও সমাজকেন্দ্রিক বার্তা দিয়ে নতুন দিকনির্দেশনার প্রতীক হিসেবে উদ্ভাসিত হয়েছেন।