রংপুরে “জলবায়ু পরিবর্তন ও জেন্ডার সংবেদনশীল কর্মপরিকল্পনা” বিষয়ে দিনব্যাপী অ্যাডভোকেসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রংপুর বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ে এ আয়োজন করে নারী ক্ষমতায়ন ও পরিবেশবাদী সংগঠন ইউভ বাংলাদেশ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের রংপুর বিভাগীয় পরিচালক জিলুফা সুলতানা। বিশেষ অতিথি হিসেবে পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক নুর আলম এবং সমাজসেবা ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ডায়ালগে বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং ইয়ুথ লিড সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। আলোচনায় রংপুর অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, বিশেষ করে নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ওপর এর ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে জেন্ডার সংবেদনশীল কর্মপরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
ইউভ বাংলাদেশ ইয়ুথ কমিটমেন্ট বোর্ডের মাধ্যমে যুব প্রতিনিধিরা জলবায়ু ও জেন্ডার ন্যায্যতার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এবং একটি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সচেতনতা বাড়াতে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে গাছের চারা বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি “জেন্ডার কর্নার” স্থাপন করে নারীর স্বাস্থ্য, মর্যাদা ও নিরাপদ স্যানিটেশন বিষয়ে সচেতনতা কার্যক্রম চালানো হয়।
আয়োজকরা জানান, জলবায়ু ও জেন্ডার ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে যুব সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। অংশগ্রহণকারীরা বলেন, যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমেই জলবায়ু ও সামাজিক ন্যায্যতা অর্জন সম্ভব।
রংপুরে “জলবায়ু পরিবর্তন ও জেন্ডার সংবেদনশীল কর্মপরিকল্পনা” বিষয়ে দিনব্যাপী অ্যাডভোকেসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রংপুর বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ে এ আয়োজন করে নারী ক্ষমতায়ন ও পরিবেশবাদী সংগঠন ইউভ বাংলাদেশ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের রংপুর বিভাগীয় পরিচালক জিলুফা সুলতানা। বিশেষ অতিথি হিসেবে পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক নুর আলম এবং সমাজসেবা ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ডায়ালগে বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং ইয়ুথ লিড সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। আলোচনায় রংপুর অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, বিশেষ করে নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ওপর এর ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে জেন্ডার সংবেদনশীল কর্মপরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। ইউভ বাংলাদেশ ইয়ুথ কমিটমেন্ট বোর্ডের মাধ্যমে যুব প্রতিনিধিরা জলবায়ু ও জেন্ডার ন্যায্যতার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এবং একটি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। অনুষ্ঠানে সচেতনতা বাড়াতে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে গাছের চারা বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি “জেন্ডার কর্নার” স্থাপন করে নারীর স্বাস্থ্য, মর্যাদা ও নিরাপদ স্যানিটেশন বিষয়ে সচেতনতা কার্যক্রম চালানো হয়। আয়োজকরা জানান, জলবায়ু ও জেন্ডার ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে যুব সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। অংশগ্রহণকারীরা বলেন, যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমেই জলবায়ু ও সামাজিক ন্যায্যতা অর্জন সম্ভব।
নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল বৃহস্পতিবার বিকেলে কেশবা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফাইনালে বালক ও বালিকা উভয় বিভাগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়। বালক বিভাগে নয়ালখাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৩-০ গোলে উত্তর বড়ভিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়। বালিকা বিভাগে নয়ালখাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ট্রাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে পূর্ব দলিরাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে হারিয়ে শিরোপা অর্জন করে। খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলকে ট্রফি ও মেডেল প্রদান করা হয়। বালক বিভাগে নয়ালখাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ইকতারুল সেরা খেলোয়াড় এবং বালিকা বিভাগে পূর্ব দলিরাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মুনতাজ বেগম সেরা গোলদাতা নির্বাচিত হন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কিশোরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ড. মোসা. মাহমুদা বেগম এবং কিশোরগঞ্জ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর আব্দুর রশিদ শাহ। সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও বলেন, পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এতে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটে। পরাজিত দলকে আগামীতে আরও ভালো প্রস্তুতি নিয়ে জেলা পর্যায়ে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
রাজধানীর বাণিজ্যিক এলাকায় অগ্নি-নিরাপত্তা নিয়ে পুনরায় উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে, একই ভবনে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে দ্বিতীয়বার আগুন লাগার ঘটনায়। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল ১১টার দিকে মতিঝিলের দিলকুশায় অবস্থিত জীবন বিমা টাওয়ার-এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। ভবনটির একটি অংশ থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা গেলে ভেতরে অবস্থানরত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাৎক্ষণিকভাবে ভবন ত্যাগ করেন। ঘটনাস্থলে দ্রুত উপস্থিত হয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট, ফলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হলেও কর্মরতদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। উল্লেখ্য, গত ১৩ এপ্রিল একই ভবনে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছিল, যা এ নিয়ে ১৭ দিনের ব্যবধানে দ্বিতীয় অগ্নিকাণ্ড। ১৯৭০ সালে নির্মিত ভবনটিতে আধুনিক অগ্নি-নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতি রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ। পুনরাবৃত্ত এ ধরনের ঘটনায় ভবন ব্যবস্থাপনায় অবহেলা ও দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।