দেশজুড়ে হামের সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে একাধিক শিশু মৃত্যুসহ হাজারের বেশি শিশুর মধ্যে রোগটির উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
শনিবার (২ মে) সংস্থাটির নিয়মিত স্বাস্থ্য প্রতিবেদনে বলা হয়, গত একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যা ঢাকা অঞ্চলে ঘটেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে করে ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে ও উপসর্গজনিত মৃত্যুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, একই সময়ে সারাদেশে নতুন করে ৭২ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে এবং ১ হাজারের বেশি শিশুর মধ্যে উপসর্গ পাওয়া গেছে। ফলে মার্চের মধ্যভাগ থেকে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত ও সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা কয়েক হাজার ছাড়িয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্ত শিশুদের একটি বড় অংশ হাসপাতালে ভর্তি হলেও বিপুল সংখ্যক রোগী চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা পরিস্থিতিকে সংবেদনশীল হিসেবে দেখছেন এবং নজরদারি আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।
দেশজুড়ে হামের সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে একাধিক শিশু মৃত্যুসহ হাজারের বেশি শিশুর মধ্যে রোগটির উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। শনিবার (২ মে) সংস্থাটির নিয়মিত স্বাস্থ্য প্রতিবেদনে বলা হয়, গত একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যা ঢাকা অঞ্চলে ঘটেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে করে ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে ও উপসর্গজনিত মৃত্যুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, একই সময়ে সারাদেশে নতুন করে ৭২ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে এবং ১ হাজারের বেশি শিশুর মধ্যে উপসর্গ পাওয়া গেছে। ফলে মার্চের মধ্যভাগ থেকে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত ও সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা কয়েক হাজার ছাড়িয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্ত শিশুদের একটি বড় অংশ হাসপাতালে ভর্তি হলেও বিপুল সংখ্যক রোগী চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা পরিস্থিতিকে সংবেদনশীল হিসেবে দেখছেন এবং নজরদারি আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।
ফরিদপুর জেলায় হাম পরিস্থিতি নিয়ে সর্বশেষ স্বাস্থ্য বুলেটিনে উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২৩ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে, ফলে চলতি বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৪১ জনে। একই সময়ে হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ৪ জনে পৌঁছেছে। স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সর্বাধিক সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে গোপালগঞ্জ-১ এলাকায়, যেখানে একদিনেই ১৫ জন রোগী পাওয়া গেছে। অন্যান্য উপজেলায় সীমিত বা শূন্য সংক্রমণ রিপোর্ট করা হয়েছে। চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় দেখা যায়, ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মোট কয়েক ডজন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন, যেখানে নিয়মিত ভর্তি ও ছাড়পত্রের কার্যক্রম চলমান। স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে এবং জনস্বার্থে শিশুদের নির্ধারিত টিকা গ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। পরিস্থিতি নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে প্রয়োজনীয় জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে।
দেশে তরুণ ও অবিবাহিতদের মধ্যে এইচআইভি সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত ১ হাজার ৮৯১ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে, যাদের মধ্যে ২১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। জাতীয় এইডস ও এসটিডি নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঝুঁকিপূর্ণ যৌন আচরণ, ইনজেক্টেবল ড্রাগ ব্যবহার, কনডমসহ সুরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার না করা এবং যৌন স্বাস্থ্য সম্পর্কে অজ্ঞতা তরুণদের মধ্যে সংক্রমণের প্রধান কারণ। বিশেষজ্ঞরা সামাজিক লজ্জা ভাঙা, প্রজনন স্বাস্থ্য শিক্ষা জোরদার এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করার মাধ্যমে এই হারের নিয়ন্ত্রণে আহ্বান জানিয়েছেন। ঢাকার হাসপাতালের চিকিৎসাধীন এক তরুণ জানান, “অন্যের ব্যবহৃত সুচের ঝুঁকি আমি জানতাম না; জানলে কখনোই তা করতাম না।” অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বলেন, নিয়মিত ওষুধ নিলে এইডস আক্রান্ত ব্যক্তি স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন, তবে সামাজিক ভীতি ও লজ্জার কারণে অনেকেই চিকিৎসা শুরু করতে দেরি করছেন। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেন, প্রযুক্তি, নগরায়ণ ও সামাজিক পরিবর্তনের কারণে তরুণদের যৌন আগ্রহ বেড়েছে, কিন্তু যৌন স্বাস্থ্য সচেতনতা কম থাকায় সংক্রমণ আরও ত্বরান্বিত হচ্ছে।