বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ ও হিজলা উপজেলার মধ্যবর্তী মেঘনা নদীতে একটি জেলে ট্রলার ডুবে পাঁচজনের মধ্যে একজন জীবিত বেঁচে ফিরলেও চারজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
রবিবার দুপুরে ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী জেলে ধুলখোলা ইউনিয়নের পালপাড়া গ্রামের শাহজাহান মিয়ার ছেলে শামিম হোসেন (২৫) জানান, গত ৯ জানুয়ারি রাত আনুমানিক চারটার দিকে পাঁচজন মাছ ধরতে ট্রলারে যান। ট্রলার নোঙর করার পর সবাই ঘুমিয়ে পড়েন। ভোরে ট্রলারে বিকট শব্দ ও ধাক্কা লাগলে ট্রলার উল্টে যায় এবং সবাই নদীতে পড়ে যান। শামিম নিজে তীরে উঠতে পারলেও বাকিরা নিখোঁজ। ধারণা করা হচ্ছে, কোনো লঞ্চের ধাক্কায় ট্রলারটি ডুবে গেছে।
নিখোঁজ জেলেদের মধ্যে আছেন- শাহীন মীর (১৭), আরিফ হোসেন (১৯), শাহীন (১৭) ও নয়ন (১৯)।
নৌ-পুলিশের কালীগঞ্জ স্টেশনের ইনচার্জ মো. এনামুল হক বলেন, উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে। হিজলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইলিয়াস সিকদারও নিখোঁজদের উদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন।
রাজধানীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও চাঁদাবাজি-ছিনতাই প্রতিরোধে বিশেষ সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেছে পুলিশ। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টা থেকে রাত দুইটা পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে মোহাম্মদপুর ও আদাবর এলাকা থেকে অন্তত ১০০ জনকে আটক করা হয়। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ-এর তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার মো. ইবনে মিজানের নেতৃত্বে চার ঘণ্টাব্যাপী এ অভিযান চালানো হয়। পরবর্তীতে আটক ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। অভিযানে বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন। পুলিশ জানায়, পবিত্র রমজান মাস ও আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে জননিরাপত্তা জোরদার এবং কিশোর গ্যাংসহ অপরাধপ্রবণ চক্রের তৎপরতা দমনে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বরিশালের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতে বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিচার কার্যক্রম চলাকালে হট্টগোল ও আইনশৃঙ্খলা লঙ্ঘনের অভিযোগে বরিশাল আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাডভোকেট সাদিকুল রহমান লিংকনকে আটক করা হয়েছে। বেলা সাড়ে ১২টায় আদালত প্রাঙ্গণে তার চেম্বার থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে আটক করে। অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের বিচারক এসএম শরীয়াতুল্লাহ লিংকনকে আদালত ভাঙ্গনে হট্টগোল ও ভাঙচুরের মামলায় জেল হাজতে প্রেরণ করার নির্দেশ দেন। কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মানুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আটকের প্রতিবাদে আদালত প্রাঙ্গণে আইনজীবীরা বিক্ষোভ শুরু করেন। হঠাৎ বিশৃঙ্খলা এড়াতে র্যাব, পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। সাবেক সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মীর জাহিদুল কবির জাহিদ বলেন, লিংকনের আটক ও বিচার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অনিয়মিত। তিনি দাবী করেন, অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের বিচারকের অবিলম্বে অপসারণ না হলে আইনজীবীরা বর্জন কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন।
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা খাঁ পাড়ায় এক তুচ্ছ বিরোধকে কেন্দ্র করে সশস্ত্র যুবকদের হামলায় বাবলু খাঁর দুই ছেলে গুরুতর আহত হয়েছেন। তারা বর্তমানে ঢাকার দুটি হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন। হামলায় মৃতের সংখ্যা এড়াতে প্রতিবেশীরা ধাওয়া করে এক হামলাকারীকে ধরেন; কিন্তু সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ করেছেন, স্থানীয় জাহিদুল মেম্বারই ভাড়া করা বাহিনী দিয়ে হামলা চালিয়েছেন। হামলার প্রধান কারণ হিসেবে একটি গরু চুরির ভিডিও এবং মোবাইলের বিষয়কে উল্লেখ করা হয়েছে। ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী বিচার দাবি করে রাজপথে অবস্থান নিয়েছিলেন। দামুড়হুদা মডেল থানার ওসি শেখ মেসবাহ উদ্দিন জানান, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পরিবার আশা করছে, জাহিদুল মেম্বারসহ সকল অভিযুক্তকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা হবে।