দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার প্রতিটি ওয়ার্ডে শীতার্ত মানুষের জন্য কম্বল বিতরণ কার্যক্রম চালাচ্ছে হিজড়া মানব কল্যাণ সংস্থা। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে পৌর শহরে কম্বল বিতরণ কার্যক্রম শুরু করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্থার সভাপতি কেয়া আক্তার মুন্নি। বিশেষ অতিথি ছিলেন দেওয়ানগঞ্জ পৌরসভার সাবেক কমিশনার রঞ্জু আহমেদ, বেলতলি বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. বাদল মিয়া, দেওয়ানগঞ্জ প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. শামছুল হুদা (রতন) এবং সাংবাদিক মো. খাদেমুল ইসলাম।
সভায় কেয়া আক্তার মুন্নি বলেন, ২০১৬ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হচ্ছে। এবছর প্রচণ্ড শীতের কারণে উপজেলা জুড়ে কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত হয়েছে। ডাংধরা, চর আমখাওয়া, হাতিভাঙ্গা, বাহাদুরাবাদসহ সকল ইউনিয়নের শীতার্ত ও ছিন্নমূল মানুষের মাঝে কম্বল পৌঁছে দেওয়া হবে।
কম্বল পেয়ে সুবিধাভোগীরা জানান, “এ বছর প্রচণ্ড শীত। কম্বল পেয়ে অনেক উপকার হয়েছে” এবং কেয়া আক্তার মুন্নির জন্য দোয়া করেছেন।
নীলফামারীর সৈয়দপুরে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। সরকার নির্ধারিত মূল্য থাকা সত্ত্বেও অতিরিক্ত দামেও গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। আমদানি সংকটের অজুহাতে ডিলাররা গোডাউন বন্ধ রাখায় বাজারে সরবরাহ ভেঙে পড়েছে। খুচরা বিক্রেতারা জানান, পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় ডিলারদের কাছ থেকে গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। যেসব দোকানে গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে, সেগুলো সরকার নির্ধারিত ১,৪৫০ টাকার পরিবর্তে ১,৬০০ থেকে ২,০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এতে সাধারণ ভোক্তা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। সাহেবপাড়ার গৃহিণী সৈয়দা বেগম বলেন, ডিলারদের কাছ থেকে গ্যাস না পেয়ে মাটির চুলায় রান্না করতে হচ্ছে। চা ও পুড়ি বিক্রেতা জিয়া জানান, অতিরিক্ত দামে গ্যাস কিনে ব্যবসা চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। সুলতান নগরের এক ডিলারের গোডাউন বন্ধ পাওয়া গেছে। অন্য একটি ডিলার প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কোম্পানি থেকেই বেশি দামে গ্যাস কিনতে হওয়ায় মূল্য কিছুটা বাড়ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী জানান, ডিলারদের কাছে গ্যাস মজুত থাকলেও তা সরবরাহ করা হচ্ছে না। সীমিত সংখ্যক সিলিন্ডার অতিরিক্ত দামে বিক্রি করায় বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে বাস টার্মিনাল ও রাবেয়া মোড় এলাকার কয়েকটি এলপিজি স্টেশন গ্যাস সংকটে বন্ধ থাকায় গ্যাসচালিত যানবাহনের মালিকরাও চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার থানাঘাটা গ্রামে এক মৎস্য চাষীর ঘের থেকে মাছ লুট ও দুটি বৈদ্যুতিক মোটর ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে প্রভাবশালী কাজী আবু তাহের ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। ক্ষতিগ্রস্থ মাছ চাষী মুজিবার গাজী (৫৫) অভিযোগ করে জানিয়েছেন, তার মাগুরা গ্রামের ১৯.২৫ শতক জমিতে তৈরি পুকুর থেকে গত ৯ জানুয়ারি প্রায় দুই মণ মাছ লুট ও ২টি বৈদ্যুতিক মোটর ভাঙচুর করা হয়। এসময় তাঁকে মারধর করা হয় এবং জমিতে লাগানো তরিতরকারি গাছও কেটে ধ্বংস করা হয়। মোট ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৭০ হাজার টাকা। মুজিবার গাজী জানান, এই ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত কাজী আবু তাহের এলাকায় পরিচিত ভুমিদস্যু এবং পূর্বেও বিভিন্ন অপরাধে নাম জড়িয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে তিনি সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। ওসি সাতক্ষীরা সদর থানার পক্ষ থেকে জানান, অভিযোগ তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পঞ্চগড়ে অসহায়, দুঃস্থ ও নিম্নআয়ের শীতার্ত মানুষের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ও ঔষধ বিতরণ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১২ জনুয়ারি) সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালের আয়োজনে তিন শতাধিক নারী, পুরুষ ও শিশুকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। পরে রোগীদের বিনামূল্যে ঔষধ সরবরাহ করা হয়। ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন সদর উপজেলার কামাত কাজলদিঘী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তোফায়েল প্রধান। স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালের রংপুর বিভাগীয় সেলস ম্যানেজার এসকে সাব্বিরুল ইসলাম ও মেডিক্যাল অফিসার আজাদ হোসাইনও উপস্থিত ছিলেন। উদ্যোক্তারা বলেন, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালের এই মানবিক উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।