ঝিনাইদহ শহরের ব্যস্ত পাগলাকানাই মোড়টি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ দোকানদারদের দখলে। সড়কের জায়গা দখল করে স্থায়ী ও ভ্রাম্যমাণ দোকান বসানোর কারণে যানজট এবং পথচারীর ভোগান্তি বেড়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ‘রাফসান স্টোর’-এর মালিক শাহ আলম তার মূল দোকানের সামনে টিনের চাল দিয়ে অবৈধভাবে দোকান সম্প্রসারণ করেছেন। এছাড়া নাসির হোটেল, রশিদ হোটেল, মামুন হোটেলসহ কয়েকটি দোকানও সড়কের জায়গা দখল করে সম্প্রসারণ করেছে। সড়কের ওপর ভ্রাম্যমাণ ফল, সবজি ও বিভিন্ন দোকানের সারি পরিবহন ও হাঁটাচলার পথে বাধা সৃষ্টি করছে।

পথচারী শহিদুল ইসলাম বলেন, “প্রতিদিন অফিসে যাতায়াতের সময় যানজট লেগে থাকে। হাঁটাচলার জায়গা নেই।” অটোরিকশা চালক রফিকুল ইসলাম বলেন, “যাত্রী নামাতে-উঠাতে সমস্যা হয়। দুর্ঘটনার ঝুঁকি সর্বদা থাকে।”
ঝিনাইদহ সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: হাফিজুর রহমান বলেন, “সড়কে কোনো অননুমোদিত স্থাপনা ও দোকান বসানো যাবে না। বিষয়টি নজরদারিতে রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা দ্রুত উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে পাগলাকানাই মোড় দখলমুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, নিয়মিত অভিযান না হলে যানজট আরও বেড়ে জনভোগান্তি ভয়াবহ আকার নেবে।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর-এর অভিযানে বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে ৫টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। রোববার দুপুরে অধিদপ্তরের বাগেরহাট জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক শরীফা সুলতানা উপজেলার ফয়লাবাজার এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে ইফতার সামগ্রীতে ক্ষতিকর রং ব্যবহার, মিষ্টির দোকানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং মুদি দোকানে টেক্সটাইল রং বিক্রির মতো অপরাধের প্রমাণ পাওয়া যায়। এসব অভিযোগে সংশ্লিষ্ট পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়। শরীফা সুলতানা জানান, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণের লক্ষ্যে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি ব্যবসায়ীদের আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনার আহ্বান জানান। অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়লে বাজারের অন্যান্য অসাধু ব্যবসায়ীদের মধ্যে ভীতি ছড়িয়ে পড়ে।
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার শিলন্দিয়া গ্রাম-এ দিনমজুর মুজাম্মেল হক মল্লিকের বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডে ২১টি ছাগল ও ২টি গাভী পুড়ে মারা গেছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টার দিকে ঘটে যাওয়া এই অগ্নিকাণ্ডে পরিবারটির একমাত্র বসতঘরও সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, গোয়ালঘরে জ্বালানো মশার কয়েল থেকে আগুনের সূত্রপাত হওয়া সম্ভব। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে গিয়ে গোয়ালঘর, বসতঘর ও সব গবাদিপশী পুড়ে যায়। পার্শ্ববর্তী গৌরনদী ফায়ার সার্ভিসের দমকল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছান, কিন্তু রাস্তা দূরত্ব ও ভাঙা থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। ভুক্তভোগী মুজাম্মেল হক মল্লিক বলেন, “আমার সব শেষ হয়ে গেছে। কষ্ট করে গরু-ছাগল পালতাম। এটাই ছিল আমাদের জীবিকার সম্বল। এখন কিছুই রইল না।” প্রত্যক্ষদর্শী শাহরিয়ার নাফিজ বলেন, “মশার কয়েল থেকে আগুন ছড়াতে পারে। আমরা চেষ্টা করেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারিনি। মুজাম্মেল ভাইয়ের ক্ষতি আমাদেরকেও ব্যথিত করেছে।” ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, “প্রত্যন্ত অঞ্চলের রাস্তা খারাপ হওয়ায় দ্রুত পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। গোয়ালঘরের সব গবাদিপশী একাকার হয়ে গেছে। বিষয়টি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক।” প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, এই অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর, মালামাল ও গবাদিপশীসহ প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে আকাশপথে জরুরি বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। কাতার এয়ারওয়েজ কাতারের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণার পর সব ধরনের ফ্লাইট কার্যক্রম স্থগিত করেছে। একইসঙ্গে টার্কিশ এয়ারলাইনস কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, লেবানন, সিরিয়া, ইরাক, ইরান ও জর্ডানগামী ফ্লাইট বাতিলের ঘোষণা দিয়েছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ইরানে সামরিক হামলার ঘটনা ঘটে, যা দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম নিশ্চিত করেছে। রাজধানীসহ কয়েকটি শহরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে জানানো হয়। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েলের দিকেও হামলা চালানোর দাবি উঠেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রগুলো তাদের আকাশসীমা ব্যবহারে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। তবে সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, হতাহতের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।