শিক্ষা

পরবর্তী প্রজন্মের জন্য কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব

Icon
আয়ান তাহরিম
প্রকাশঃ জুন ২৬, ২০২৫

কারিগরি শিক্ষা কেবল ডিগ্রি নয়, কর্মসংস্থান দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির মূল চাবিকাঠি। জানুন কেন এই শিক্ষার গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। বর্তমান বিশ্বে শিক্ষা কেবল বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ নয়। প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক বিশ্বে দক্ষতা নির্ভর শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি। তাই কারিগরি শিক্ষা এখন শুধু বিকল্প নয়, বরং একটি সময়োপযোগী বাস্তবমুখী শিক্ষাধারা। কারিগরি শিক্ষা এখন সময়ের দাবি। এটি শুধু কর্মসংস্থানের পথ নয়, বরং টেকসই উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনের অন্যতম উপায়। সরকার, সমাজ ও পরিবারসকলকে সম্মিলিতভাবে এই শিক্ষার গুরুত্ব অনুধাবন করে আগামী প্রজন্মকে দক্ষ ও কর্মক্ষম করে তুলতে হবে।

কারিগরি শিক্ষা কী?

কারিগরি শিক্ষা বলতে বোঝায় এমন এক শিক্ষাব্যবস্থা যা শিক্ষার্থীদের নির্দিষ্ট কোনো পেশাগত বা প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনের জন্য প্রস্তুত করে। যেমন: ইলেকট্রিশিয়ান, ওয়েল্ডার, কম্পিউটার অপারেটর, অটোমোবাইল মেকানিক, গ্রাফিক ডিজাইনার, ফ্যাশন ডিজাইনার, ওয়েব ডেভেলপার ইত্যাদি পেশায় কাজ করার জন্য প্রশিক্ষণ দেয়।

কেন কারিগরি শিক্ষা জরুরি?

কারিগরি শিক্ষা হলো ভবিষ্যতের কর্মসংস্থানের গেটওয়ে। এটি পরবর্তী প্রজন্মকে শুধু আত্মনির্ভরশীল করে তোলে না, বরং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সময় এসেছে কারিগরি শিক্ষাকে মূল ধারার শিক্ষার মতো মর্যাদা দেয়ার। সরকারের পাশাপাশি পরিবার সমাজকেও এই পরিবর্তনের অংশ হতে হবে।

চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি

 সাধারণ একাডেমিক ডিগ্রির তুলনায় কারিগরি শিক্ষায় প্রশিক্ষিত একজন ব্যক্তি খুব দ্রুত কর্মজীবনে প্রবেশ করতে পারে। কারণ এই শিক্ষায় শিক্ষার্থীরা হাতে-কলমে কাজ শেখে এবং সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট পেশার জন্য প্রস্তুত হয়।

উদ্যোক্তা হওয়ার সুযোগ

কারিগরি জ্ঞান থাকলে নিজের উদ্যোগেও কাজ শুরু করা যায়। যেমন: একজন দক্ষ মেকানিক বা মোবাইল টেকনিশিয়ান খুব সহজেই একটি সার্ভিস সেন্টার খুলে আয় করতে পারে।

গ্লোবাল জব মার্কেটে চাহিদা

বিদেশেও দক্ষ কারিগরি পেশাজীবীদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। ফলে প্রবাসে চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে এই শিক্ষাগ্রহণ করা তরুণদের অগ্রাধিকার দেয়া হয়।

আধুনিক শিল্প প্রযুক্তিনির্ভর দেশের জন্য ভিত্তি

একটি দেশ যদি টেকসই উন্নয়ন চায়, তাহলে তাকে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে হবে। কারিগরি শিক্ষাই সেই দক্ষতা তৈরির মূল চাবিকাঠি। বর্তমান বিশ্বে কর্মসংস্থানের ধরন দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে টিকে থাকতে হলে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে প্রস্তুত করতে হবে বাস্তবমুখী এবং দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার মাধ্যমে। এই প্রেক্ষাপটে কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব দিন দিন বেড়ে চলেছে। এটি শুধু একটি বিকল্প শিক্ষাব্যবস্থা নয়, বরং ভবিষ্যতের চাকরি উদ্যোক্তা সৃষ্টির অন্যতম হাতিয়ার।

 

শিক্ষা

আরও দেখুন
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রথম ভিসি হলেন ড. এ এস মো. আবদুল হাছিব

নবগঠিত সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি-এর প্রথম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ড. এ এস মো. আবদুল হাছিব। আগামী চার বছরের জন্য তাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়-এর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ, ২০২৬-এর ১১(১) ধারায় এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর স্নাতকোত্তর অধ্যয়ন অনুষদের ডিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, উপাচার্য হিসেবে যোগদানের আগে তিনি তার মূল পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন। প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে উপাচার্যকে সার্বক্ষণিকভাবে ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে। প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর যেকোনো সময় এই নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন। উল্লেখ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর সাতটি সরকারি কলেজকে সমন্বিত ও স্বায়ত্তশাসিত প্রশাসনিক কাঠামোর আওতায় আনতে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারি করা হয়, যা মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে অনুমোদন করেন।  

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় এআই অ্যাপ ব্যবহার, শিক্ষার্থী আটক

ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরুর তারিখ ঘোষণা

ছবি: প্রতিনিধি

কুয়েটে প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে নিরাপত্তা বিষয়ক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

সাহিত্যপ্রেমীদের জন্যে পর্দা উঠলো ময়মনসিংহ বিভাগীয় বইমেলার

ময়মনসিংহ বিভাগীয় বইমেলা-২০২৫ শুরু হলো ১২ ডিসেম্বর । নগরীর টাউন হল প্রাঙ্গণে শুক্রবার বিকালে উদ্বোধনী ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে এ মেলার পর্দা উঠলো। মেলাটির উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য (সিনিয়র সচিব) এম এ আকমল হোসেন আজাদ। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় বিভাগীয় প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় ও জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র আয়োজিত ১২ ডিসেম্বর হতে শুরু হওয়া ০৯ দিনব্যাপী ময়মনসিংহ বিভাগীয় বইমেলাটি চলবে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। মেলায় ১০ সরকারি ও ৬২টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ মোট ৭২ টি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করছে। বইমেলায় প্রতিদিন বিকাল ৩ টা হতে ৫ টা পর্যন্ত আলোচনা সভা, সেমিনার, উপস্থিত বক্তৃতা, কচিকাঁচার উৎসব, কুইজ প্রতিযোগিতা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, আবৃত্তিসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন রয়েছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন সকাল ১০ টা হতে মেলা অনুষ্ঠিত হবে।উদ্বোধনী আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি'র বক্তৃতায় কমিশনের সদস্য (সিনিয়র সচিব) বলেন, এ বইমেলা নতুনদের অনুপ্রাণিত করবে। মেলার মাধ্যমে যে বই হাতে পাবে তা বাংলাভাষাকে জীবন্ত রাখবে। যখন সবচেয়ে বেশি দরকার হবে বই এগিয়ে আসবে। জড় বস্তু বইয়ের মধ্যে প্রাণের স্পন্দন খুঁজে পাবেন। মেলা শুধু বইয়ের স্তুপ নয়,এটা কথোপকথনের জায়গাও বটে।তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের সংস্কৃতির রাজধানী এই ময়মনসিংহ অঞ্চল। এ জায়গাতে কালচারাল হাব গড়ে তুলতে চাই। তাতে করে সাংস্কৃতিক চর্চায় আরো সমৃদ্ধ হবে এ অঞ্চল।বিভাগীয় কমিশনার মিজ্ ফারাহ শাম্মী এনডিসি এর সভাপতিত্বে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমান, বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক অধ্যাপক ফয়জুল লতিফ চৌধুরী, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক আফসানা বেগম, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাঃ খালিদ হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোতাম্মেল ইসলাম ও শহীদ সাগরের গর্বিত পিতা মোঃ আসাদুজ্জামান প্রমুখ। অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার তাহমিনা আক্তার স্বাগত বক্তৃতা করেন।বক্তৃতায় অতিথিবৃন্দ বলেন, পাঠক সমাজ সৃষ্টি করতেই বইমেলার মূল উদ্দেশ্য। এতে নতুন পাঠক সৃষ্টি হয়। মেলায় সম্পৃক্ততার মাধ্যমে অনেক নতুন বই স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে পৌঁছে যায়।একটি বই অন্য আরেকটি বইয়ের কাছে নিয়ে যায়। বইমেলায় আসতে আপনারা সকলকে উদ্বুদ্ধ করবেন। আমরা যতটুকু শিখেছি বই থেকেই শিখেছি। ডিজিটাল যুগে বই কম টানে কিন্তু মুদ্রিত বইয়ের চাইতে আনন্দ উপভোগ করা খুব কমই হয়।পাঠক ও লেখকের মাঝে মিথষ্ক্রিয়া ঘটায় বইমেলা। সমাজে আলোকিত মানুষ গড়ে তোলাতে বই খুবই প্রয়োজনীয় অনুষঙ্গ। বই হতে পারে আমাদের উপহারের মাধ্যম।সভাপতির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, বৈষম্যহীন আলোকিত সমাজ বিনির্মাণে বইয়ের গুরুত্ব অপরিসীম।সৃজনশীলতা ও চিন্তার বিকাশ ঘটায় বই। তরুণদের যুক্তিবাদী করে তুলে বই। শিশুদের জন্য যেন খেলনার চাইতেও প্রিয় এবং প্রবীণদের জন্য যেন সঙ্গী হয় এই বই, এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যাপকগণ, বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ, সরকারি দপ্তরগুলোর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ, সিনিয়র শিক্ষকমন্ডলী, শিক্ষার্থীবৃন্দ, কবি, লেখক ও প্রকাশকবৃন্দ, সাহিত্যপ্রেমী নাগরিকবৃন্দ, সুশীল সমাজ, সাংবাদিকবৃন্দ ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।অতিথিবৃন্দ কর্তৃক বইয়ের স্টল পরিদর্শনের মাধ্যমে মেলাটির বর্ণিল আয়োজন আরো সমৃদ্ধ লাভ করে। শুরুর দিনই মেলাতে বইপ্রিয় মানুষের উপচে পড়া ভীড় দেখা যায়।

রতন লাল ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫ 0

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট: এক শিক্ষকেই সামলাচ্ছেন একাধিক শ্রেণি

কারিগরি শিক্ষার প্রসারে প্রতিটি উপজেলায় আধুনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ

অনলাইন ক্লাসের প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ কমছে, বাড়ছে শিখন ঘাটতি

ইউনিফর্ম ও উপবৃত্তি না পেয়ে শিক্ষার্থীদের স্কুলে অনুপস্থিতির হার বাড়ছে

সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ইউনিফর্ম ও উপবৃত্তি প্রদান দীর্ঘদিন ধরেই শিক্ষার্থীদের স্কুলমুখী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে এসেছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে অনেক স্কুলেই শিক্ষার্থীরা এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ফলে অনুপস্থিতির হার দিন দিন বাড়ছে, যা উদ্বেগজনক মাত্রায় পৌঁছেছে। বিশেষ করে প্রান্তিক ও দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীদের জন্য ইউনিফর্ম ও উপবৃত্তি না পাওয়া এক ধরনের বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।   মাঠপর্যায়ের তথ্য বলছে, অনেক স্কুলেই বছরের শুরু থেকেই ইউনিফর্ম সরবরাহ হয়নি। আবার উপবৃত্তির টাকা এখনো পৌঁছায়নি শিক্ষার্থীদের হাতে। এতে করে দরিদ্র পরিবারগুলো শিশুদের বিদ্যালয়ে পাঠাতে নিরুৎসাহিত হচ্ছে। অনেক অভিভাবকই বলছেন, পরিবারের আর্থিক দুরবস্থার কারণে সন্তানদের ইউনিফর্ম কেনা বা অন্যান্য শিক্ষা সামগ্রী সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে না। সেই সাথে উপবৃত্তির অর্থ সময়মতো না পাওয়ায় শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাওয়া কমে গেছে। এতে করে ঝরে পড়ার আশঙ্কা আরও বাড়ছে।   বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিক্ষাক্ষেত্রে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ প্রশংসনীয় হলেও মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নের ঘাটতি রয়েছে। বিশেষ করে দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তি ও ইউনিফর্ম একটি সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করে। কিন্তু এই সুবিধা নিয়মিতভাবে না পৌঁছালে তাদের স্কুলে উপস্থিতি ব্যাহত হয়। অনেক সময় দেখা যায়, একই পোশাক বারবার পরার ফলে তা নষ্ট হয়ে যায় এবং নতুনটি কেনার সামর্থ্য না থাকায় শিক্ষার্থীরা স্কুলে অনুপস্থিত থাকে। অন্যদিকে, উপবৃত্তির টাকায় তারা যাতায়াত খরচ, খাতা-কলম কিংবা অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী সংগ্রহ করে থাকে। এই অর্থ না পেলে তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে।   শিক্ষা কর্মকর্তাদের অনেকে জানিয়েছেন, বাজেট বরাদ্দে বিলম্ব এবং প্রশাসনিক জটিলতার কারণে ইউনিফর্ম ও উপবৃত্তি সরবরাহে দেরি হচ্ছে। তবে তারা আশ্বস্ত করেছেন, চলতি বছরের মধ্যেই সমস্যার সমাধান হবে এবং শিক্ষার্থীদের প্রাপ্য সুবিধা যথাসময়ে পৌঁছে যাবে।   তবে অভিভাবক ও শিক্ষকদের দাবি, শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। শিশুদের নিয়মিত স্কুলে উপস্থিত রাখার জন্য তাদের মৌলিক চাহিদাগুলোর দিকে নজর দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে যারা সমাজের পিছিয়ে পড়া শ্রেণির, তাদের জন্য শিক্ষা যেন বিলাসিতা না হয়ে যায়। সরকারের উচিত বরাদ্দ, বণ্টন ও বাস্তবায়নে আরও জোর দেওয়া, যাতে প্রতিটি শিক্ষার্থী তার ন্যায্য অধিকার নিশ্চিতভাবে পায়।   এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে স্কুলে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার আরও কমে যেতে পারে এবং জাতীয় শিক্ষানীতির লক্ষ্য অর্জন ব্যাহত হতে পারে। তাই এখনই কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া দরকার, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শিক্ষাজীবন কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

তামিম রেহমান জুন ২৮, ২০২৫ 0

সরকারি স্কুলে প্রথমবারের মতো ডিজিটাল হাজিরা চালু, নজরদারিতে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা বাতিল, চালু হচ্ছে কেন্দ্রীয় আবেদন ও মেধাতালিকা

অনলাইন শিক্ষার ভবিষ্যৎ: ক্লাসরুম কি চিরতরে বদলে যাচ্ছে?

অনলাইন শিক্ষার ভবিষ্যৎ: ক্লাসরুম কি চিরতরে বদলে যাচ্ছে?

0 Comments