রাজনীতি

সাত দলের বৈঠকে নতুন জোট গঠনের উদ্যোগ, নাম প্রস্তাব ‘গণতান্ত্রিক ঐক্য ফ্রন্ট’

Admin জুন ২৬, ২০২৫ 0

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিরোধী দলগুলোর মধ্যে নতুন করে সরবতা লক্ষ করা যাচ্ছে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগকে বাইরে রেখে সাতটি বিরোধী রাজনৈতিক দল ঢাকায় এক গোপন বৈঠকে মিলিত হয়েছে, যেখানে একটি নতুন রাজনৈতিক জোট গঠনের ব্যাপারে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তাবিত এই জোটের সম্ভাব্য নাম হতে পারে ‘গণতান্ত্রিক ঐক্য ফ্রন্ট’। অংশগ্রহণকারী দলগুলো মনে করছে, দেশের রাজনৈতিক সংকট এবং ভোটাধিকার হরণের যে বাস্তবতা তৈরি হয়েছে, তা থেকে উত্তরণ ঘটাতে হলে একটি ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তোলা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।

বৈঠকে অংশ নেয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), গণফোরাম, নাগরিক ঐক্য, বাংলাদেশ লেবার পার্টি, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ এবং জাতীয় পার্টির একটি অংশ। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এই আলোচনা সভায় মূলত নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা, ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা এবং আন্দোলনের ধরন নিয়ে দলগুলোর মধ্যে মতবিনিময় হয়। নেতারা বলেন, বর্তমান সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু বা গ্রহণযোগ্য হবে না। তারা অভিযোগ করেন, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের মতো একতরফা নির্বাচনের পেছনে সরকারি শক্তি ব্যবহৃত হয়েছে, আর এবারও এমন পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

বৈঠকে বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, “এই সরকার জনগণের ভোটাধিকার ছিনিয়ে নিয়েছে। আমাদের রাজপথেই ফিরতে হবে, তবে তা হবে সম্মিলিতভাবে।” নাগরিক ঐক্যের মহাসচিব মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, “আমরা কেবল নির্বাচনের জন্য নয়, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক ঐক্য চাই।” অন্যান্য নেতারাও অভিমত প্রকাশ করেন, শুধুমাত্র সরকারবিরোধী স্লোগান নয়, বরং ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র কাঠামোর একটি সমন্বিত নীতিমালাও দরকার হবে এই নতুন জোটের জন্য।

বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, আগামী মাসের মাঝামাঝি ঢাকায় একটি “গণতান্ত্রিক সম্মেলন” আয়োজন করা হবে, যেখানে দেশের আরও কয়েকটি দলকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রচেষ্টা নেওয়া হবে। একইসাথে তৃণমূল পর্যায়ে কর্মী সংগঠনের মাধ্যমে নতুন এই ফ্রন্টকে সক্রিয় করা হবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই উদ্যোগ রাজনৈতিক ময়দানে নতুন একটি সমীকরণ তৈরি করতে পারে, বিশেষ করে তখন, যখন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ দীর্ঘ সময় ধরে একক আধিপত্য বিস্তার করে আসছে।

তবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগকে “নাটকীয় ও রাজনৈতিক সুবিধাবাদ” হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, “জনবিচ্ছিন্ন ও নির্বাচনে পরাজিত শক্তিগুলো আবারও দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে চায়। জনগণ এদের চেনে, আর প্রত্যাখ্যান করবে।” তিনি আরও বলেন, সরকার সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন করবে এবং নির্বাচন কমিশন প্রস্তুতি নিচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. মাহবুব হাসান মনে করেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে এমন জোট অনেকবার দেখা গেছে, কিন্তু বেশিরভাগই কার্যকর হয়নি। তিনি বলেন, “নেতৃত্বের মধ্যে মতভেদ, আদর্শগত অসঙ্গতি এবং কর্মসূচির বাস্তবায়নে দুর্বলতা জোটগুলোর বড় দুর্বলতা। তবে যদি এবার সত্যিকারের ঐক্য তৈরি হয় এবং জনসম্পৃক্ত কর্মসূচি নেওয়া যায়, তাহলে এই ফ্রন্ট সরকারবিরোধী আন্দোলনের একটি নতুন ধারায় পরিণত হতে পারে।”

বৈঠকে অংশগ্রহণকারীদের একাংশ জানিয়েছেন, জোটের রূপরেখা চূড়ান্ত করতে কয়েকটি উপ-কমিটি গঠন করা হবে এবং সংবিধান সংস্কার, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন, মানবাধিকার, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা, এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা—এই পাঁচটি বিষয়ে নীতিনির্ধারণী দলিল তৈরি করা হবে। নেতারা বলেন, দেশের মানুষ একটি কার্যকর বিকল্প চায়, আর সেই বিকল্প হতে পারে এই নতুন ফ্রন্ট।

বর্তমানে দেশের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে একটি পরিবর্তনের বাতাস বইছে—যেখানে সরকারবিরোধী শক্তি নতুন করে সংঘবদ্ধ হওয়ার চেষ্টা করছে এবং নির্বাচনের আগে একটি নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণ স্পষ্ট হয়ে উঠছে। তবে এই জোট কী পরিমাণে সংগঠিত হতে পারবে এবং জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারবে কিনা, তা নির্ভর করবে তাদের আগামী দিনের বাস্তব কর্মসূচি ও সাংগঠনিক স্থায়িত্বের ওপর।

জনপ্রিয় পোস্ট
ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

ইউরোপে তীব্র গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন: মৃতের সংখ্যা বাড়ছে প্রতিদিন

ইউরোপে বর্তমানে প্রচণ্ড গরমের যে ঢেউ বইছে, তা যেন আগের সব রেকর্ড ভেঙে দিচ্ছে। স্পেন, ইতালি, গ্রিস, ফ্রান্স, পর্তুগালসহ দক্ষিণ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশে তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গেছে। এই অস্বাভাবিক গরমে জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। প্রতিদিনই বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা, হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর ভিড়, আর মানুষের মধ্যে দেখা দিয়েছে আতঙ্ক ও উদ্বেগ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবারের তাপপ্রবাহ শুধু একটি স্বাভাবিক গ্রীষ্মকালীন ঘটনা নয়, বরং এটি জলবায়ু পরিবর্তনের সরাসরি প্রভাব। গত কয়েক দশকে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে ইউরোপের আবহাওয়ায় ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। আগে যেখানে তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রির ওপরে যেত না, এখন সেখানে ৪৫-৪৭ ডিগ্রিও স্বাভাবিক হয়ে উঠছে। এমনকি অনেক অঞ্চলে তাপমাত্রা এতটাই বেড়েছে যে আগুন লেগে যাচ্ছে বনাঞ্চলে, আর দাবানল নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে দমকল বাহিনী। বিশেষ করে বয়স্ক এবং শিশুদের মধ্যে এই গরমে মৃত্যুহার বাড়ছে আশঙ্কাজনক হারে। ইতালির রোমে একদিনে অন্তত ২০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে শুধুমাত্র হিট স্ট্রোকের কারণে। ফ্রান্সে হাসপাতালগুলোতে রোগীদের জন্য ঠান্ডা ঘর তৈরি করতে হচ্ছে, আর জার্মানির কিছু এলাকায় পানি সংরক্ষণের জন্য বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। গরমের প্রভাবে জনজীবনের স্বাভাবিক কার্যক্রমেও পড়েছে বড় প্রভাব। রাস্তাঘাট ফাঁকা, অনেক অফিস ও দোকান বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে দুপুরের সময়। পর্যটন খাতে পড়েছে বড় আঘাত, কারণ বহু পর্যটক সফর বাতিল করছেন। কৃষিক্ষেত্রেও এর ভয়াবহ প্রভাব পড়েছে—খরায় জমির ফসল নষ্ট হচ্ছে, গবাদিপশু পানিশূন্যতায় মারা যাচ্ছে, আর কৃষকরা পড়েছেন দিশেহারা অবস্থায়। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এমন তীব্র গরম কেবল শুরু। যদি বৈশ্বিক তাপমাত্রা বাড়তে থাকে এই হারে, তাহলে আগামী কয়েক দশকে ইউরোপের দক্ষিণাঞ্চল বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠতে পারে। অনেক দেশ এরইমধ্যে তাদের নাগরিকদের সচেতন করতে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে—যেমন দুপুর ১২টা থেকে ৪টা পর্যন্ত বাইরে না থাকা, পর্যাপ্ত পানি পান করা, ও ঠান্ডা জায়গায় থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তবে শুধু পরামর্শ বা সতর্কতা যথেষ্ট নয়। অনেকেই বলছেন, এখনই যদি বিশ্ব নেতারা কার্যকর জলবায়ু পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে এ ধরনের বিপর্যয় আরও ঘন ঘন দেখা যাবে, এবং শুধু ইউরোপ নয়, গোটা পৃথিবীর মানুষকেই এর মূল্য দিতে হবে। ইউরোপে এই গ্রীষ্মের ভয়াবহ চিত্র আমাদের মনে করিয়ে দিচ্ছে—জলবায়ু পরিবর্তন আর কোনো ভবিষ্যতের আশঙ্কা নয়, এটি এখনই ঘটছে, এবং এর প্রভাব এখনই আমাদের জীবনকে করে তুলছে হুমকির মুখে।

নিউইয়র্কের সম্ভাব্য মেয়র মুসলিম তরুণ মামদানি

নিউইয়র্কের রাজনীতিতে এক নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছেন একজন তরুণ, মুসলিম, প্রগতিশীল নেতা—জোহারান মামদানি। তার বয়স মাত্র ৩৩ বছর, কিন্তু এরই মধ্যে তিনি নিউইয়র্কবাসীর দৃষ্টি কেড়েছেন সাহসী বক্তব্য, সমাজকল্যাণমুখী কর্মসূচি এবং ভিন্নধারার রাজনৈতিক দর্শন দিয়ে। অনেকেই বলছেন, নিউইয়র্কের পরবর্তী মেয়র হতে পারেন এই মুসলিম তরুণ।   মামদানির পরিচয় জোহারান মামদানি একজন মুসলিম এবং ভারতীয়-উগান্ডীয় বংশোদ্ভূত। তার মা বিশ্ববিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক মীরা নায়ার, আর বাবা মোহাম্মদ মামদানি একজন নামকরা শিক্ষাবিদ। মামদানি শৈশবেই উগান্ডা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন এবং নিউইয়র্কেই বড় হন। তিনি বর্তমানে অ্যাস্টোরিয়াতে বসবাস করেন এবং পেশাগতভাবে একজন হাউজিং কাউন্সেলর থেকে রাজনীতিবিদ হয়েছেন।   রাজনীতিতে প্রবেশ ২০২০ সালে নিউইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলি নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক সোশ্যালিস্টদের সমর্থনে কুইন্স জেলার ৩৬ নম্বর আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হন। তিনি নিজেকে "জনগণের প্রতিনিধি" হিসেবে তুলে ধরেছেন, যিনি গৃহহীন, শ্রমজীবী ও প্রান্তিক মানুষের কণ্ঠস্বর। তার মূল রাজনৈতিক এজেন্ডাগুলোর মধ্যে রয়েছে: ভাড়ার ওপর নিয়ন্ত্রণ ফ্রি পাবলিক বাস সকলের জন্য স্বাস্থ্যসেবা ও শিশু পরিচর্যার সুযোগ মুসলিম সম্প্রদায়সহ সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষা   সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী জোহারান মামদানি এখন নিউইয়র্ক সিটির মেয়র পদের জন্য বিবেচিত সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন। প্রথাগত রাজনীতিবিদদের চেয়ে আলাদা হওয়ায় তরুণ প্রজন্ম ও অভিবাসীদের মধ্যে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করছেন। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যদি তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী হন, তবে এটি নিউইয়র্কের রাজনীতিতে একটি বড় পরিবর্তনের সূচনা হবে।   মুসলিম পরিচয় এবং নেতৃত্ব একজন গর্বিত মুসলিম হিসেবে মামদানি কখনও নিজের ধর্মীয় পরিচয় লুকাননি। বরং তিনি ইসলামিক মূল্যবোধের আলোকে সমাজসেবা ও ন্যায়ের কথা বারবার উচ্চারণ করে গেছেন। তিনি ‘Students for Justice in Palestine’ নামক সংগঠনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা, যা মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি ও ন্যায়ের জন্য সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।   উপসংহার জোহারান মামদানি শুধু একজন মুসলিম রাজনীতিবিদ নন, তিনি বর্তমান প্রজন্মের জন্য এক অনুপ্রেরণার নাম। একদিকে তার তরুণ নেতৃত্ব, অন্যদিকে তার সামাজিক দায়বদ্ধতা নিউইয়র্কের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বকে নতুন দিশা দিতে পারে। নিউইয়র্কবাসীর আশাবাদ—এই তরুণ যদি মেয়র হন, তবে নগরবাসীর প্রকৃত সমস্যাগুলোর সমাধানে আমরা এক নতুন ইতিহাস দেখতে পারি।

রাজনীতি

আরও দেখুন
নেত্রীমণ্ডলীর বৈঠকে জোট গঠনের আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে
নেত্রীমণ্ডলীর বৈঠকে জোট গঠনের আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে

বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে নতুন জোট গঠনের আলোচনা শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিভিন্ন ইসলামী রাজনৈতিক দল ও কিছু জাতীয়তাবাদী ছোট দলের নেতৃবৃন্দ একাধিক দফায় বৈঠকে বসেছেন এবং একটি কার্যকর রাজনৈতিক জোট গঠনের বিষয়ে নীতিগতভাবে একমত হয়েছেন। দীর্ঘদিনের মতানৈক্য ও পারস্পরিক অনাস্থা ভুলে নেতারা এখন একটি বৃহত্তর ঐক্যের দিকে এগোচ্ছেন। বৈঠকে অংশ নেওয়া নেতারা মনে করছেন, দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক কাঠামোতে বিচ্ছিন্নভাবে নির্বাচনে অংশ নিলে কোনো দলই উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারবে না। বিশেষ করে ভোট ভাগ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় অনেকেই জোটের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন। এতে করে নির্বাচনে শক্ত অবস্থান গড়ে তোলার পাশাপাশি নিজেদের দাবি ও স্বার্থ আরও কার্যকরভাবে তুলে ধরা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন নেতৃবৃন্দ। জোট গঠনের আলোচনায় অংশ নেওয়া দলগুলো একমত হয়েছে যে, তারা জাতীয় স্বার্থ, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও জনগণের অধিকার রক্ষায় একটি সমন্বিত অবস্থান গ্রহণ করবে। নির্বাচনী আসন ভাগাভাগি, প্রার্থী নির্বাচন, নীতিগত রূপরেখা ইত্যাদি বিষয়েও খসড়া আলোচনা প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। এখন অপেক্ষা কেবল আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ও সমঝোতা চুক্তির। তবে এই প্রক্রিয়া নিঃসন্দেহে সহজ নয়। বিভিন্ন দলের ভিন্ন মতাদর্শ, নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা ও আস্থার ঘাটতি মাঝে মাঝে প্রক্রিয়াকে মন্থর করে তুলছে। তবুও বৈঠকে অংশ নেওয়া অনেক নেতাই আশাবাদী যে, বাস্তবতা ও সময়ের দাবি মেনে সবাই একটি গ্রহণযোগ্য সমঝোতায় পৌঁছাবেন। এই জোট গঠনের মাধ্যমে রাজনৈতিক পালাবদলের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে তারা যদি বৃহৎ বিরোধী শক্তির সঙ্গে নির্বাচনী সমন্বয় করতে সক্ষম হয়, তবে তা ক্ষমতাসীন দলের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অন্যদিকে, একটি সুসংগঠিত ও নীতিনির্ভর জোট দেশের গণতন্ত্রের জন্যও হতে পারে ইতিবাচক বার্তা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই মুহূর্তে সমঝোতা এবং নেতৃত্বে নমনীয়তাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সবাই যদি নিজ নিজ দলীয় স্বার্থ কিছুটা পেছনে রেখে সম্মিলিত লক্ষ্যে একমত হতে পারেন, তাহলে এ জোট একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক বলয়ে রূপ নিতে পারে। সবদিক বিবেচনায় বলা যায়, নেত্রীমণ্ডলীর বৈঠক ও চলমান আলোচনা একটি নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। যদি সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোয়, তবে অচিরেই এই নতুন জোট দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে দৃশ্যমান প্রভাব ফেলতে পারে। জনগণের মধ্যে নতুন প্রত্যাশা ও রাজনৈতিক সচেতনতা তৈরি হতে পারে এই উদ্যোগের মাধ্যমে। এখন দেখার বিষয়—এই আলোচনা কেবল কথার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে, নাকি বাস্তবে রূপ নেয় কার্যকর এক ঐক্যে।

আয়ান তাহরিম জুন ২৮, ২০২৫ 0
নির্বাচনের প্রস্তুতি: নির্বাচন কমিশনের নতুন রোডম্যাপ প্রকাশ

নির্বাচনের প্রস্তুতি: নির্বাচন কমিশনের নতুন রোডম্যাপ প্রকাশ

জাতীয় বাজেট ঘিরে সংসদে তুমুল বিতর্ক

জাতীয় বাজেট ঘিরে সংসদে তুমুল বিতর্ক

জাতীয় নির্বাচন ঘিরে উত্তপ্ত রাজনীতি: প্রধান দলগুলোর নতুন কৌশল

২০২৫ সালে আওয়ামী লীগ অনুপস্থিতিতে রাজনৈতিক মঞ্চে ত্রিমুখী যুদ্ধ

২০২৫ সালে বাংলাদেশের রাজনৈতিক মঞ্চে প্রধান ভূমিকা পালন করছে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং নবগঠিত জাতীয় রক্ষণশীল দল (এনসিপি)। ক্ষমতাসীন কোনো বড় দল না থাকার কারণে এই তিন দলই দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে নিজেদের অবস্থান শক্ত করার জন্য কঠোর পরিশ্রম করছে। দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন এক ত্রিমুখী প্রতিযোগিতার সূচনা হয়েছে, যা আগামী নির্বাচনের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।   বিএনপি মূলত পুরনো রাজনৈতিক জনমানসিকতাকে ধরে রাখার চেষ্টা করছে এবং মাঠ পর্যায়ে পুনর্গঠন ও গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছে। দলটির নেতৃত্ব ইতোমধ্যে ঘোষণা করেছে, তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণের পাশাপাশি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি জানাবে। দলের শীর্ষ নেতারা মনে করেন, বর্তমান রাজনীতিতে একটি গ্রহণযোগ্য নেতৃত্বের অভাব রয়েছে, যার ফলে তারা নিজেদেরকে দেশের পরিবর্তনের একমাত্র বিকল্প হিসেবে তুলে ধরছে।   অপরদিকে জামায়াতে ইসলামী তাদের সাংগঠনিক ক্ষমতা বাড়াচ্ছে এবং ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করছে। তারা দাবি করছে, দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমস্যাগুলো সমাধানে ইসলামী নীতিমালা প্রয়োজন এবং আধুনিক রাজনীতির সঙ্গে ঐতিহ্য সংমিশ্রণ অপরিহার্য।   তৃতীয় দিক থেকে জাতীয় রক্ষণশীল দল (এনসিপি) নতুন প্রজন্মের মধ্যে জনপ্রিয়তা অর্জন করছে। তাদের লক্ষ্য মধ্যবিত্ত, প্রযুক্তিনির্ভর যুবসমাজ এবং উদ্যোক্তাদের কাছে আধুনিক, প্রগতিশীল, কিন্তু রক্ষণশীল মূল্যবোধের রাজনীতি পৌঁছে দেওয়া। দলের নেতা ফারহান রেজা বলেছেন, “আমরা দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে নতুন চিন্তার স্রোত বয়ে আনতে চাই, যা জাতীয় ঐক্য এবং স্থিতিশীলতাকে বর্ধিত করবে।”   রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেশের রাজনীতিতে নতুন গতিশীলতা সৃষ্টি করেছে, তবে এর ফলে রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং দমন-পীড়নের আশঙ্কাও বাড়ছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, “আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে একটি শক্তিশালী ও স্থিতিশীল রাজনৈতিক নেতৃত্ব না থাকায় ভবিষ্যতের জন্য বেশ কিছু প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। তবে এই নতুন রাজনৈতিক পরিবেশে জনগণের কল্যাণ ও উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।”   এই প্রেক্ষাপটে আগামী নির্বাচন কেমন হবে তা দেশবাসীর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলো তাদের কার্যক্রম আরও জোরালো করতে শুরু করেছে এবং সাধারণ মানুষ শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করছে।

Admin জুন ২৬, ২০২৫ 0

বাংলাদেশের রাজনীতিতে আবারও উত্তেজনা বাড়ছে

সাত দলের বৈঠকে নতুন জোট গঠনের উদ্যোগ, নাম প্রস্তাব ‘গণতান্ত্রিক ঐক্য ফ্রন্ট’

নতুন জোট গঠনের ঘোষণা দিল প্রধান তিন বিরোধী দল

0 Comments