বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষার নিবন্ধনপত্রে গুরুতর ত্রুটি ধরা পড়েছে। বোর্ডের নিবন্ধিত প্রায় ৬৯ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রায় ৩৯ হাজার ছেলে থাকলেও তাদের সবার নিবন্ধনপত্রে লিঙ্গ হিসেবে ‘Female’ উল্লেখ করা হয়েছে।
কলেজগুলোতে নিবন্ধনপত্র বিতরণের সময় বিষয়টি প্রথম ধরা পড়ে। ঝালকাঠিসহ বিভিন্ন জেলার কলেজে ছেলেদের কার্ডেও ‘Female’ লেখা দেখে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি দেখা দেয়। পরে অনুসন্ধানে জানা যায়, বোর্ডের ডাটাবেসে ভুল সেটিংসের কারণে এই ত্রুটি ঘটে এবং তা যাচাই না করেই হাজার হাজার নিবন্ধনপত্র মুদ্রণ করা হয়।
তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বোর্ডের অ্যানালিস্ট এস এম শহিদুজ্জামানের গাফিলতির বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
বোর্ড চেয়ারম্যান ড. ইউনুস আলী সিদ্দিকী বলেন, কম্পিউটার প্রোগ্রাম সেটিংস ও অপারেটরের অসাবধানতার কারণে এই ভুল হয়েছে। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে শোকজ করা হয়েছে এবং নিবন্ধনপত্র পুনর্মুদ্রণের কাজ চলছে।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. শহিদুল ইসলাম জানান, নতুন সেটিংস করে নিবন্ধনপত্র সংশোধন করা হচ্ছে। কয়েক হাজার কার্ড ইতোমধ্যে সংশোধন করা হয়েছে এবং বাকি কাজ দ্রুত শেষ করা হবে।
এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, নিবন্ধনপত্রে মৌলিক তথ্য যাচাই না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা মানসিকভাবে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছে।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষার নিবন্ধনপত্রে গুরুতর ত্রুটি ধরা পড়েছে। বোর্ডের নিবন্ধিত প্রায় ৬৯ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রায় ৩৯ হাজার ছেলে থাকলেও তাদের সবার নিবন্ধনপত্রে লিঙ্গ হিসেবে ‘Female’ উল্লেখ করা হয়েছে। কলেজগুলোতে নিবন্ধনপত্র বিতরণের সময় বিষয়টি প্রথম ধরা পড়ে। ঝালকাঠিসহ বিভিন্ন জেলার কলেজে ছেলেদের কার্ডেও ‘Female’ লেখা দেখে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি দেখা দেয়। পরে অনুসন্ধানে জানা যায়, বোর্ডের ডাটাবেসে ভুল সেটিংসের কারণে এই ত্রুটি ঘটে এবং তা যাচাই না করেই হাজার হাজার নিবন্ধনপত্র মুদ্রণ করা হয়। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বোর্ডের অ্যানালিস্ট এস এম শহিদুজ্জামানের গাফিলতির বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। বোর্ড চেয়ারম্যান ড. ইউনুস আলী সিদ্দিকী বলেন, কম্পিউটার প্রোগ্রাম সেটিংস ও অপারেটরের অসাবধানতার কারণে এই ভুল হয়েছে। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে শোকজ করা হয়েছে এবং নিবন্ধনপত্র পুনর্মুদ্রণের কাজ চলছে। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. শহিদুল ইসলাম জানান, নতুন সেটিংস করে নিবন্ধনপত্র সংশোধন করা হচ্ছে। কয়েক হাজার কার্ড ইতোমধ্যে সংশোধন করা হয়েছে এবং বাকি কাজ দ্রুত শেষ করা হবে। এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, নিবন্ধনপত্রে মৌলিক তথ্য যাচাই না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা মানসিকভাবে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছে।
নবগঠিত সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি-এর প্রথম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ড. এ এস মো. আবদুল হাছিব। আগামী চার বছরের জন্য তাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়-এর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ, ২০২৬-এর ১১(১) ধারায় এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর স্নাতকোত্তর অধ্যয়ন অনুষদের ডিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, উপাচার্য হিসেবে যোগদানের আগে তিনি তার মূল পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন। প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে উপাচার্যকে সার্বক্ষণিকভাবে ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে। প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর যেকোনো সময় এই নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন। উল্লেখ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর সাতটি সরকারি কলেজকে সমন্বিত ও স্বায়ত্তশাসিত প্রশাসনিক কাঠামোর আওতায় আনতে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারি করা হয়, যা মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে অনুমোদন করেন।
ময়মনসিংহ বিভাগীয় বইমেলা-২০২৫ শুরু হলো ১২ ডিসেম্বর । নগরীর টাউন হল প্রাঙ্গণে শুক্রবার বিকালে উদ্বোধনী ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে এ মেলার পর্দা উঠলো। মেলাটির উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য (সিনিয়র সচিব) এম এ আকমল হোসেন আজাদ। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় বিভাগীয় প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় ও জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র আয়োজিত ১২ ডিসেম্বর হতে শুরু হওয়া ০৯ দিনব্যাপী ময়মনসিংহ বিভাগীয় বইমেলাটি চলবে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। মেলায় ১০ সরকারি ও ৬২টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ মোট ৭২ টি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করছে। বইমেলায় প্রতিদিন বিকাল ৩ টা হতে ৫ টা পর্যন্ত আলোচনা সভা, সেমিনার, উপস্থিত বক্তৃতা, কচিকাঁচার উৎসব, কুইজ প্রতিযোগিতা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, আবৃত্তিসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন রয়েছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন সকাল ১০ টা হতে মেলা অনুষ্ঠিত হবে।উদ্বোধনী আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি'র বক্তৃতায় কমিশনের সদস্য (সিনিয়র সচিব) বলেন, এ বইমেলা নতুনদের অনুপ্রাণিত করবে। মেলার মাধ্যমে যে বই হাতে পাবে তা বাংলাভাষাকে জীবন্ত রাখবে। যখন সবচেয়ে বেশি দরকার হবে বই এগিয়ে আসবে। জড় বস্তু বইয়ের মধ্যে প্রাণের স্পন্দন খুঁজে পাবেন। মেলা শুধু বইয়ের স্তুপ নয়,এটা কথোপকথনের জায়গাও বটে।তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের সংস্কৃতির রাজধানী এই ময়মনসিংহ অঞ্চল। এ জায়গাতে কালচারাল হাব গড়ে তুলতে চাই। তাতে করে সাংস্কৃতিক চর্চায় আরো সমৃদ্ধ হবে এ অঞ্চল।বিভাগীয় কমিশনার মিজ্ ফারাহ শাম্মী এনডিসি এর সভাপতিত্বে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমান, বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক অধ্যাপক ফয়জুল লতিফ চৌধুরী, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক আফসানা বেগম, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাঃ খালিদ হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোতাম্মেল ইসলাম ও শহীদ সাগরের গর্বিত পিতা মোঃ আসাদুজ্জামান প্রমুখ। অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার তাহমিনা আক্তার স্বাগত বক্তৃতা করেন।বক্তৃতায় অতিথিবৃন্দ বলেন, পাঠক সমাজ সৃষ্টি করতেই বইমেলার মূল উদ্দেশ্য। এতে নতুন পাঠক সৃষ্টি হয়। মেলায় সম্পৃক্ততার মাধ্যমে অনেক নতুন বই স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে পৌঁছে যায়।একটি বই অন্য আরেকটি বইয়ের কাছে নিয়ে যায়। বইমেলায় আসতে আপনারা সকলকে উদ্বুদ্ধ করবেন। আমরা যতটুকু শিখেছি বই থেকেই শিখেছি। ডিজিটাল যুগে বই কম টানে কিন্তু মুদ্রিত বইয়ের চাইতে আনন্দ উপভোগ করা খুব কমই হয়।পাঠক ও লেখকের মাঝে মিথষ্ক্রিয়া ঘটায় বইমেলা। সমাজে আলোকিত মানুষ গড়ে তোলাতে বই খুবই প্রয়োজনীয় অনুষঙ্গ। বই হতে পারে আমাদের উপহারের মাধ্যম।সভাপতির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, বৈষম্যহীন আলোকিত সমাজ বিনির্মাণে বইয়ের গুরুত্ব অপরিসীম।সৃজনশীলতা ও চিন্তার বিকাশ ঘটায় বই। তরুণদের যুক্তিবাদী করে তুলে বই। শিশুদের জন্য যেন খেলনার চাইতেও প্রিয় এবং প্রবীণদের জন্য যেন সঙ্গী হয় এই বই, এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যাপকগণ, বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ, সরকারি দপ্তরগুলোর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ, সিনিয়র শিক্ষকমন্ডলী, শিক্ষার্থীবৃন্দ, কবি, লেখক ও প্রকাশকবৃন্দ, সাহিত্যপ্রেমী নাগরিকবৃন্দ, সুশীল সমাজ, সাংবাদিকবৃন্দ ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।অতিথিবৃন্দ কর্তৃক বইয়ের স্টল পরিদর্শনের মাধ্যমে মেলাটির বর্ণিল আয়োজন আরো সমৃদ্ধ লাভ করে। শুরুর দিনই মেলাতে বইপ্রিয় মানুষের উপচে পড়া ভীড় দেখা যায়।