চট্টগ্রামের রাউজান এলাকায় গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে শিশুর মৃত্যুর ফলে ন্যায়বিচারের দাবি, জবাবদিহি নির্ধারণ এবং ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছে রশ্মি হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (RHDO)।
ন্যায়বিচার, জননিরাপত্তা এবং মৌলিক মানবাধিকার সুরক্ষার স্বার্থে এই নোটিশ জারি করেন বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোঃ মনির হোসেন।
তিনি জানান, সংগঠনটি মানবাধিকার-ভিত্তিক বেসরকারি সংস্থা যা শিশু এবং ঝুঁকিপূর্ণ সম্প্রদায়ের সুরক্ষার জন্য কাজ করে।
মৃত নাবালক শিশু মিসবাহরের শোকাহত পরিবারের পক্ষ থেকে সরকারসহ স্থানীয় সরকার, রুর উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সচিব, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব৷ জেলা প্রশাসক চট্টগ্রাম, চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, রাউজান, চট্টগ্রাম ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাউজানকে।
সংগঠনটি নোটিশে দাবি করেন কর্তব্যে অবহেলার ফলে বাংলাদেশের সংবিধানের ৩১ এবং ৩২ অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন করা হয়েছে (আইনের সুরক্ষার অধিকার এবং জীবনের অধিকার)।
২০১৩ সালের শিশু আইন লঙ্ঘন, যা শিশুদের বিপজ্জনক পরিবেশ থেকে সুরক্ষার নির্দেশ দেয়।
১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির প্রাসঙ্গিক বিধান এবং প্রযোজ্য পৌর ও স্থানীয় সরকার আইনের অধীনে কর্তব্য লঙ্ঘন।
জাতিসংঘের শিশু অধিকার সনদের (UNCRC) অধীনে রাষ্ট্রের বাধ্যবাধকতা মেনে চলতে ব্যর্থতা, যার স্বাক্ষরকারী বাংলাদেশ।
তারা আরো দাবি করে উপরোক্ত বিষয়গুলির আলোকে, অপূরণীয় প্রাণহানির বিষয়টি বিবেচনা করে কঠোর দায়বদ্ধতার বিষয় হিসেবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে তাৎক্ষণিকভাবে পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে।
নলকূপের গর্ত খোলা রাখার জন্য দায়ী ব্যক্তি এবং কর্তৃপক্ষকে চিহ্নিত করার জন্য একটি নিরপেক্ষ তদন্ত শুরু করে অবহেলাকারী কর্মকর্তা এবং দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি ও বিভাগীয় মামলা রুজু করতে হবে।
এছাড়া সংশ্লিষ্ট এলাকা এবং দেশব্যাপী বিভিন্ন খোলা বা পরিত্যক্ত নলকূপ এবং অনুরূপ ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলির তাৎক্ষণিক পরিদর্শন করে সিল করা এবং সুরক্ষা কভারিং করতে হবে।
যাতে এই ধরনের মর্মান্তিক ঘটনার পুনরাবৃত্তি আর না ঘটে।
নোটিশ প্রাপ্তির ৩ (তিন) দিনের মধ্যে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হয়, রশ্মি হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (RHDO) এবং ভুক্তভোগীর পরিবার সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীনে মাননীয় হাইকোর্ট বিভাগের কাছে এবং অন্যান্য উপযুক্ত ফোরামে যথাযথ আইনি প্রতিকার চাইতে বাধ্য হবে, যার জন্য আপনার খরচ এবং পরিণতির ঝুঁকি থাকবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের উপযোগী ভোটারদের উৎসাহিত করা ও প্রার্থীদের আচরণবিধি মেনে প্রচারণা চালানোর জন্য পঞ্চগড়ে ভ্রাম্যমান উদ্বুদ্ধকরণ প্রচারণা চালু করা হয়েছে। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার কাজী মোঃ সায়েমুজ্জামান এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মঞ্জুরুল হাসান ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। জেলা প্রশাসক জানান, নির্বাচনে ভোটারদের কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য এবং প্রার্থী ও ভোটার উভয়ের জন্য আচরণবিধি মেনে চলার জন্য এই ট্রাকযোগে প্রচারণা ও সংগীতানুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। ভ্রাম্যমান প্রচারণা গাড়িটি পঞ্চগড়ের সব উপজেলায় ঘুরবে এবং ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করবে।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সুন্দরবন উপকূলীয় এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে টহল কার্যক্রম ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন। নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) কোস্ট গার্ড সদস্যরা সুন্দরবন সংলগ্ন লাউডোব এলাকার বাজার ও ভোটকেন্দ্র এলাকায় টহল পরিচালনা করেন। কোস্ট গার্ড সূত্র জানায়, গত ১৮ জানুয়ারি থেকে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২৮ দিনব্যাপী উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী দুর্গম ও গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থেকে নিরাপত্তা দায়িত্ব পালন করছে কোস্ট গার্ড। পশ্চিম জোনের আওতাধীন খুলনা-১ ও খুলনা-৬ সংসদীয় আসনের দাকোপ ও কয়রা উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের মোট ৫৬টি ভোটকেন্দ্রে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি কোস্ট গার্ড সদস্যরাও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ ও স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারি, ড্রোনের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ, নিয়মিত টহল এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় রাখার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কোস্ট গার্ডের কঠোর নিরাপত্তা ও তৎপরতার কারণে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে এলাকায় স্বস্তি ও উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। ভোটের সময় বিভিন্ন আশঙ্কা থাকলেও কোস্ট গার্ডের কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে উৎসাহিত হচ্ছেন।
রামপালের কৃতি সন্তান ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক নেতা মাইনুল ইসলাম সোহানকে ২০২৬ সালের জন্য বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (সিআইপি) হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৩টায় বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলার কাটাখালি মোড়ে বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা ফুলেল শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দনের মাধ্যমে তাকে বরণ করেন। দীর্ঘদিন ধরে চিংড়ি ও কাঁকড়া রপ্তানি ও বৈদেশিক বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সরকার তাকে সিআইপি (এনআরবি) সম্মাননায় ভূষিত করেছে। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মাইনুল ইসলাম সোহান দেশবাসী ও রামপালবাসীর দোয়া কামনা করে বলেন, ভবিষ্যতেও বাংলাদেশের অর্থনীতি ও রপ্তানি খাতকে আরও শক্তিশালী করতে কাজ করে যাবেন। তার এই অর্জনে রামপাল ও বাগেরহাট জেলায় আনন্দ ও গর্বের ছায়া নেমে এসেছে।