পাকিস্তানের রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান–এর শারীরিক অবস্থা। সুপ্রিম কোর্টে দাখিল করা এক মেডিকেল প্রতিবেদনে তার গুরুতর দৃষ্টিশক্তি হ্রাসের তথ্য উঠে আসার পর, শেষ পর্যন্ত তাকে হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
প্রতিবেদনে বলা হয়, পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ–এর প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান বর্তমানে কারাবন্দি অবস্থায় দৃষ্টিশক্তির প্রায় ৮৫ শতাংশ হারিয়েছেন। এই প্রেক্ষাপটে শনিবার রাতে সরকার তার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতাল স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেয়।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউন জানায়, দেশজুড়ে বিক্ষোভ ও রাজনৈতিক চাপের মুখে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংসদবিষয়ক মন্ত্রী তারিক ফজল চৌধুরী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ইমরান খানের পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা পরীক্ষার জন্য একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হবে। পাশাপাশি তাকে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগও দেওয়া হয়েছে।
এর আগে ইমরান খানের চিকিৎসা নিশ্চিতের দাবিতে বিরোধী রাজনৈতিক জোট ও বিভিন্ন দলের নেতারা সংসদের বাইরে এবং বিভিন্ন স্থানে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যসংক্রান্ত এই ইস্যু পাকিস্তানের রাজনীতিতে নতুন করে আইনি ও সাংবিধানিক বিতর্ক উসকে দিয়েছে।
পাকিস্তানের রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান–এর শারীরিক অবস্থা। সুপ্রিম কোর্টে দাখিল করা এক মেডিকেল প্রতিবেদনে তার গুরুতর দৃষ্টিশক্তি হ্রাসের তথ্য উঠে আসার পর, শেষ পর্যন্ত তাকে হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রতিবেদনে বলা হয়, পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ–এর প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান বর্তমানে কারাবন্দি অবস্থায় দৃষ্টিশক্তির প্রায় ৮৫ শতাংশ হারিয়েছেন। এই প্রেক্ষাপটে শনিবার রাতে সরকার তার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতাল স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেয়। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউন জানায়, দেশজুড়ে বিক্ষোভ ও রাজনৈতিক চাপের মুখে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংসদবিষয়ক মন্ত্রী তারিক ফজল চৌধুরী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ইমরান খানের পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা পরীক্ষার জন্য একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হবে। পাশাপাশি তাকে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগও দেওয়া হয়েছে। এর আগে ইমরান খানের চিকিৎসা নিশ্চিতের দাবিতে বিরোধী রাজনৈতিক জোট ও বিভিন্ন দলের নেতারা সংসদের বাইরে এবং বিভিন্ন স্থানে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যসংক্রান্ত এই ইস্যু পাকিস্তানের রাজনীতিতে নতুন করে আইনি ও সাংবিধানিক বিতর্ক উসকে দিয়েছে।
ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী লারিজানি ওমানে পৌঁছে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছেন। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরএনএ জানায়, লারিজানি মাস্কাটে ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আল-বুসাইদি ও সুলতান হাইথামের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। আলোচ্যসূচিতে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং ইরান-ওমান দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার করার বিষয় অন্তর্ভুক্ত। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, ওমানের এই মধ্যস্থতায় দ্বিতীয় দফার আলোচনা শুরু হতে যাচ্ছে, যদিও নির্দিষ্ট তারিখ এখনো ঘোষণা করা হয়নি। আইআরএনএ জানায়, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি তুরস্ক, মিশর ও সৌদি আরবের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের সঙ্গে ফোনালাপে চলমান পরিস্থিতি এবং আলোচনার অগ্রগতি তুলে ধরেছেন।
ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় এবার সরাসরি অবস্থান নিল ইরাকের নাগরিকদের একটি অংশ। সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক অভিযানের আশঙ্কায় ইরান ও তেহরান-সমর্থিত শক্তিগুলোর পক্ষে সহায়তায় নামার ঘোষণা দিয়েছেন হাজার হাজার ইরাকি। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই জানায়, শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ইরাকের দিয়ালা প্রদেশে অন্তত পাঁচ হাজার মানুষ একত্রিত হয়ে একটি অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করেন। সেখানে তারা জানান, ইরাক, প্রতিবেশী ইরান এবং ইরানঘেঁষা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সুরক্ষায় তারা স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে বিনা পারিশ্রমিকে কাজ করতে প্রস্তুত। ঘোষণায় বলা হয়, দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী ও পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস (পিএমএফ)-এর সঙ্গে সমন্বয় করে তারা ইরানকে সহায়তা করবেন এবং ইসলামী প্রজাতন্ত্রে যেকোনো ধরনের মার্কিন হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করবেন। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ চলমান থাকা সত্ত্বেও এমন ঘোষণা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। এর আগে একাধিকবার যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দেন। একই সঙ্গে ইসরায়েলও ইরান ইস্যুতে যুদ্ধ প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে ইরানের উপকূলীয় জলসীমার কাছাকাছি মার্কিন বিমানবাহী রণতরীর অবস্থান এবং আঞ্চলিক শক্তিগুলোর কৌশলগত তৎপরতা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।