সৈয়দপুরের সেন্ট পল’স কিন্ডারগার্টেন স্কুলে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শিক্ষাঙ্গণের আঙ্গিনায় আয়োজনটি শুরু হয় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দিয়ে। অনুষ্ঠানকে সফল করার জন্য সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের সভাপতি তিমথী বিশ্বাস। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক এম আর আলম।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ডলি জসপিনা ও পরিচালনা কমিটির সদস্য ম আ শামীম, শফিউল ইসলাম রঞ্জু প্রমুখ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে ক্রীড়ার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
সৈয়দপুরের সেন্ট পল’স কিন্ডারগার্টেন স্কুলে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিক্ষাঙ্গণের আঙ্গিনায় আয়োজনটি শুরু হয় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দিয়ে। অনুষ্ঠানকে সফল করার জন্য সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের সভাপতি তিমথী বিশ্বাস। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক এম আর আলম। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ডলি জসপিনা ও পরিচালনা কমিটির সদস্য ম আ শামীম, শফিউল ইসলাম রঞ্জু প্রমুখ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে ক্রীড়ার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
জামালপুর জেলায় সবজি চাষে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলেছে জলবায়ু সহিষ্ণু মালচিং প্রযুক্তি। আধুনিক এই পদ্ধতিতে চাষ করে কম খরচে বেশি ফলন পাওয়ায় কৃষকদের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। মালচিং পদ্ধতিতে জমির উপর বিশেষ মালচিং পেপার বিছিয়ে চাষ করা হয়। এটি মাটির আর্দ্রতা ধরে রাখে, আগাছা দমন করে এবং সার ও পানির ব্যবহার সঠিকভাবে নিশ্চিত করে। ফলে কমে যায় সেচ ও বালাইনাশকের খরচ, বাড়ে ফলন। জামালপুর সদর উপজেলার কৃষক নূর সালাম প্রথমবারের মতো ১০ শতাংশ জমিতে টমেটো চাষ করে সাফল্য অর্জন করেছেন। তিনি জানান, মালচিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে গত দুই বছরে ফলন উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। কম খরচে বেশি লাভ পাওয়ায় তিনি এখন আত্মবিশ্বাসী, আর আশেপাশের কৃষকরাও তার ক্ষেত দেখে উৎসাহিত হচ্ছেন। বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অফিসার শ্যামল কুমার দাস বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় মালচিং প্রযুক্তি টেকসই সমাধান হতে পারে। এতে উৎপাদন খরচ কমে, মাটির স্বাস্থ্যও ভালো থাকে।” মালচিং পদ্ধতির ব্যবহার জামালপুরে কৃষি চিত্র পরিবর্তন করছে এবং অনেক কৃষকের মুখে এখন ফুটেছে স্বস্তির হাসি।
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় সোহেল রানা (৩৫) নামে এক পথচারীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক আলমগীর হোসেন (২৫) আহত হয়েছেন। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে তিরনইহাট ইউনিয়নের দৌলতপাড়া এলাকায় তেঁতুলিয়া–বাংলাবান্ধা মহাসড়কে দুর্ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয়রা জানান, সোহেল সড়ক পারাপারের সময় বাংলাবান্ধাগামী একটি মোটরসাইকেল তাকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। আহত মোটরসাইকেল চালককে উদ্ধার করে তেঁতুলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত সোহেল একই এলাকার সামাদের ছেলে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। তেঁতুলিয়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দেবাশীষ রায় জানান, এ ঘটনায় হাইওয়ে আইনে নিয়মিত মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সুরতহাল শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।