লাইফস্টাইল

রমজানের নতুন চাঁদ দেখা গেলে যে বিশেষ দোয়া পাঠ করবেন

Icon
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশঃ ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬

১৪৪৭ হিজরির ২৯ শাবান আজ। সন্ধ্যায় রমজানের চাঁদ দেখা গেলে রাতেই তারাবিহ নামাজ আদায় শুরু হবে। শেষ রাতে সেহরি খাওয়ার পর রোজা পালন শুরু হবে। নবী মুহাম্মদ (সা.) চাঁদ দেখার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন এবং সাহাবায়ে কেরামকে চাঁদ দেখার নির্দেশ দিতেন। চাঁদ দেখার সঙ্গে সঙ্গে তিনি কল্যাণ ও বরকতের জন্য বিশেষ দোয়া পড়তেন।
হজরত তালহা ইবনু উবায়দুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) নতুন চাঁদ দেখে এ দোয়া পাঠ করতেন—


اَللهُ اَكْبَرُ اَللَّهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ وَ الْاِيْمَانِ وَ السَّلَامَةِ وَ الْاِسْلَامِ وَ التَّوْفِيْقِ لِمَا تُحِبُّ وَ تَرْضَى رَبُّنَا وَ رَبُّكَ الله
উচ্চারণ:
‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহুম্মা আহিল্লাহু আলাইনা বিল আমনি ওয়াল ইমানি ওয়াসসালামাতি ওয়াল ইসলামি ওয়াত্তাওফিকি লিমা তুহিব্বু ওয়া তারদা রাব্বুনা ওয়া রাব্বুকাল্লাহ।’
অর্থ:
‘আল্লাহ মহান, হে আল্লাহ! এ নতুন চাঁদকে আমাদের নিরাপত্তা, ঈমান, শান্তি ও ইসলামের সঙ্গে উদয় কর। আর তুমি যা ভালোবাস এবং যাতে তুমি সন্তুষ্ট হও, সেটাই আমাদের তাওফিক দাও। আল্লাহ তোমাদের এবং আমাদের প্রতিপালক।’ (তিরমিজি ৩৪৫১)
এছাড়া রমজানের নতুন চাঁদ দেখার পর মুমিনরা হৃদয়ের গভীর থেকে আল্লাহর কাছে এই আকুতিপূর্ণ দোয়া পড়বেন—

اللَّهُمَّ سَلِّمْنِي لرمضان، وسلم رمضان لي، وتسلمه مني مُتَقَبَّلاً
উচ্চারণ:
‘আল্লাহুম্মা সাল্লিমনি লিরমাদান, ওয়া সাল্লিম রামাদানা লি, ওয়া তাসলিমাহু মিন্নি মুতাক্বাব্বিলা।’
অর্থ:
‘হে আল্লাহ! আমাকে শান্তিময় রমজান দান করুন। রমজানকে আমার জন্য শান্তিময় করুন। এবং রমজানকে আমার জন্য কবুল করুন।’ (তাবারানি)

 

চাঁদ দেখার এই দোয়া শিক্ষায় নিহিত রয়েছে নিরাপত্তা, ঈমান, শান্তি এবং ইসলামের পথে অটল থাকার আবেদন। নতুন চাঁদ মানে নতুন আশা, নতুন বরকত এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে ফিরে আসার তাওফিক। মুসল্লিরা এ দোয়া পাঠের মাধ্যমে রমজান মাসকে জীবনে গ্রহণ করে শান্তি ও কল্যাণ কামনা করবেন।
 

লাইফস্টাইল

আরও দেখুন
রমজানের নতুন চাঁদ দেখা গেলে যে বিশেষ দোয়া পাঠ করবেন

১৪৪৭ হিজরির ২৯ শাবান আজ। সন্ধ্যায় রমজানের চাঁদ দেখা গেলে রাতেই তারাবিহ নামাজ আদায় শুরু হবে। শেষ রাতে সেহরি খাওয়ার পর রোজা পালন শুরু হবে। নবী মুহাম্মদ (সা.) চাঁদ দেখার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন এবং সাহাবায়ে কেরামকে চাঁদ দেখার নির্দেশ দিতেন। চাঁদ দেখার সঙ্গে সঙ্গে তিনি কল্যাণ ও বরকতের জন্য বিশেষ দোয়া পড়তেন। হজরত তালহা ইবনু উবায়দুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) নতুন চাঁদ দেখে এ দোয়া পাঠ করতেন— اَللهُ اَكْبَرُ اَللَّهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ وَ الْاِيْمَانِ وَ السَّلَامَةِ وَ الْاِسْلَامِ وَ التَّوْفِيْقِ لِمَا تُحِبُّ وَ تَرْضَى رَبُّنَا وَ رَبُّكَ الله উচ্চারণ: ‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহুম্মা আহিল্লাহু আলাইনা বিল আমনি ওয়াল ইমানি ওয়াসসালামাতি ওয়াল ইসলামি ওয়াত্তাওফিকি লিমা তুহিব্বু ওয়া তারদা রাব্বুনা ওয়া রাব্বুকাল্লাহ।’ অর্থ: ‘আল্লাহ মহান, হে আল্লাহ! এ নতুন চাঁদকে আমাদের নিরাপত্তা, ঈমান, শান্তি ও ইসলামের সঙ্গে উদয় কর। আর তুমি যা ভালোবাস এবং যাতে তুমি সন্তুষ্ট হও, সেটাই আমাদের তাওফিক দাও। আল্লাহ তোমাদের এবং আমাদের প্রতিপালক।’ (তিরমিজি ৩৪৫১) এছাড়া রমজানের নতুন চাঁদ দেখার পর মুমিনরা হৃদয়ের গভীর থেকে আল্লাহর কাছে এই আকুতিপূর্ণ দোয়া পড়বেন— اللَّهُمَّ سَلِّمْنِي لرمضان، وسلم رمضان لي، وتسلمه مني مُتَقَبَّلاً উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা সাল্লিমনি লিরমাদান, ওয়া সাল্লিম রামাদানা লি, ওয়া তাসলিমাহু মিন্নি মুতাক্বাব্বিলা।’ অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আমাকে শান্তিময় রমজান দান করুন। রমজানকে আমার জন্য শান্তিময় করুন। এবং রমজানকে আমার জন্য কবুল করুন।’ (তাবারানি)   চাঁদ দেখার এই দোয়া শিক্ষায় নিহিত রয়েছে নিরাপত্তা, ঈমান, শান্তি এবং ইসলামের পথে অটল থাকার আবেদন। নতুন চাঁদ মানে নতুন আশা, নতুন বরকত এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে ফিরে আসার তাওফিক। মুসল্লিরা এ দোয়া পাঠের মাধ্যমে রমজান মাসকে জীবনে গ্রহণ করে শান্তি ও কল্যাণ কামনা করবেন।  

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0
ঘুম ঠিক না হলে কী হয়? জানুন সুস্থ থাকার সহজ উপায়

ঘুম ঠিক না হলে কী হয়? জানুন সুস্থ থাকার সহজ উপায়

দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সংকট: জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ

দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সংকট: জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ

বন্ধুতা, সম্পর্ক ও মানসিক সুস্থতা: কীভাবে সামলাবেন ব্যস্ত জীবনে

শহুরে জীবনে গ্রিন লাইফস্টাইল: চাইলেই কি সম্ভব?
শহুরে জীবনে গ্রিন লাইফস্টাইল: চাইলেই কি সম্ভব?

শহুরে জীবনে গ্রিন লাইফস্টাইল: চাইলেই কি সম্ভব? শহর মানেই ব্যস্ততা, কংক্রিটের জঙ্গল, দূষিত বাতাস, এবং অনিয়ন্ত্রিত শব্দ। এই যান্ত্রিক পরিবেশে বসবাস করা মানুষ প্রতিদিন একটু সবুজ, একটু প্রশান্তি খোঁজে। তাই ‘গ্রিন লাইফস্টাইল’ বা পরিবেশবান্ধব জীবনযাপনের ধারণা শহরের মানুষদের মাঝেও ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই শহুরে বাস্তবতায় আমরা কি সত্যিই গ্রিন লাইফস্টাইল মেনে চলতে পারি? গ্রিন লাইফস্টাইল মানে শুধু গাছ লাগানো নয়। এটি একটি সামগ্রিক জীবনধারা, যেখানে প্রকৃতি ও পরিবেশের সঙ্গে সহাবস্থানের চেষ্টা থাকে। যেমন—প্লাস্টিক ব্যবহার না করা, পুনর্ব্যবহারযোগ্য জিনিস ব্যবহার করা, গাছ লাগানো, অর্গানিক খাবার খাওয়া, কম দূষণ হয় এমন বাহনে চলাচল করা, বিদ্যুৎ ও পানি সাশ্রয় করা, এমনকি নিজস্ব ছাদে সবজি চাষ করাও এর অংশ হতে পারে। কিন্তু শহরে এই সবকিছু কি সহজে করা যায়? উত্তরটা একদম সরল নয়। শহরের বাসিন্দাদের জন্য অনেক সময় জায়গার অভাব বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ফ্ল্যাটে থাকলে ছাদে বাগান করা যায় না, রান্নার সময় প্লাস্টিক প্যাকেট এড়ানোও কঠিন হয়ে পড়ে কারণ বাজারে সহজলভ্য জিনিসপত্রের বেশিরভাগই প্লাস্টিক মোড়ানো। তাছাড়া, ব্যস্ত জীবনযাপনের কারণে সময় বের করাও কঠিন হয়ে পড়ে। তবে আশার কথা হলো, ইচ্ছা থাকলে উপায় বের করা যায়। শহুরে জীবনে কিছু ছোট ছোট অভ্যাস বদলেই শুরু করা যায় সবুজ যাত্রা। যেমন ধরুন, কেউ যদি বাজারের ব্যাগ হিসেবে কাপড়ের ব্যাগ ব্যবহার করেন, বা পানির বোতল বারবার রিফিল করেন, তবুও তিনি পরিবেশ রক্ষায় অবদান রাখছেন। অফিসে যাওয়ার সময় যদি বাস বা সাইকেল ব্যবহার করা যায়, তাহলেও কার্বন ফুটপ্রিন্ট কমে। অনেক শহরেই এখন কমিউনিটি গার্ডেন, ছাদ কৃষি, সোলার প্যানেল স্থাপন, কিংবা জিরো ওয়েস্ট মুভমেন্ট জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। মানুষ নিজেরাই উদ্যোগ নিচ্ছে। ঢাকার মতো ব্যস্ত শহরেও অনেকে নিজেদের ব্যালকনিতে টব বসিয়ে ছোট পরিসরে সবজি ফলাচ্ছেন, কেউ আবার সোলার লাইট ব্যবহার করে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করছেন। তবে এই চর্চা টেকসই করতে হলে প্রয়োজন নীতিনির্ধারকদের সহায়তা। শহরের পরিকল্পনায় আরও বেশি সবুজ এলাকা, হাঁটার রাস্তা, বাইসাইকেল লেন, এবং রিসাইক্লিং ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্তি জরুরি। সরকার যদি পরিবেশবান্ধব উদ্যোগে ভর্তুকি দেয় বা সচেতনতা বাড়ায়, তাহলে মানুষ আরও সহজে গ্রিন লাইফস্টাইল গ্রহণ করতে পারবে। শহুরে জীবন যতই ব্যস্ত হোক না কেন, যদি সচেতনতা থাকে এবং ছোট ছোট পরিবর্তনগুলো বাস্তবায়ন করা যায়, তাহলে ‘গ্রিন লাইফস্টাইল’ একেবারেই অসম্ভব নয়। বরং, এটি হতে পারে একটি শান্ত, স্বাস্থ্যকর এবং টেকসই জীবনের সূচনা। আমাদের সবারই উচিত নিজ নিজ জায়গা থেকে যতটুকু সম্ভব, পরিবেশবান্ধব পন্থায় জীবনযাপন করার চেষ্টা করা। কারণ প্রকৃতি বাঁচলেই আমরা বাঁচব—এই সত্যটা আজ আরও বাস্তব হয়ে উঠেছে।

আয়ান তাহরিম জুন ২৮, ২০২৫ 0

নতুন প্রজন্মের খাদ্যাভ্যাস: ফাস্টফুড বনাম পুষ্টিকর খাবার

স্মার্টফোন আসক্তি বনাম মানসিক স্বাস্থ্য

স্মার্টফোন আসক্তি বনাম মানসিক স্বাস্থ্য: কিশোর-কিশোরীদের জন্য করণীয়

0 Comments