বাগেরহাটের ফকিরহাটে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী উপজেলা শাখার উদ্যোগে রমজানের পবিত্রতা রক্ষা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি রোধে র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) আছরের নামাজের পর মডেল মসজিদ থেকে বের হওয়া র্যালিটি উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফকিরহাট উপজেলা শাখার আমির মাওলানা এবিএম তৈয়াবুর রহমান, সেক্রেটারি শেখ আবুল আ’লা মাসুমসহ অন্যান্য নেতা-কর্মীরা।
নেতৃবৃন্দ রমজানের পবিত্রতা রক্ষার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে দ্রব্যমূল্য রাখার এবং কালোবাজারি প্রতিরোধের আহ্বান জানান।
পবিত্র রমজান মাসে নীলফামারী জেলার চার হাজার ৩৩৫টি মসজিদে একই পদ্ধতিতে খতমে তারাবীহ নামাজ আদায়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রথম ছয়দিন দেড় পারা করে মোট নয় পারা এবং পরবর্তী ২১ দিন এক পারা করে তেলাওয়াত করা হবে। এতে ২৭ রমজান, পবিত্র লাইলাতুল কদরের রাতে খতমে কুরআন সম্পন্ন হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন-এর জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, মোট ৪,৩৩৫টি মসজিদের মধ্যে সদরে ৯৬৫টি, ডিমলায় ৭০৬টি, ডোমারে ৬১৯টি, জলঢাকায় ৮৪৪টি, সৈয়দপুরে ৫০৭টি এবং কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ৬৯৪টি জামে মসজিদ রয়েছে। জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোছাদ্দিকুল আলম জানান, সব মসজিদে একই নিয়মে তারাবীহ নামাজে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত করা হলে মুসল্লিদের জন্য সুবিধা হবে। কেউ নির্দিষ্ট একটি মসজিদে নামাজ আদায় করতে না পারলেও, জেলার যেকোনো মসজিদে একই সময়ে একই পরিমাণ কুরআন তেলাওয়াত শুনতে পারবেন।
রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন (রাসিক) কর্মচারী ইউনিয়নের নবনির্বাচিত সভাপতি মোঃ সাকিল ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ সানারুল ইসলাম ছবি এবং কার্যনির্বাহী কমিটির অন্যান্য সদস্যদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নগর ভবনের ৫০৩ নং কক্ষে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে রাসিক প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত কমিটির পক্ষ থেকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এবং ভূমি মন্ত্রী ও রাজশাহী-২ (সদর) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র জনাব মিজানুর রহমান মিনুকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্য দেন মোঃ সাকিল, সাধারণ সম্পাদক মোঃ সানারুল ইসলাম ছবি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোফাজ্জল হোসেন মাকু ও কার্য-সহকারী আলতাব হোসেন। এছাড়া সহ-সভাপতি, যুগ্ম-সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষ, দপ্তর সম্পাদক, প্রচার সম্পাদক, ক্রীড়া সম্পাদক, আইন বিষয়ক সম্পাদক ও অন্যান্য সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
কুড়িগ্রামের জেলা শহরের শাপলা চত্বর এলাকায় ধ্বংস হওয়া আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে বুধবার সকালে ব্যানার ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে, যা সামাজিক ও রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রাজু আহমেদ বিষয়টি নিজের ফেসবুক আইডিতে প্রকাশ করেন এবং ব্যানারের ভিডিও শেয়ার করেন। ভিডিওতে দেখা যায়, পাঁচ থেকে সাতজন তরুণ ব্যানার ও পতাকা উত্তোলন করার সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক স্লোগান দেন। পরে জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা আবদুল আজিজ সেখানে উপস্থিত হয়ে ব্যানারটি ছিঁড়ে ফেলে এবং জাতীয় পতাকা নামিয়ে নেন। আবদুল আজিজ বলেন, “যারা এই সুযোগ দিয়েছেন, তারা খুব দ্রুত এর ফলাফল টের পাবেন।” দুপুরে আন্দোলনের নেতাকর্মীরা পুনরায় উপস্থিত হয়ে ধ্বংস হওয়া কার্যালয়ের চারপাশের টিনের বেড়া ভেঙে দেন। এর আগে গত বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি একই আন্দোলনের নেতাকর্মী ও বিক্ষুব্ধ গ্রুপ এক্সকাভেটর ব্যবহার করে কার্যালয়টি ধ্বংস করে। কুড়িগ্রাম সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম প্রথম আলোকে জানান, ব্যানার ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের ঘটনায় তিনি এখনও অবগত নন।