বরিশালে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, শহীদ জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে, তৎকালীন সময়ে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির যে সুফল তা আজ প্রমাণিত সত্য, পরবর্তীতে খাল গুলো মরে যাওয়ার কারণে কৃষি উৎপাদন যে ব্যাহত হয়েছে তাও প্রমাণিত হয়েছে। ফলে সেই ধারাবাহিকত তারেক রহমান নেতৃত্বে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে। খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে জোয়ার ভাটার পানি সরাসরি কৃষকের জমিতে পৌঁছে যাবে বলেও জানান তিনি। বরিশালের গৌরনদী উপজেলার শরিকল ইউনিয়নে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করে এ সকল কথা বলেন তিনি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, আমরা কোনো দলীয় সরকার অথবা দলীয় রাষ্ট্র গঠন করবো না। আমরা জনগণের সরকার করবো। নির্বাচিত হলে আমরা সরকার থাকবো, না হলে সরকার থাকবো না, কিন্তু নির্বাচনী ব্যবস্থাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেবো।
বরিশাল, ভোলা, ঝালকাঠি ও পিরোজপুর জেলা সেচ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কাপলাতলি খালের পূনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
তিনি আরও বলেন আমলা ও পুলিশকে জনগণের জন্য কাজ করার পরিবেশ তৈরি করে দিতে হবে।
পরে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, সরকার সারা দেশ ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা নিয়েছে। যা শীঘ্রই আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে। তারই অংশ হিসেবে বরিশালে খাল পূনঃখনন কর্মসূচি শুরু করা হলো। একইসাথে বনায়নের অংশ হিসেবে গাছ রোপণ কর্মসূচিও শুরু করা হয়েছে। আগামীতে এই কাজ আরও ত্বরান্বিত করা হবে। কর্মসূচি উদ্বোধনকালে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বরিশালে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, শহীদ জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে, তৎকালীন সময়ে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির যে সুফল তা আজ প্রমাণিত সত্য, পরবর্তীতে খাল গুলো মরে যাওয়ার কারণে কৃষি উৎপাদন যে ব্যাহত হয়েছে তাও প্রমাণিত হয়েছে। ফলে সেই ধারাবাহিকত তারেক রহমান নেতৃত্বে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে। খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে জোয়ার ভাটার পানি সরাসরি কৃষকের জমিতে পৌঁছে যাবে বলেও জানান তিনি। বরিশালের গৌরনদী উপজেলার শরিকল ইউনিয়নে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করে এ সকল কথা বলেন তিনি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, আমরা কোনো দলীয় সরকার অথবা দলীয় রাষ্ট্র গঠন করবো না। আমরা জনগণের সরকার করবো। নির্বাচিত হলে আমরা সরকার থাকবো, না হলে সরকার থাকবো না, কিন্তু নির্বাচনী ব্যবস্থাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেবো। বরিশাল, ভোলা, ঝালকাঠি ও পিরোজপুর জেলা সেচ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কাপলাতলি খালের পূনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। তিনি আরও বলেন আমলা ও পুলিশকে জনগণের জন্য কাজ করার পরিবেশ তৈরি করে দিতে হবে। পরে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, সরকার সারা দেশ ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা নিয়েছে। যা শীঘ্রই আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে। তারই অংশ হিসেবে বরিশালে খাল পূনঃখনন কর্মসূচি শুরু করা হলো। একইসাথে বনায়নের অংশ হিসেবে গাছ রোপণ কর্মসূচিও শুরু করা হয়েছে। আগামীতে এই কাজ আরও ত্বরান্বিত করা হবে। কর্মসূচি উদ্বোধনকালে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ১০ মিনিটে রাজধানীর তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন তাকে স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মূল ভবনে প্রবেশের আগে সাবেক সরকারের সময়ে দায়িত্বপালনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করেন। এরপর তিনি অফিস চত্বরে একটি স্বর্ণচাঁপা ফুলের চারা রোপণ করে বিশেষ মোনাজাত করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. একেএম শামছুল ইসলাম, পিএসসি, জি (অব.)সহ অন্যান্য কর্মকর্তাগণ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে ডাকটিকিট উন্মোচনও করেন প্রধানমন্ত্রী।
পুঁজিবাজার ও সামষ্টিক অর্থনীতিতে কাঠামোগত রূপান্তরের ইঙ্গিত দিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রামে গণমাধ্যমের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি জানান, আসন্ন জাতীয় বাজেট প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়ে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক মুক্তিকেই অগ্রাধিকার দেবে। মন্ত্রী বলেন, পাচার হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধারে সরকার সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করছে এবং পৃষ্ঠপোষকতানির্ভর রাজনীতির অবসান ঘটিয়ে নীতিনির্ভর অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হবে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হওয়ায় এখন চট্টগ্রামকে কার্যকর বাণিজ্যিক রাজধানীতে রূপান্তরের বাস্তবভিত্তিক উদ্যোগ নেওয়া হবে। বন্দর কার্যক্রমের দক্ষতা বৃদ্ধি, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে সরকারের তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অর্থনীতিকে প্রতিযোগিতামূলক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ধারায় এগিয়ে নিতে নীতিগত ও কাঠামোগত সংস্কার অব্যাহত থাকবে।