প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান এম নাজমুল হাসান-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে দেশের জলসীমার নিরাপত্তা, সমুদ্রসম্পদ রক্ষা, নৌবাহিনীর সক্ষমতা ও আধুনিকীকরণসহ সামরিক প্রস্তুতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়।
প্রধানমন্ত্রী নৌবাহিনীর পেশাদারি মনোভাব, দেশপ্রেম ও সমুদ্রসীমা সুরক্ষায় তাদের অব্যাহত প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন। নৌবাহিনী নিশ্চিত করেছে যে, দেশের জলসীমা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তারা সর্বদা প্রস্তুত, শান্তি ও সংগ্রামে সমুদ্রে অপ্রতিরোধ্য।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান এম নাজমুল হাসান-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে দেশের জলসীমার নিরাপত্তা, সমুদ্রসম্পদ রক্ষা, নৌবাহিনীর সক্ষমতা ও আধুনিকীকরণসহ সামরিক প্রস্তুতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী নৌবাহিনীর পেশাদারি মনোভাব, দেশপ্রেম ও সমুদ্রসীমা সুরক্ষায় তাদের অব্যাহত প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন। নৌবাহিনী নিশ্চিত করেছে যে, দেশের জলসীমা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তারা সর্বদা প্রস্তুত, শান্তি ও সংগ্রামে সমুদ্রে অপ্রতিরোধ্য।
সরকারের হিসাবে দেশে খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে এবং বাজারে কোনো ঘাটতি নেই বলে জানিয়েছেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, মজুত পরিস্থিতি সন্তোষজনক এবং নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে সরবরাহব্যবস্থা সুশৃঙ্খল রাখা হবে। পবিত্র রমজানকে সামনে রেখে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে বাজার মনিটরিং সেল সক্রিয় রয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী জানান, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বাজার নিয়ন্ত্রণে দায়িত্ব পালন করছে এবং প্রশাসনিক নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। সভায় জেলা প্রশাসক শরিফা হকের সভাপতিত্বে পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকারসহ জেলা পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা খাতের নীতিগত অগ্রাধিকার ও নতুন কর্মপরিকল্পনা উন্মোচন করেছেন। তিনি বলেন, বিএনপি সরকার শিক্ষাকে রাজনীতির হাতিয়ার বানাবে না, বরং দেশ গঠনের মূল শক্তি হিসেবে ব্যবহার করবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভিশন অনুযায়ী দক্ষ, ন্যায়ভিত্তিক, প্রযুক্তিসক্ষম ও মূল্যবোধসম্পন্ন বাংলাদেশ নির্মাণে শিক্ষা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। ববি হাজ্জাজ সংবাদদাতাদের বলেন, শিক্ষা খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ নিশ্চিত করা হবে। বাজেটের স্বচ্ছ ও কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে উন্নয়ন তহবিলের হঠাৎ খরচ বন্ধ করা হবে এবং বছরের শেষে অব্যবহৃত তহবিল পুনরায় কাজে লাগানো হবে। তিনি স্কুল অবকাঠামো, পানি-স্যানিটেশন, নিরাপত্তা, মিড-ডে মিল, নারী শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষক প্রশিক্ষণে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানান। শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, “ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব” প্রকল্প শুধুমাত্র গ্যাজেট নয়, এটি শিক্ষণ-শেখার মূল অপারেটিং সিস্টেম হবে। এছাড়া তৃতীয় ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে, এবং বিজ্ঞান, কোডিং ও রোবোটিক্স শিক্ষাকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে মাধ্যমিক পর্যায় থেকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নতুন শিক্ষাক্রম ও মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু হবে। তিনি আরও জানান, স্কুল, কারিগরি, মাদ্রাসা ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষাকে সমন্বিত করে “ন্যূনতম শিখন-মানদণ্ড” নির্ধারণ করা হবে। স্কুল পর্যায়ে খেলাধুলা, ট্যালেন্ট হান্ট এবং স্কুল লীগ চালু করা হবে। উচ্চশিক্ষা ও গবেষণাকে জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির সঙ্গে সংযুক্ত করে বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা ও উদ্ভাবনের জন্য গ্র্যান্ট প্রদান করা হবে। ববি হাজ্জাজ জানান, বাস্তবায়নের জন্য তিন ধাপে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে: প্রথম ধাপ (বর্তমান থেকে ঈদুল ফিতর) – বাজেটের ব্যবহারের রুট-কজ বিশ্লেষণ এবং পাইলট ডিজাইন; দ্বিতীয় ধাপ (ঈদুল ফিতরের পর) – জাতীয় শিক্ষা রোডম্যাপ ঘোষণা; তৃতীয় ধাপ (১২-৩৬ মাস) – পরীক্ষা ও মূল্যায়নের প্রযুক্তিগত সংস্কার, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষার ব্রিজিং এবং বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা ও ইনোভেশন গ্র্যান্ট বাস্তবায়ন।