কিশোরগঞ্জের ভৈরবে নিখোঁজের চার দিন পর জনতা ব্যাংকের এক কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৪ মার্চ) সন্ধ্যায় উপজেলার কালিকাপ্রসাদ এলাকায় বিসিক শিল্পনগরীর পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত ব্যক্তি মো. আলমগীর হোসেন, তিনি জনতা ব্যাংকের ভৈরব শাখায় কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার নুরপুর লম্বাহাটি গ্রামের বাসিন্দা আলমগীর হোসেন পরিবারসহ ভৈরব বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বসবাস করতেন। গত রোববার (১ মার্চ) সকাল সাড়ে আটটার দিকে তিনি অফিসে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হন। তবে পরে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃপক্ষ পরিবারকে জানায়, সেদিন তিনি কর্মস্থলে উপস্থিত হননি। এরপর থেকে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায় এবং পরিবারের সদস্যরা তার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ স্থাপন করতে পারেননি।
এ ঘটনায় ওই দিনই তার স্ত্রী তাছলিমা আক্তার ভৈরব থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করেন। পুলিশ ও পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করলেও তার অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
পরবর্তীতে বুধবার (৪ মার্চ) সন্ধ্যা সাতটার দিকে স্থানীয় লোকজন বিসিক শিল্পনগরীর পাশের একটি স্থানে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে এবং প্রাথমিকভাবে আলমগীর হোসেন হিসেবে শনাক্ত করে।
নিহতের স্ত্রী তাছলিমা আক্তার জানান, পারিবারিক কিছু বিষয়ে তাদের দাম্পত্য সম্পর্কে টানাপোড়েন চলছিল। কিছুদিন আগে তার স্বামী নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কার কথা উল্লেখ করেছিলেন বলেও তিনি দাবি করেন।
এ বিষয়ে ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আতাউর রহমান আকদ জানান, মরদেহের পাশ থেকে একটি বোতল উদ্ধার করা হয়েছে, যা প্রাথমিকভাবে বিষের বোতল বলে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহে একটি পায়ে সামান্য আঘাতের চিহ্নও রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কয়েক দিন আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে আইনানুগ তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। প্রয়োজনে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও অন্যান্য আলামত বিশ্লেষণের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আবহাওয়াবিদরা সতর্ক করেছেন, ঈদুল ফিতরের দিন এবং তার আগের দুই দিন দেশে প্রবল কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। মোস্তফা কামাল পলাশ বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে জানান, বিশেষ করে ১৬, ১৭ ও ১৮ মার্চ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তীব্র শিলাবৃষ্টি, বজ্রসহ ঝড় বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি নাগরিকদের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় যাতায়াত এড়াতে এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে অনুরোধ করেছেন।
নরসিংদী জেলার মনোহরদী উপজেলায় বিলের পানিতে মাছ ধরতে গিয়ে এক নারী গ্রেনেড সদৃশ একটি বিস্ফোরক বস্তু উদ্ধার করেছেন। পরে সেটি পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। সোমবার (২ মার্চ) বিকেলে উপজেলার দিগাকান্দি এলাকার দুয়ার বিলে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে কয়েকজন শিশু বিলে মাছ ধরতে গেলে তাদের আনতে পানিতে নামেন শিখা বেগম। এ সময় তার পায়ে শক্ত ধাতব বস্তু অনুভূত হলে সেটি তুলে নেন। প্রাথমিকভাবে তিনি বস্তুটিকে মূল্যবান ধাতু বা গুপ্তধন মনে করে বাড়িতে নিয়ে যান। পরে এলাকাবাসীর সন্দেহ হলে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গ্রেনেড সদৃশ বস্তুটি উদ্ধার করে নিরাপত্তা হেফাজতে নেয়। শিখা বেগম জানান, তিনি বস্তুটির প্রকৃতি সম্পর্কে অবগত ছিলেন না এবং ধাতব বস্তু ভেবে বাড়িতে নিয়ে এসেছিলেন। মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুল ইসলাম বলেন, উদ্ধারকৃত বস্তুটি পরীক্ষার জন্য বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিটকে অবহিত করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞ দল এসে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নীলফামারীর ডোমার সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করার সময় তিন শিশুকে আটক করেছে ৫৬ বিজিবি। আটক তিন শিশুর নাম: • ইরফান (১২), ছেলে ইসরাফিল, নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ আদমজী ইপিজেডের বাসিন্দা • সাজ্জাদ (১৩), ছেলে আক্তার, ঢাকা কোনাবাড়ি এলাকার বাসিন্দা • সাব্বির (১০), ছেলে আবুল কালাম, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক থানার নতুন বাঁশতলা এলাকার বাসিন্দা বিজিবি সোমবার (০২ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ডাঙ্গাপাড়া বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় শিশুদের সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে আটক করে। তারা ভারত অভিমুখে কাজ করতে যাওয়ার উদ্দেশ্য প্রকাশ করেছিল। আটক শিশুদের ডোমার থানা পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে। থানার ওসি মো. হাবিবুল্লাহ জানিয়েছেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে শিশুদের পরিবারে হস্তান্তর করা হবে।