দুই দশক আগে গ্রেফতার হওয়ার ঘটনাকে স্মরণ করে আজ শনিবার (৭ মার্চ) কারাবন্দী দিবস পালন করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। ২০০৭ সালের ৭ মার্চ তৎকালীন সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় রাজধানীর বাসা থেকে দলটির জ্যেষ্ঠ নেতা তারেক রহমান-কে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আটক করে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারের পর বিভিন্ন মামলায় তাকে একাধিক দফায় রিমান্ডে নেওয়া হয়। বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, রিমান্ডে থাকা অবস্থায় তিনি নির্যাতনের শিকার হন, যার ফলে গুরুতর শারীরিক ক্ষতির সম্মুখীন হন। তাদের দাবি, তৎকালীন সরকার রাজনৈতিকভাবে দলটিকে দুর্বল করতে তার বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে একাধিক মামলা দায়ের করেছিল।
গ্রেফতারের পর প্রায় ১৮ মাস কারাগারে থাকার পর ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর জামিনে মুক্তি পান তারেক রহমান। পরে উন্নত চিকিৎসার উদ্দেশ্যে তিনি বিদেশে যান এবং যুক্তরাজ্যে অবস্থান করেন। সেখান থেকেই তিনি দলীয় কর্মকাণ্ড তদারকি করেন।
দলটির অভিযোগ, ১/১১–পরবর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের সময়েও তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলা দায়ের করা হয়, যেগুলোর অধিকাংশই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি তাদের।
কারাবন্দী দিবস উপলক্ষে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনগুলো আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিলসহ বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করেছে। দলটির নেতাদের ভাষ্য, নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও তারেক রহমান দলের নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন এবং বিএনপির রাজনৈতিক সংগ্রামের প্রতীক হিসেবেই দিনটি দলটির কাছে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।
দুই দশক আগে গ্রেফতার হওয়ার ঘটনাকে স্মরণ করে আজ শনিবার (৭ মার্চ) কারাবন্দী দিবস পালন করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। ২০০৭ সালের ৭ মার্চ তৎকালীন সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় রাজধানীর বাসা থেকে দলটির জ্যেষ্ঠ নেতা তারেক রহমান-কে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আটক করে। দলীয় সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারের পর বিভিন্ন মামলায় তাকে একাধিক দফায় রিমান্ডে নেওয়া হয়। বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, রিমান্ডে থাকা অবস্থায় তিনি নির্যাতনের শিকার হন, যার ফলে গুরুতর শারীরিক ক্ষতির সম্মুখীন হন। তাদের দাবি, তৎকালীন সরকার রাজনৈতিকভাবে দলটিকে দুর্বল করতে তার বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে একাধিক মামলা দায়ের করেছিল। গ্রেফতারের পর প্রায় ১৮ মাস কারাগারে থাকার পর ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর জামিনে মুক্তি পান তারেক রহমান। পরে উন্নত চিকিৎসার উদ্দেশ্যে তিনি বিদেশে যান এবং যুক্তরাজ্যে অবস্থান করেন। সেখান থেকেই তিনি দলীয় কর্মকাণ্ড তদারকি করেন। দলটির অভিযোগ, ১/১১–পরবর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের সময়েও তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলা দায়ের করা হয়, যেগুলোর অধিকাংশই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি তাদের। কারাবন্দী দিবস উপলক্ষে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনগুলো আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিলসহ বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করেছে। দলটির নেতাদের ভাষ্য, নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও তারেক রহমান দলের নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন এবং বিএনপির রাজনৈতিক সংগ্রামের প্রতীক হিসেবেই দিনটি দলটির কাছে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।
ঢাকায় সফররত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর ও বিএনপির প্রতিনিধি দলের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খানের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল এই আলোচনায় অংশ নেয়। বৈঠকে দুইপক্ষ বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সহযোগিতা এবং জনগণের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছে। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে ড. আবদুল মঈন খান বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের জানান, আলোচনা শুধুমাত্র সরকারি স্তরের নয়, দুই দেশের জনগণের সম্পর্ক ও সহযোগিতাকে শক্তিশালী করার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, ডা. মাহবুবুর রহমান, নায়েবা ইউসূফ এবং ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টাদের দাপ্তরিক দায়িত্বে নতুন করে রদবদল এনেছে সরকার। প্রশাসনিক সমন্বয় ও কার্যকারিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ পুনর্বণ্টন কার্যকর করা হয়েছে বলে সরকারি প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। বুধবার (৪ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা গেজেটে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬-এর ৩বি(আইআই) বিধি অনুযায়ী এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মন্ত্রী পদমর্যাদাপ্রাপ্ত রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান–কে তার বিদ্যমান দায়িত্বের পাশাপাশি কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার অতিরিক্ত দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। একইভাবে, অপর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ–কে তার বর্তমান দপ্তরের সঙ্গে শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। এর আগে, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাদের মন্ত্রীর পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। সর্বশেষ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে।