বিশ্ব

আমিরাত ও কুয়েত লক্ষ্য করে ইরানের শক্তিশালী আক্রমণ

Icon
নিখাদ খবর ডেস্ক
প্রকাশঃ মার্চ ৭, ২০২৬

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র-এর সামরিক ঘাঁটিগুলিতে এক সমন্বিত হামলা চালানো হয়েছে, যেখানে নতুন প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহৃত হয়েছে। 
শনিবার (৭ মার্চ) ইরান সরকারি বার্তা সংস্থা ইরনা-তে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হামলার একটি মূল লক্ষ্য ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল ধাফরা বিমান ঘাঁটি।
আইআরজিসি জানায়, নিশানায় নিখুঁত আঘাত হানতে এমকিউ-৯ ড্রোন এবং উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। এতে আর্লি-ওয়ার্নিং রাডার সিস্টেম, ড্রোন রক্ষণাবেক্ষণের হ্যাঙ্গার এবং ইউ-২ গোয়েন্দা বিমানের সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলো ধ্বংস হয়েছে।
এছাড়া, কুয়েতের আলী আল সালেম বিমান ঘাঁটি-তেও আইআরজিসি ক্রুজ ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়ে রাডার ব্যবস্থা, জ্বালানি মজুত কেন্দ্র এবং দুটি রানওয়ে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে এ ধরনের আঘাত আন্তর্জাতিক আইন ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে।

 

নিরাপত্তা ঝুঁকিতে সাময়িক বন্ধ দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সব ধরনের বিমান ও যাত্রী সেবা সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যাত্রী, এয়ারলাইন্স ক্রু ও কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের ওপর হামলা চালায়। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরান ইসরায়েলসহ সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, কাতার এবং মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে, যার প্রভাব বিমান ও পর্যটন সেবাতেও পড়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৭, ২০২৬ 0

আমিরাত ও কুয়েত লক্ষ্য করে ইরানের শক্তিশালী আক্রমণ

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে অপরিশোধিত তেলের দাম উর্ধ্বমুখী

আবারও ভূমিকম্পে কাঁপল ইরান

সৌদি তেলের খনিতে প্রথমবার ড্রোন হামলা চালালো ইরান

ইরান প্রথমবারের মতো সৌদি আরবের তেল খনি ও যুক্তরাষ্ট্রের বিমান ঘাঁটির দিকে সমন্বিত ড্রোন ও ব্যালিস্টিক হামলা চালিয়েছে, তবে সৌদি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সফলভাবে সব লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করেছে। শুক্রবার (৬ মার্চ) সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, শায়েবাহ খনি লক্ষ্য করে ছোড়া ছয়টি ড্রোন এবং প্রিন্স সুলতান এয়ারবেস লক্ষ্য করে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করা হয়েছে। হামলার কোনো ধরনের ক্ষতি হয়নি বলে মন্ত্রণালয় জানায়। এএফপি সূত্রেও এ খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সংলাপ চলেছিল, যা সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়। এর একদিন পর, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ এবং ইসরাইল ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরুর মাধ্যমে ইরানে সামরিক অভিযান শুরু করে। এরপর থেকে ইরান হামলার পাল্টা হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল-এর সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ক্রমাগত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তেজনা আন্তর্জাতিক আইন ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৭, ২০২৬ 0

ইরানকে গুঁড়িয়ে দিতে ইসরায়েলকে জরুরি ভিত্তিতে ২০ হাজার বোমা সরবারহ করছে যুক্তরাষ্ট্র

এবার ইরানের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলা চালালো ইসরাইল

মার্কিন অভিযানে দিশেহারা ইরান, ৩ হাজার স্থাপনায় আঘাত

ইরান যুদ্ধ ঘিরে হিসাব-নিকাশে চীন

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনা এখনো সরাসরি বড় ধাক্কা না দিলেও এর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে চীন। বিশ্লেষকদের মতে, স্বল্পমেয়াদে কয়েক মাসের জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত থাকায় তাৎক্ষণিক সংকটের আশঙ্কা নেই; প্রয়োজনে প্রতিবেশী রাশিয়া থেকেও সহায়তা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি সরবরাহ, বাণিজ্য পথ এবং বৈশ্বিক বিনিয়োগের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে হিসাব-নিকাশ শুরু করেছে বেইজিং। এদিকে রাজধানী বেইজিং-এ চলমান নীতিনির্ধারণী বৈঠকে অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির কৌশল নিয়ে আলোচনা করছেন শাসক দল চীনের কমিউনিস্ট পার্টি-র প্রতিনিধিরা। ভোক্তা ব্যয় কমে যাওয়া, দীর্ঘস্থায়ী সম্পত্তি খাতের সংকট এবং স্থানীয় সরকারের ঋণের চাপের মধ্যেই বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশটি নীতি নির্ধারণে মনোযোগী হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে চীনের জ্বালানি সরবরাহ ও সামুদ্রিক বাণিজ্যপথে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে, বিশেষত হরমুজ প্রণালী-র মতো গুরুত্বপূর্ণ রুটে জাহাজ চলাচল বিঘ্নিত হলে এর প্রভাব বাড়তে পারে। একই সঙ্গে ওই অঞ্চলে চীনের বিনিয়োগ ও আফ্রিকাসহ অন্যান্য বাজারেও এর প্রতিক্রিয়া পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে, দীর্ঘদিন ধরে চীনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা ইরান-এর সঙ্গে বেইজিংয়ের সম্পর্ক মূলত অর্থনৈতিক ও জ্বালানি সহযোগিতাভিত্তিক বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। যদিও ২০২১ সালে দুই দেশ ২৫ বছরের কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল, তবু বাস্তবে প্রতিশ্রুত বিনিয়োগের একটি অংশই বাস্তবায়িত হয়েছে। কূটনৈতিক পর্যায়ে বেইজিং ইতোমধ্যে সংঘাত বন্ধে সংযম ও সংলাপের আহ্বান জানিয়েছে। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই আন্তর্জাতিক আইন ও রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, সামরিক শক্তির তুলনায় অর্থনৈতিক প্রভাবই চীনের প্রধান হাতিয়ার। ফলে বেইজিং সরাসরি সংঘাতে জড়ানোর পরিবর্তে কূটনৈতিক উদ্যোগ ও বহুপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার পথেই অগ্রসর হতে চাইছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৭, ২০২৬ 0
সৈয়দ আব্বাস আরাঘচি

স্থলযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ইরান, যুক্তরাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ আরাঘচির

ইরানি ড্রোন হামলার নিশানায় মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিঙ্কন

ইরানের আকাশসীমা পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নিচ্ছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র

0 Comments