মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিউবাকে ঘিরে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দেওয়ায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত ‘ফিউচার ইনভেস্টমেন্ট ইনিশিয়েটিভ’ সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি ইরান ও ভেনিজুয়েলায় মার্কিন সামরিক ব্যবহারের উদাহরণ টেনে বলেন, প্রয়োজনে কিউবাও পরবর্তী লক্ষ্য হতে পারে।
যদিও পরবর্তীতে তিনি মন্তব্যটি উপেক্ষা করার আহ্বান জানান।
এ মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে কিউবা সরকার সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি জোরদার করেছে। দেশটির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কার্লোস ফার্নান্দেজ ডি কসিও জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য আগ্রাসনের আশঙ্কায় সামরিক বাহিনীকে সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও কিউবার বর্তমান নেতৃত্বকে অকার্যকর আখ্যা দিয়ে রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি দেশটির চলমান জ্বালানি সংকট ও অর্থনৈতিক দুরবস্থাকে বর্তমান শাসনব্যবস্থার ব্যর্থতা হিসেবে তুলে ধরেন।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের বক্তব্য কৌশলগত চাপ সৃষ্টির অংশ হতে পারে, তবে অতীত অভিজ্ঞতা বিবেচনায় এটিকে সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। দীর্ঘদিনের বৈরী সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র-কিউবা সম্পর্ক নতুন করে অস্থিরতার মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও শুক্রবার (২৭ মার্চ) জানিয়েছেন, ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সংঘর্ষ মাস বা বছরের নয়, বরং কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই শেষ হতে পারে। তিনি বলেন, স্থলবাহিনী মোতায়েন ছাড়াই ওয়াশিংটন তাদের কৌশলগত লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম। ফ্রান্সে জি৭ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বৈঠক শেষে রুবিও সাংবাদিকদের জানান, অভিযানের অগ্রগতি নির্ধারিত সময়সূচির চেয়ে দ্রুত এগোচ্ছে এবং কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ইরান ‘অতীতের তুলনায় সবচেয়ে দুর্বল অবস্থায়’ থাকবে। মার্কিন মিডিয়া এক্সিওসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধে প্রবেশের পর এটি আরও দুই থেকে চার সপ্তাহ স্থায়ী হতে পারে। রুবিও বলেন, যুদ্ধ শেষের পর প্রধান চ্যালেঞ্জ হবে হরমুজ প্রণালীতে ইরান যেন জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি করতে না পারে। এই নৌপথে বিশ্বব্যাপী তেলের প্রায় ২০% পরিবাহিত হয়। তিনি আরও জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই ইরানের সঙ্গে বার্তা বিনিময় করেছে, এবং কিছু বিষয়ে আলোচনার আগ্রহ প্রকাশ করেছে, যদিও তেহরান এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেয়নি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিউবাকে ঘিরে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দেওয়ায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত ‘ফিউচার ইনভেস্টমেন্ট ইনিশিয়েটিভ’ সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি ইরান ও ভেনিজুয়েলায় মার্কিন সামরিক ব্যবহারের উদাহরণ টেনে বলেন, প্রয়োজনে কিউবাও পরবর্তী লক্ষ্য হতে পারে। যদিও পরবর্তীতে তিনি মন্তব্যটি উপেক্ষা করার আহ্বান জানান। এ মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে কিউবা সরকার সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি জোরদার করেছে। দেশটির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কার্লোস ফার্নান্দেজ ডি কসিও জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য আগ্রাসনের আশঙ্কায় সামরিক বাহিনীকে সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। অন্যদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও কিউবার বর্তমান নেতৃত্বকে অকার্যকর আখ্যা দিয়ে রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি দেশটির চলমান জ্বালানি সংকট ও অর্থনৈতিক দুরবস্থাকে বর্তমান শাসনব্যবস্থার ব্যর্থতা হিসেবে তুলে ধরেন। বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের বক্তব্য কৌশলগত চাপ সৃষ্টির অংশ হতে পারে, তবে অতীত অভিজ্ঞতা বিবেচনায় এটিকে সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। দীর্ঘদিনের বৈরী সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র-কিউবা সম্পর্ক নতুন করে অস্থিরতার মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে প্রেরিত যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ইরানের হাতে পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছেন কূটনৈতিক সূত্র। আলজাজিরার প্রতিবেদক ওসামা বিন জাভেদ জানিয়েছেন, পাকিস্তানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা প্রস্তাবটি ইরানিদের কাছে উপস্থাপন করেছেন এবং এখন ইরানের জবাবের প্রতীক্ষা চলছে। একই সূত্র জানায়, আগামী দিনগুলোতে ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে তুরস্কের ক্ষমতাসীন একে পার্টির পররাষ্ট্র বিষয়ক সহসভাপতি হারুন আরমাগান রয়টার্সকে বলেন, আঙ্কারা তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে ‘বার্তা আদান-প্রদানের ভূমিকা’ পালন করছে। তিনি জানান, এই মধ্যস্থতা উত্তেজনা প্রশমিত করা এবং সরাসরি আলোচনার পথ সুগম করার উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে।