সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জব্দকৃত পেট্রোল ব্যবস্থাপনা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের বিরুদ্ধেই। শুক্রবার বিনসাড়া বাজারে অভিযান চালিয়ে মেসার্স মোল্লা এন্টারপ্রাইজ থেকে ৩৯৫ লিটার পেট্রোল জব্দ ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, জব্দকৃত পেট্রোলের একটি অংশ খালকুলা সমবায় ফিলিং স্টেশনে বিক্রি করা হলেও অবশিষ্ট অংশ অন্যত্র নেওয়া হয়েছে, যার স্বচ্ছ হিসাব প্রদান করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট ফিলিং স্টেশনের একটি সূত্র দাবি করেছে, দুই ড্রাম পেট্রোলের মধ্যে এক ড্রাম সেখানেই খুচরা বিক্রি করা হয় এবং অপর ড্রাম অন্য স্টেশনে নেওয়ার কথা বলা হয়।
অন্যদিকে প্রতিষ্ঠানটির মালিক অভিযোগ করেন, জরিমানার রসিদ দেওয়া হলেও জব্দকৃত পেট্রোলের কোনো আনুষ্ঠানিক নথি প্রদান করা হয়নি এবং পরবর্তীতে খালি ড্রাম ফেরত দেওয়া হয়েছে।
তবে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত জাহান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিধি অনুযায়ী জব্দকৃত পেট্রোল খালকুলা সমবায় ফিলিং স্টেশন থেকে জনপ্রতি এক লিটার করে বিক্রি করা হয়েছে।
ঘটনাটি প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উত্থাপন করেছে।
কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলায় এক স্কুলছাত্রীকে রক্তাক্ত অবস্থায় ভুট্টাখেত থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের দাবি, দুর্বৃত্তরা তাকে মারধর করে কানে থাকা সোনার দুল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছে। সোমবার (৩১ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য তাকে দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জান্নাতুল ইসলাম বলেন, “শিশুটির কান, মুখ, ঘাড়সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পরিবার অভিযোগ না করার কারণে ধর্ষণের বিষয়টি পরীক্ষা করা হয়নি, শুধুমাত্র ক্ষতের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।” স্থানীয়রা জানিয়েছেন, শিশুটি তখন একা খেলছিল এবং দুর্বৃত্তরা তাকে জোর করে ভুট্টাখেতে নিয়ে হামলা চালায়। শিশুটিকে খুঁজে পাওয়া না গেলে পরিবারের সদস্যরা আশঙ্কায় তৎপর হন। দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এম. আবদুল হালিম জানিয়েছেন, “পরিবার অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জব্দকৃত পেট্রোল ব্যবস্থাপনা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের বিরুদ্ধেই। শুক্রবার বিনসাড়া বাজারে অভিযান চালিয়ে মেসার্স মোল্লা এন্টারপ্রাইজ থেকে ৩৯৫ লিটার পেট্রোল জব্দ ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, জব্দকৃত পেট্রোলের একটি অংশ খালকুলা সমবায় ফিলিং স্টেশনে বিক্রি করা হলেও অবশিষ্ট অংশ অন্যত্র নেওয়া হয়েছে, যার স্বচ্ছ হিসাব প্রদান করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট ফিলিং স্টেশনের একটি সূত্র দাবি করেছে, দুই ড্রাম পেট্রোলের মধ্যে এক ড্রাম সেখানেই খুচরা বিক্রি করা হয় এবং অপর ড্রাম অন্য স্টেশনে নেওয়ার কথা বলা হয়। অন্যদিকে প্রতিষ্ঠানটির মালিক অভিযোগ করেন, জরিমানার রসিদ দেওয়া হলেও জব্দকৃত পেট্রোলের কোনো আনুষ্ঠানিক নথি প্রদান করা হয়নি এবং পরবর্তীতে খালি ড্রাম ফেরত দেওয়া হয়েছে। তবে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত জাহান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিধি অনুযায়ী জব্দকৃত পেট্রোল খালকুলা সমবায় ফিলিং স্টেশন থেকে জনপ্রতি এক লিটার করে বিক্রি করা হয়েছে। ঘটনাটি প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উত্থাপন করেছে।
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে জমিজমা বিরোধে ছোট ভাইকে গুলি করে হত্যা করার ঘটনায় এলাকায় শোক ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার ফায়ার সার্ভিস কার্যালয়ের পাশের চতুল রেললাইন সংলগ্ন এলাকা থেকে এই ঘটনা ঘটে। নিহত মিন্টু মোল্লা (৫৭) স্থানীয় চতুল গ্রামের বাসিন্দা। অভিযুক্ত বড় ভাই গোলাম কবির (৭১) জেলা কৃষক লীগের সহসভাপতি ও পেশায় চিকিৎসক। স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে চলমান পৈতৃক সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে গোলাম কবির মিন্টুকে বাগান কাজ থেকে বিরত রাখতে চেষ্টা করেন। বাগ্বিতণ্ডা শেষে তিনি নিজের লাইসেন্সকৃত শটগান দিয়ে মিন্টুর গলা ও বুকে ছয়টি গুলি ছোড়ে। গুলির শব্দে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে গোলাম কবিরকে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে পুলিশকে খবর দেন। পরে তাকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়। বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন জানান, হত্যার ঘটনার সঙ্গে ব্যবহৃত অস্ত্রও জব্দ করা হয়েছে। নিহতের লাশ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। অপরাধ সংক্রান্ত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। উল্লেখ্য, গোলাম কবিরের বিরুদ্ধে পূর্বেও মারামারি, অস্ত্র ব্যবহার ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের বিভিন্ন মামলায় বিচারাধীন রয়েছে। তিনি বর্তমানে ফরিদপুর শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত এবং নিজের প্রতিষ্ঠিত ‘গোলাম কবির নার্সিং ইনস্টিটিউট’-এর চেয়ারম্যান।