বিশ্ব

ইরানমুখী ৬ স্থলপথ খুলে দিয়ে কৌশলগত বার্তা দিল পাকিস্তান

Icon
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশঃ মে ২, ২০২৬


সমুদ্রপথে বাণিজ্য ব্যাহত হওয়ার প্রেক্ষাপটে বিকল্প সরবরাহ শৃঙ্খল গড়ে তুলতে ইরানমুখী ছয়টি স্থল ট্রানজিট করিডর চালু করেছে পাকিস্তান। নতুন এই ব্যবস্থার মাধ্যমে তৃতীয় দেশের পণ্য দেশটির ভূখণ্ড ব্যবহার করে সরাসরি ইরান-এ পাঠানো যাবে।
 

নীতিগত সিদ্ধান্ত ও বাস্তবায়ন
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানায়, পাকিস্তানের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ‘ট্রানজিট অব গুডস থ্রু টেরিটরি অব পাকিস্তান অর্ডার ২০২৬’ জারি করে তাৎক্ষণিকভাবে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে।

 

কূটনৈতিক প্রেক্ষাপট
এই সিদ্ধান্তের সময় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ইসলামাবাদ সফর এবং শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠককে আঞ্চলিক কূটনৈতিক সমন্বয়ের অংশ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

 

অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক গুরুত্ব
সরকারি ভাষ্য অনুযায়ী, এ করিডর আঞ্চলিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে সহায়ক হবে এবং পাকিস্তানকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে। এতে পরিবহন ব্যয় ৪৫–৫৫ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে বলেও সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

 

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের সম্ভাব্য প্রভাব
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের অর্থনীতির জন্য এটি ইতিবাচক হলেও, যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত চাপকে দুর্বল করতে পারে—ফলে ওয়াশিংটনের সঙ্গে ইসলামাবাদের সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

 

ভারতীয় পণ্যে নিষেধাজ্ঞা বহাল
নতুন ট্রানজিট সুবিধা ভারতীয় পণ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়; পূর্বঘোষিত নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে।

 

নির্ধারিত রুট ও অবকাঠামো
ছয়টি রুট করাচি, পোর্ট কাসিম ও গোয়াদার বন্দরকে গাবদ ও তাফতান সীমান্তের সঙ্গে যুক্ত করেছে। বেলুচিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চল হয়ে এসব করিডর পরিচালিত হবে। সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত রুটে সময় লাগতে পারে মাত্র ২–৩ ঘণ্টা।

 

বন্দর চাপ ও সরবরাহ সংকট
বর্তমানে করাচি বন্দরে হাজারো কনটেইনার আটকে রয়েছে, আর যুদ্ধঝুঁকি বীমার খরচ বৃদ্ধিতে সমুদ্রপথ ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে।

 

ভূরাজনৈতিক তাৎপর্য
বিশ্লেষকদের মতে, এই করিডর দক্ষিণ ও পশ্চিম এশিয়ার বাণিজ্য মানচিত্রে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে এবং বিকল্প আঞ্চলিক বাণিজ্য পথ হিসেবে নতুন বাস্তবতা তৈরি করছে।

 

 

ইরানমুখী ৬ স্থলপথ খুলে দিয়ে কৌশলগত বার্তা দিল পাকিস্তান

সমুদ্রপথে বাণিজ্য ব্যাহত হওয়ার প্রেক্ষাপটে বিকল্প সরবরাহ শৃঙ্খল গড়ে তুলতে ইরানমুখী ছয়টি স্থল ট্রানজিট করিডর চালু করেছে পাকিস্তান। নতুন এই ব্যবস্থার মাধ্যমে তৃতীয় দেশের পণ্য দেশটির ভূখণ্ড ব্যবহার করে সরাসরি ইরান-এ পাঠানো যাবে।   নীতিগত সিদ্ধান্ত ও বাস্তবায়ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানায়, পাকিস্তানের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ‘ট্রানজিট অব গুডস থ্রু টেরিটরি অব পাকিস্তান অর্ডার ২০২৬’ জারি করে তাৎক্ষণিকভাবে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে।   কূটনৈতিক প্রেক্ষাপট এই সিদ্ধান্তের সময় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ইসলামাবাদ সফর এবং শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠককে আঞ্চলিক কূটনৈতিক সমন্বয়ের অংশ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।   অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক গুরুত্ব সরকারি ভাষ্য অনুযায়ী, এ করিডর আঞ্চলিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে সহায়ক হবে এবং পাকিস্তানকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে। এতে পরিবহন ব্যয় ৪৫–৫৫ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে বলেও সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।   যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের সম্ভাব্য প্রভাব বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের অর্থনীতির জন্য এটি ইতিবাচক হলেও, যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত চাপকে দুর্বল করতে পারে—ফলে ওয়াশিংটনের সঙ্গে ইসলামাবাদের সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।   ভারতীয় পণ্যে নিষেধাজ্ঞা বহাল নতুন ট্রানজিট সুবিধা ভারতীয় পণ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়; পূর্বঘোষিত নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে।   নির্ধারিত রুট ও অবকাঠামো ছয়টি রুট করাচি, পোর্ট কাসিম ও গোয়াদার বন্দরকে গাবদ ও তাফতান সীমান্তের সঙ্গে যুক্ত করেছে। বেলুচিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চল হয়ে এসব করিডর পরিচালিত হবে। সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত রুটে সময় লাগতে পারে মাত্র ২–৩ ঘণ্টা।   বন্দর চাপ ও সরবরাহ সংকট বর্তমানে করাচি বন্দরে হাজারো কনটেইনার আটকে রয়েছে, আর যুদ্ধঝুঁকি বীমার খরচ বৃদ্ধিতে সমুদ্রপথ ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে।   ভূরাজনৈতিক তাৎপর্য বিশ্লেষকদের মতে, এই করিডর দক্ষিণ ও পশ্চিম এশিয়ার বাণিজ্য মানচিত্রে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে এবং বিকল্প আঞ্চলিক বাণিজ্য পথ হিসেবে নতুন বাস্তবতা তৈরি করছে।    

নিজস্ব প্রতিবেদক মে ২, ২০২৬ 0

হরমুজ প্রণালিতে বিশেষ নিয়ন্ত্রণ বলয়ের ঘোষণা দিল ইরান

ইতালি ও স্পেনে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প

ইরানের নৌবাহিনী পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি: পেন্টাগনের স্বীকারোক্তি

ইরান লক্ষ্য করে নতুন হামলার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

ইরান ইস্যুতে উত্তেজনার মধ্যেই সীমিত পরিসরের শক্তিশালী সামরিক বিকল্প নিয়ে অগ্রসর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র—এমন তথ্য উঠে এসেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওসের এক প্রতিবেদনে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও হরমুজ প্রণালি ঘিরে চলমান কূটনৈতিক অচলাবস্থার প্রেক্ষাপটে ‘পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ নয়, বরং স্বল্পমেয়াদি কিন্তু লক্ষ্যভিত্তিক হামলার’ একটি পরিকল্পনা পেন্টাগন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে উপস্থাপন করেছে। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)-এর কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার এই পরিকল্পনার নকশা তৈরি করেন। এতে ইরানের তেল স্থাপনা, সামরিক ঘাঁটি, কমান্ড সেন্টার এবং আঞ্চলিক মিলিশিয়া নেটওয়ার্ককে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যাতে দ্রুত কৌশলগত ক্ষতি সাধন করা যায়। তবে এখনো পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এ প্রস্তাবে অনুমোদন দেননি। তিনি বরং ইরানের ওপর নৌ-চাপ ও অর্থনৈতিক অবরোধ অব্যাহত রাখার কৌশলকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছেন বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়। অন্য একটি বিকল্প পরিকল্পনায় হরমুজ প্রণালির কিছু অংশে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার বিষয়ও উঠে এসেছে, যা বাস্তবায়নে স্থল অভিযানের সম্ভাবনা রয়েছে। এক্সিওস ও বিবিসির তথ্যমতে, ইরানের পক্ষ থেকে দেওয়া আংশিক শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পরই এই সামরিক বিকল্পগুলো সক্রিয়ভাবে বিবেচনায় আনা হয়। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘ডার্ক ঈগল’ মোতায়েনের প্রস্তাবও দিয়েছে সেন্টকম, যা অত্যন্ত শক্তিশালী ও গভীর লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। প্রতিবেদনে বলা হয়, কূটনৈতিক সমাধান ব্যর্থ হলে দ্রুত সামরিক পদক্ষেপের বিকল্প এখনো উন্মুক্ত রেখেছে ওয়াশিংটন।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৩০, ২০২৬ 0

অং সান সু চির দণ্ড ফের হ্রাস করল মিয়ানমারের জান্তা সরকার

কানাডায় প্রবেশে বাধা পেলেন ইরানের ফুটবল প্রধান

সৌদি আরবে মারা গেলেন আরও এক বাংলাদেশি হজযাত্রী

হরমুজ প্রণালিতে ইরানি জাহাজ জব্দ করল যুক্তরাষ্ট্র

হরমুজ প্রণালি ও ইরানের উপকূলীয় এলাকায় যুক্তরাষ্ট্রের চলমান অবরোধ অভিযানের অংশ হিসেবে ইরানের পতাকাবাহী একটি তেলবাহী ট্যাংকার জব্দ করেছে মার্কিন নৌবাহিনী। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ‘ইউএসএস রাফায়েল পেরাল্টা’ অভিযান চালিয়ে ‘এম/টি স্ট্রিম’ নামের ট্যাংকারটি থামিয়ে দেয়। সেন্টকমের দাবি, জাহাজটি অবরোধ অমান্য করে ইরানের একটি বন্দরের দিকে অগ্রসর হচ্ছিল। জাহাজ ট্র্যাকিং সংস্থা মেরিন ট্রাফিকের তথ্য অনুযায়ী, ট্যাংকারটি সর্বশেষ মালাক্কা প্রণালিতে দেখা যায়। ঘটনাটিকে এর আগে ‘জলদস্যুতা ও সশস্ত্র ডাকাতি’ হিসেবে অভিহিত করেছে ইরান। তবে এ বিষয়ে তেহরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ২৮, ২০২৬ 0

ইরান হল জাতিসংঘ পরমাণু সম্মেলনের সহ-সভাপতি, তীব্র আপত্তি যুক্তরাষ্ট্রের

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে পাল্টা ‘ট্রাম্প কার্ড’ ব্যবহারের হুঁশিয়ারি দিল ইরান

লাশ গুমের উপায় জানতে চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করেন অভিযুক্ত

0 Comments