যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই কৌশলগত শক্তির ইঙ্গিত দিয়ে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ দাবি করেছেন, ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে প্রয়োগযোগ্য একাধিক ‘ট্রাম্প কার্ড’ এখনো তেহরানের হাতে রয়েছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি ইঙ্গিত দেন, হরমুজ প্রণালি, বাব আল-মানদেবসহ গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ ও জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতা ইরানকে ভূ-রাজনৈতিকভাবে শক্ত অবস্থানে রেখেছে।
তার ভাষায়, বৈশ্বিক জ্বালানি প্রবাহ ও সরবরাহ রুটে ইরানের প্রভাব যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের সক্ষমতার সঙ্গে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বী অবস্থান তৈরি করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, গালিবাফের এই বক্তব্য মূলত কূটনৈতিক চাপ ও মনস্তাত্ত্বিক বার্তা হিসেবে ওয়াশিংটনের উদ্দেশে প্রেরিত, যেখানে সম্ভাব্য জ্বালানি সংকট ও বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্নের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই কৌশলগত শক্তির ইঙ্গিত দিয়ে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ দাবি করেছেন, ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে প্রয়োগযোগ্য একাধিক ‘ট্রাম্প কার্ড’ এখনো তেহরানের হাতে রয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি ইঙ্গিত দেন, হরমুজ প্রণালি, বাব আল-মানদেবসহ গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ ও জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতা ইরানকে ভূ-রাজনৈতিকভাবে শক্ত অবস্থানে রেখেছে। তার ভাষায়, বৈশ্বিক জ্বালানি প্রবাহ ও সরবরাহ রুটে ইরানের প্রভাব যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের সক্ষমতার সঙ্গে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বী অবস্থান তৈরি করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, গালিবাফের এই বক্তব্য মূলত কূটনৈতিক চাপ ও মনস্তাত্ত্বিক বার্তা হিসেবে ওয়াশিংটনের উদ্দেশে প্রেরিত, যেখানে সম্ভাব্য জ্বালানি সংকট ও বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্নের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
ওয়াশিংটনে গুলিবর্ষণ-পরবর্তী পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট পদকে ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ দায়িত্ব’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। স্থানীয় সময় শনিবার (২৫ এপ্রিল) ওয়াশিংটনের একটি হোটেলে সংবাদমাধ্যমের নৈশভোজ চলাকালে গুলির ঘটনা ঘটার পরপরই আয়োজিত ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। হোয়াইট হাউসের ব্রিফিংয়ে নিজের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক সহিংসতা প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, তিনি বিষয়টি নিয়ে সচেতন থাকলেও আতঙ্কিত নন। তাঁর ভাষায়, প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করা একটি ঝুঁকিপূর্ণ পেশা, যেখানে বিপদের আশঙ্কা অস্বাভাবিক নয়। পরিস্থিতি নিয়ে হালকা মন্তব্য করে তিনি বলেন, এ পদটি কতটা ঝুঁকিপূর্ণ আগে জানলে হয়তো তিনি নির্বাচনেই অংশ নিতেন না। তবে পরক্ষণেই তিনি বলেন, দায়িত্ব পালনই মূল উদ্দেশ্য এবং দেশসেবার অঙ্গীকার থেকেই তিনি কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। ঘটনার সময় উপস্থিত ছিলেন মেলানিয়া ট্রাম্প। নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় দ্রুতই যুক্তরাষ্ট্র সিক্রেট সার্ভিস তাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়। ট্রাম্প আরও বলেন, ঘটনাস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হোটেলটি সম্পূর্ণ নিরাপদ ছিল না—এ বিষয়টিও পর্যালোচনায় এসেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। উল্লেখ্য, হোয়াইট হাউস সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের ওই নৈশভোজ চলাকালীন হঠাৎ গুলির শব্দে অনুষ্ঠানস্থলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, যা পরে নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর নিয়ন্ত্রণে আসে।
দীর্ঘ বিরতির পর গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে গাজা উপত্যকা-এ, যেখানে স্থানীয় নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন বাসিন্দারা। শনিবার (২৫ এপ্রিল) রয়টার্স-এর প্রতিবেদনে জানানো হয়, প্রায় দুই দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো গাজার কিছু এলাকায় স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে রাজনৈতিক অংশগ্রহণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেইর আল-বালাহ শহরকে প্রতীকীভাবে অন্তর্ভুক্ত করে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে, যার মাধ্যমে অঞ্চলে তাদের প্রশাসনিক উপস্থিতি ও কর্তৃত্বের দাবি আরও সুসংহত করা হচ্ছে। ২০০৭ সালে হামাস গাজার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর দীর্ঘ সময় ভোটাধিকার চর্চা সীমিত ছিল। এবারের নির্বাচনে বিদ্যুৎ সংকট ও অবকাঠামোগত ক্ষতির কারণে কিছু কেন্দ্র তাঁবুতে স্থাপন করা হয়েছে এবং ভোটগ্রহণের সময়ও সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, গাজায় প্রায় ৭০ হাজারসহ মোট ১০ লাখের বেশি ভোটার অংশ নেওয়ার যোগ্য। তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে অঞ্চলটির সব এলাকায় ভোট আয়োজন সম্ভব হয়নি, যার ফলে নির্বাচন আংশিকভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, এই স্থানীয় নির্বাচন ভবিষ্যতে বৃহত্তর রাজনৈতিক প্রক্রিয়া ও সম্ভাব্য জাতীয় নির্বাচনের পথ খুলে দিতে পারে। তবে রাজনৈতিক বিভাজন ও বিভিন্ন গোষ্ঠীর অংশগ্রহণ না থাকায় নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তাও রয়ে গেছে।