নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে তলব হলেও শেষ পর্যন্ত অভিযোগমুক্ত হলেন যশোর-৩ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি অভিযোগের কোনো ভিত্তি না পাওয়ায় তাকে অব্যাহতি দিয়েছেন।
রোববার (১১ জানুয়ারি) যশোর-৩ আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও জ্যেষ্ঠ সিভিল জজ মো. মাসুদ রানার আদালতে সশরীরে হাজির হয়ে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত লিখিত ও মৌখিকভাবে নিজের বক্তব্য উপস্থাপন করেন। শুনানি শেষে আদালত তার ব্যাখ্যায় সন্তোষ প্রকাশ করে অভিযোগ খারিজের আদেশ দেন।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের আইনজীবী দেবাশীষ দাস জানান, আদালত বিষয়টি পর্যালোচনা করে অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি মর্মে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। শুনানিকালে জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এম এ গফুরসহ একাধিক জ্যেষ্ঠ আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন।
জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু বলেন, আদালত অভিযোগ খারিজের পাশাপাশি ভবিষ্যতে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন।
এর আগে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত দাবি করেন, অভিযোগে উল্লেখিত কর্মসূচিগুলো তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে নয়, সেগুলো যশোর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে তলব হলেও শেষ পর্যন্ত অভিযোগমুক্ত হলেন যশোর-৩ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি অভিযোগের কোনো ভিত্তি না পাওয়ায় তাকে অব্যাহতি দিয়েছেন। রোববার (১১ জানুয়ারি) যশোর-৩ আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও জ্যেষ্ঠ সিভিল জজ মো. মাসুদ রানার আদালতে সশরীরে হাজির হয়ে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত লিখিত ও মৌখিকভাবে নিজের বক্তব্য উপস্থাপন করেন। শুনানি শেষে আদালত তার ব্যাখ্যায় সন্তোষ প্রকাশ করে অভিযোগ খারিজের আদেশ দেন। অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের আইনজীবী দেবাশীষ দাস জানান, আদালত বিষয়টি পর্যালোচনা করে অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি মর্মে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। শুনানিকালে জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এম এ গফুরসহ একাধিক জ্যেষ্ঠ আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন। জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু বলেন, আদালত অভিযোগ খারিজের পাশাপাশি ভবিষ্যতে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন। এর আগে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত দাবি করেন, অভিযোগে উল্লেখিত কর্মসূচিগুলো তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে নয়, সেগুলো যশোর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র বাতিলের চ্যালেঞ্জে ঢাকা-৯ স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা এবং কক্সবাজার-২ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হামিদুর রহমান আযাদ আপিলে জয়ী হয়েছেন। শনিবার (১০ জানুয়ারি) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনের শুনানিতে কমিশন তাদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে। এই রায়ের ফলে উভয় প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পথে থাকা আইনি বাধা কাটিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় নামতে পারবেন। কমিশন জানিয়েছে, আপিল শুনানি আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে এবং প্রথম দিনে ১ থেকে ৭০ নম্বর আপিলের মধ্যে তাদের আপিল নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এর আগে মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে দেশের ৩০০টি আসনের ২ হাজার ৫৬৮টি আবেদনপত্রের মধ্যে ১ হাজার ৮৪২টি বৈধ এবং ৭২৬টি বাতিল ঘোষণা করা হয়েছিল। বাতিল প্রার্থীদের বিপরীতে মোট ৬৪৫টি আপিল জমা পড়েছে। চলমান শুনানিতে আগামী কয়েক দিনে আরও অনেক প্রার্থীর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তাৎপর্যপূর্ণ এক কূটনৈতিক ইঙ্গিত মিলেছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু পরবর্তী সময়ে। জানাজা উপলক্ষে ঢাকায় এসে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পাঠানো শোকবার্তা হস্তান্তর করেন। কালো পোশাকে শোকাহত পরিবেশে অনুষ্ঠিত ওই সাক্ষাতে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক সমবেদনা জানানো হয়। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জয়শঙ্কর জানান, খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক দর্শন ও মূল্যবোধ ভবিষ্যতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইতিবাচক দিকনির্দেশনা দিতে পারে—এমন প্রত্যাশা ভারতের। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই বক্তব্য দীর্ঘদিনের ভারত–বিএনপি দূরত্ব কমানোর একটি কৌশলগত ইঙ্গিত। অতীতে বিএনপি–জামায়াত জোট, পাকিস্তানঘনিষ্ঠ অবস্থান এবং ভারতবিরোধী অভিযোগের কারণে নয়াদিল্লি আওয়ামী লীগকেই প্রধান মিত্র হিসেবে বিবেচনা করলেও বর্তমান বাস্তবতায় অবস্থান বদলের আভাস মিলছে। আসন্ন জাতীয় নির্বাচন, আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতি এবং রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাসের প্রেক্ষাপটে বিএনপি এখন কেন্দ্রীয় শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে। দলটি জামায়াতের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে এবং সংখ্যালঘু নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক সহযোগিতার বিষয়ে তুলনামূলক সংযত বার্তা দিচ্ছে। বিশ্লেষকদের অভিমত, সাম্প্রতিক সৌজন্য সাক্ষাৎ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে পারে, তবে সম্পর্কের স্থায়ী রূপ নির্ভর করবে ভবিষ্যৎ সরকার, নীতি ও পারস্পরিক আস্থার ওপর।