রাজনীতি

উজিরপুরে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন

Icon
বরিশাল
প্রকাশঃ ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬

দীর্ঘ প্রায় ১৮ মাস পর বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ–এর প্রধান কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে চরম উত্তেজনা দেখা দেয়।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, কে বা কারা গভীর রাতে নিষিদ্ধ ঘোষিত দলটির কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে চলে গেছে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ভোরে অজ্ঞাতনামা কয়েকজন ব্যক্তি কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন করেন। পরে বিকেল থেকে আত্মগোপনে থাকা উপজেলা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা ওই পতাকা উত্তোলনের ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেন।

এ ঘটনার পর এলাকায় বিরোধী রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানা গেছে।

রাজনীতি

আরও দেখুন
মেঘমল্লার বসুর আত্মহত্যার চেষ্টা!

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মেঘমল্লার বসু আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন বলে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। শুক্রবার দুপুরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর ছাত্র রাজনীতির অঙ্গনে এবং বিশ্ববিদ্যালয় পাড়ায় গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। কেন তিনি এমন চরম পথ বেছে নিলেন, তা নিয়ে এখনও রহস্য কাটেনি। বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক জাবির আহমেদ জুবেল এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে, মেঘমল্লার বসু বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী তার শারীরিক অবস্থা এখন কিছুটা স্থিতিশীল। তবে ঠিক কী কারণে তিনি এই মর্মান্তিক পদক্ষেপ নিয়েছেন, সে বিষয়ে তার সহকর্মী বা সংগঠন থেকে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ এখনও জানানো হয়নি।

নিখাদ খবর ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0

উজিরপুরে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন

হাসনাত আবদুল্লাহ

চাঁদা নিতে আসলে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখার নির্দেশ এমপি হাসনাতের

বগুড়া–৬ আসন ছাড়লেন তারেক রহমান

আফরোজা রিতা
মন্ত্রীসভায় কি থাকবেন আফরোজা রিতা?

দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় পর মানিকগঞ্জের রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলার তিনটি আসনেই বিএনপির ভূমিধস জয়ের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের টানা ১৬ বছরের আধিপত্যের অবসান হয়েছে। এতে জেলার রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হলেও এখন আলোচনার কেন্দ্রে—নতুন মন্ত্রিসভায় মানিকগঞ্জ থেকে কেউ স্থান পাবেন কি না। ২০০৮ সালের আগে মানিকগঞ্জে চারটি সংসদীয় আসন থাকলেও সীমানা পুনর্নির্ধারণের পর তা কমে তিনটি হয়। পরবর্তী সময়ে ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে জেলার সব আসন আওয়ামী লীগের দখলে ছিল। ওই সময়ে মানিকগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদ মালেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ও পরে পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, যা জেলার প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক প্রভাব বাড়ায়। এর আগে বিএনপি সরকারের সময় মানিকগঞ্জ থেকে একাধিক মন্ত্রী ছিলেন। ফলে জেলাটি দীর্ঘদিন ধরেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় প্রতিনিধিত্ব পেয়ে আসছে—যা স্থানীয় রাজনৈতিক প্রত্যাশাকে আরও জোরালো করেছে। ২০০৮ সালের পর মানিকগঞ্জে বিএনপি সাংগঠনিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়লেও নেতৃত্বে আসেন প্রয়াত হারুনার রশিদ খান মুন্নুর কন্যা আফরোজা খানম রিতা। তিনি জেলা বিএনপির দায়িত্ব পালন করেন এবং আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। দলীয় সূত্রে জানা যায়, রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে তিনি নানামুখী চাপের মুখেও রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াননি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস–এর নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপি মানিকগঞ্জের তিনটি আসনেই জয়ী হয়। এর মাধ্যমে দলটি জেলার ঐতিহ্যগত ঘাঁটি পুনরুদ্ধার করে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মানিকগঞ্জে দীর্ঘদিন মন্ত্রী থাকার একটি রাজনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব রয়েছে। বিএনপির একাংশ মনে করে, আফরোজা খানম রিতাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হলে তা হবে ত্যাগের স্বীকৃতি। তবে মন্ত্রিসভা গঠনে আঞ্চলিক ভারসাম্য ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে। মানিকগঞ্জে বিএনপির নতুন যাত্রা শুরু হলেও এই অর্জন ধরে রাখা এবং উন্নয়ন প্রত্যাশা পূরণ করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। মন্ত্রিসভায় প্রতিনিধিত্ব সেই প্রক্রিয়ায় কতটা ভূমিকা রাখবে—সেটিই এখন দেখার বিষয়।

মানিকগঞ্জ ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0

এনসিপি যমুনায় আজ সন্ধ্যায় জুলাই সনদে স্বাক্ষর করবে

সন্ধ্যায় চরমোনাই পীরের বাসায় যাবেন তারেক রহমান

নাহিদ ও সারজিসকে বুকে টেনে নিলেন তারেক রহমান

ছবি: প্রতিনিধি
“কৃষককে অসম্মান করা মানে বাবাকে অপমান করা”: ড. শফিকুর রহমান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় আমীর ডা. শফিকুর রহমান এমপি বলেছেন, “আমি কোনো ধনী পরিবারে জন্ম নিইনি। আল্লাহর রহমতে আমি একজন কৃষক পরিবারের সন্তান। তাই কৃষক-শ্রমিকদের সম্মান না করলে তা আমার বাবাকে অপমান করার শামিল।” রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার শিমুলবাক দক্ষিণহাটি এলাকায় জামায়াত সমর্থক শাহ আলমের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও স্মরণসভায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, “সাধারণ মানুষকে সম্মান করা আমার ঈমানি দায়িত্ব। কৃষক-শ্রমিকরা কঠোর পরিশ্রম করে হালাল রুজি উপার্জন করেন। তাদের ঘামের গন্ধ আমার কাছে আতরের মতো। অনেক সময় দেখি কেউ কেউ গরিব মানুষের সঙ্গে হাত মেলানোর পর আড়ালে গিয়ে হাত মুছে ফেলেন—আমি তা করি না; আমি সেই ঘামকে সম্মানের চোখে দেখি।” ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, “আমি দুই শ্রেণির মানুষের সান্নিধ্যে বিশেষ আনন্দ পাই—একদল নিষ্পাপ শিশু, যাদের কাছে গেলে ফেরেশতার সান্নিধ্যের অনুভূতি হয়; আরেকদল দিনমজুর ও শ্রমজীবী মানুষ, যারা রক্ত-ঘাম ঝরিয়ে পরিবারের মুখে হালাল খাবার তুলে দেন।” স্মরণসভায় তিনি শাহ আলমের পরিবারের দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে বলেন, “আমি যতদিন সংগঠনের দায়িত্বে আছি, ততদিন এই দায়িত্ব পালন করব। ভবিষ্যতে যারা দায়িত্বে আসবেন, তারাও তা পালন করবেন বলে আশা রাখি।” ইটনার স্মরণসভা শেষে কটিয়াদী সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভা থেকে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত নিকলীর ছাতিরচরের আব্দুস ছালামের পরিবারের সঙ্গেও তিনি সাক্ষাৎ করেন। স্মরণসভায় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি ড. সামিউল হক ফারুকী, জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক মো. রমজান আলী, কাপাসিয়ার নবনির্বাচিত এমপি সালাউদ্দিন আইয়ুবী, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা নাজমুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি শামছুল আলম সেলিম, ঢাকা উত্তর মহানগর জামায়াতের মজলিসে শুরা সদস্য অ্যাডভোকেট রোকন রেজা শেখ, জেলা অমুসলিম সেক্রেটারি কৃষ্ণচন্দ্র বণিকসহ জেলা-উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। উল্লেখ্য, গত ৩ ফেব্রুয়ারি কটিয়াদী সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি এর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। ওই জনসভা শেষে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় আব্দুস ছালাম (৬০) নামে এক কর্মী নিহত হন। এ ছাড়া ৮ ফেব্রুয়ারি ইটনা মিনি স্টেডিয়ামে আয়োজিত আরেকটি নির্বাচনি সমাবেশে যাওয়ার পথে স্ট্রোকে শাহ আলম (৫০) নামে এক সমর্থকের মৃত্যু হয়।

কিশোরগঞ্জ ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা পারস্পরিক শুভেচ্ছায় প্রকাশ করলেন রাজনৈতিক সৌহার্দ্য

ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিশাঙ্কা

শেরপুর সদর-১ আসনে ‘ভোট কারচুপি’র অভিযোগ বিএনপি প্রার্থীর

৪১ বছরে ইতিহাস! নাটোর-১ আসনে সর্বকনিষ্ঠ নারী এমপি পুতুলের জয়

0 Comments