আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রচারণা চললেও টাঙ্গাইল জেলা তথ্য অফিসের কার্যক্রম চোখে পড়েনি। জেলা জুড়ে ভোটার সচেতনতার জন্য কোনো মাইকিং, ডিজিটাল ডিসপ্লে বা ব্যানার দেখা যায়নি। এতে সাধারণ মানুষ বিশেষত গ্রামীণ অঞ্চলের ভোটাররা গণভোট ও ভোটদানের নিয়মাবলী সম্পর্কে অবহিত নয়।
স্থানীয়রা জানান, জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান ঘুরে দেখা গেছে, তথ্য অফিসের পক্ষ থেকে গণভোটের সমর্থনে বা তথ্যবহুল প্রচারণা তেমন দেখা যায়নি। কিছু নির্বাচনী ব্যানার ও প্রচারণা হয়েছে কেবল সদর উপজেলার দুই-তিনটি স্থানে। গ্রামীণ ভোটাররা জানেন না হ্যাঁ বা না ভোটের প্রভাব কী হতে পারে।
জেলা তথ্য অফিসের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা তাহলিমা জান্নাত বলেন, তারা সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী তৃণমূল পর্যায়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন। তবে জেলা ও উপজেলার বাইরে কার্যকর কোনো প্রচারণা করা হয়নি।
সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ তাজুল ইসলাম জানান, ৩৬০টি ব্যানার ও এক লাখ ৮০ হাজার লিফলেট বরাদ্দ পাওয়া গেছে। ব্যানারগুলো জেলা ও উপজেলা সদরে টানানো হয়েছে, এবং লিফলেট দ্রুত বিতরণ করা হবে।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত এবং ব্যাপক প্রচারণার মাধ্যমে জনগণকে গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করা না হলে ভোটে অংশগ্রহণের হার নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত হতে পারে।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর-এর অভিযানে বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে ৫টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। রোববার দুপুরে অধিদপ্তরের বাগেরহাট জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক শরীফা সুলতানা উপজেলার ফয়লাবাজার এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে ইফতার সামগ্রীতে ক্ষতিকর রং ব্যবহার, মিষ্টির দোকানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং মুদি দোকানে টেক্সটাইল রং বিক্রির মতো অপরাধের প্রমাণ পাওয়া যায়। এসব অভিযোগে সংশ্লিষ্ট পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়। শরীফা সুলতানা জানান, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণের লক্ষ্যে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি ব্যবসায়ীদের আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনার আহ্বান জানান। অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়লে বাজারের অন্যান্য অসাধু ব্যবসায়ীদের মধ্যে ভীতি ছড়িয়ে পড়ে।
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার শিলন্দিয়া গ্রাম-এ দিনমজুর মুজাম্মেল হক মল্লিকের বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডে ২১টি ছাগল ও ২টি গাভী পুড়ে মারা গেছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টার দিকে ঘটে যাওয়া এই অগ্নিকাণ্ডে পরিবারটির একমাত্র বসতঘরও সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, গোয়ালঘরে জ্বালানো মশার কয়েল থেকে আগুনের সূত্রপাত হওয়া সম্ভব। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে গিয়ে গোয়ালঘর, বসতঘর ও সব গবাদিপশী পুড়ে যায়। পার্শ্ববর্তী গৌরনদী ফায়ার সার্ভিসের দমকল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছান, কিন্তু রাস্তা দূরত্ব ও ভাঙা থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। ভুক্তভোগী মুজাম্মেল হক মল্লিক বলেন, “আমার সব শেষ হয়ে গেছে। কষ্ট করে গরু-ছাগল পালতাম। এটাই ছিল আমাদের জীবিকার সম্বল। এখন কিছুই রইল না।” প্রত্যক্ষদর্শী শাহরিয়ার নাফিজ বলেন, “মশার কয়েল থেকে আগুন ছড়াতে পারে। আমরা চেষ্টা করেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারিনি। মুজাম্মেল ভাইয়ের ক্ষতি আমাদেরকেও ব্যথিত করেছে।” ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, “প্রত্যন্ত অঞ্চলের রাস্তা খারাপ হওয়ায় দ্রুত পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। গোয়ালঘরের সব গবাদিপশী একাকার হয়ে গেছে। বিষয়টি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক।” প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, এই অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর, মালামাল ও গবাদিপশীসহ প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে আকাশপথে জরুরি বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। কাতার এয়ারওয়েজ কাতারের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণার পর সব ধরনের ফ্লাইট কার্যক্রম স্থগিত করেছে। একইসঙ্গে টার্কিশ এয়ারলাইনস কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, লেবানন, সিরিয়া, ইরাক, ইরান ও জর্ডানগামী ফ্লাইট বাতিলের ঘোষণা দিয়েছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ইরানে সামরিক হামলার ঘটনা ঘটে, যা দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম নিশ্চিত করেছে। রাজধানীসহ কয়েকটি শহরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে জানানো হয়। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েলের দিকেও হামলা চালানোর দাবি উঠেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রগুলো তাদের আকাশসীমা ব্যবহারে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। তবে সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, হতাহতের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।