বাংলাদেশ

নীলফামারীতে আগাম জাতের সরিষায় বাম্পার ফলন

Icon
নীলফামারী প্রতিনিধি>
প্রকাশঃ জানুয়ারী ২০, ২০২৬

নীলফামারীর কৃষকরা এখন আগাম জাতের সরিষা ঘরে তুলতে ব্যস্ত। কম সময়ে ভালো ফলন ও দাম পাওয়ায় এই চাষে তাদের আগ্রহ বেড়েছে। আগাম জাতের সরিষা করে বাম্পার ফলন পেয়েছে কৃষক। আলু চাষে লোকসানের কারণে অনেক কৃষক এখন সরিষা চাষে ঝুঁকছেন। কারণ এতে খরচ কম এবং লাভও বেশি হয়। 
সরকারি প্রণোদনা, অনুকূল আবহাওয়া ও উন্নত জাতের কারণে বাম্পার ফলনের আশা করছেন চাষীরা। সাধারণত ডিসেম্বরের মধ্যভাগ থেকে জানুয়ারি মাস পর্যন্ত মাঠ থেকে সরিষা তুলে বাড়ির উঠোনে গাদি করে রাখেন কয়েকদিন। বেশী পেঁকে গেলে সরিষার দানা ফেটে গিয়ে প্রচুর অপচয় হয়। তাই কৃষকরা আধাপাঁকা অবস্থায় সরিষা সংগ্রহ করেন। কিছুদিন রাখার পর সোনালী রঙে পূর্ণ হলে তখন মাড়াই করেন। তাই নীলফামারীর কৃষকরা আগাম জাতের সরিষা তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এই ফসল স্বল্প সময়ে ভালো ফলন ও উচ্চ বাজারমূল্য পাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে এর চাহিদা বাড়ছে, বিশেষ করে সরকারি সহায়তা, উন্নত বীজ ও অনুকূল আবহাওয়ার কারণে সরিষায় বাম্পার ফলন হয়েছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে ৬টি উপজেলায় আগাম জাতের সরিষা বারী-০৯, ১৪, ১৫ ও ১৮ এবং টোরী -০৭ জাতের সরিষা নীলফামারী জেলায় চাষাবাদ করা হয়েছে। এবারে গোটা জেলায় ৯ হাজার ২৩ হেক্টর জমিতে সরিষার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। যা এ পর্যন্ত অতিরিক্ত প্রায় দেড় হাজার হেক্টর জমিতে সরিষা চাষাবাদ হয়েছে। বাম্পার ফলনের কারণে কৃষকের মুখে হাসি ফুঁটে উঠেছে। এই এলাকায় গত বছর চাষাবাদযোগ্য বিস্তর জমিতে আলু চাষাবাদ করে লোকসানের মুখে পড়ে অনেকে। তাই ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা সরিষা চাষাবাদে ঝুঁকেছে। জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের নারী উদ্যোক্তা চাষী শামিমা নাসরিন জানান, প্রতি বছর প্রায় সব জমিতে আলু চাষ করতাম। আলুর দরপতনের কারণে তিন বিঘা জমিতে আগাম জাতের সরিষা চাষ করেছি। বাম্পার ফলন হয়েছে। মাঠ থেকে ফসল তুলে উঠোনে গাদি করে রেখেছি। এর মধ্যে মাড়াই করব। আশা করি বিঘা প্রতি পাঁচ থেকে ছয় মণ পর্যন্ত সরিষার ফলন হবে। নীলফামারী সদর ইউনিয়নের কঢ়ুকাটা ইউনিয়নের মানুষগড়া গ্রামের সরিষা চাষী মোসফিকুর রহমান জানান, আমি প্রতিবছর সরিষার চাষাবাদ করি। এবারে আগাম করে ফলন খুব ভালো পেয়েছি। নিরানী, সেচ, সার, মাড়াই খরচ বাদ দিয়েও স্বল্প সময়ে ভালো লাভ আসে সরিষায়। জ্বালানীর জন্য সরিষা গাছের খড়ের জুড়ি নেই। সংসারে বড় কাজে আসে। বাড়ীরও খাঁটি ভোজ্য তেলের চাহিদা পূরণ হয়। এ জন্যই আমি প্রতিবছর সরিষা চাষাবাদ করি। উপশী জাতের ধান কাটার পরেই আগাম জাতের সরিষা রোপণ করেছিলাম। 
নীলফামারী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপচালক মো. মঞ্জুর রহমান জানান, আমরা প্রণোদনার আওতায় কৃষকদের উন্নতমানের বীজ সরবরাহ করেছি। জেলায় উপশি জাতের চাষাবাদ ব্যাপক হয়। স্বল্প খরচে কৃষকরা সরিষা চাষাবাদ করতে পারেন। ধান কাটার ১৫ দিন আগে বিঘা প্রতি দেড় কেজি পর্যন্ত ধানক্ষেতে সরিষা বীজ ছিটিয়ে দিলে সিক্ত জমিতে সরিষা হয়। এতে সেচ ও নিরানী অনেক সময় প্রয়োজন হয় না। ধান কাটলেও ছোট সরিষার গাছের কোনো ক্ষতি হয় না। এতে খরচও সাশ্রয় হয় এবং আগাম বাম্পার ফলন পাওয়া যায়।

বাংলাদেশ

আরও দেখুন
ছবি: প্রতিনিধি
সাজা শেষের আগেই প্রাণ ঝরল যুবকের, সীমান্তে ফিরল লাশ হয়ে

  শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার নাকুগাঁও সীমান্তে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) এক হৃদয়বিদারক ঘটনার সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় দেড় বছর কারাভোগ শেষে দেশে ফেরার কথা থাকলেও জীবিত নয়, মরদেহ হয়ে ফিরলেন বরগুনা সদরের সবেজ হাওলাদারের ছেলে শিপন হাওলাদার। দুপুরে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে তার মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় সীমান্ত এলাকায় শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়। জানা গেছে, প্রায় ১৯ মাস আগে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন শিপন। পরে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী তাকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। আদালতের রায়ে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে তাকে কারাদণ্ড দিয়ে তুরা কারাগারে পাঠানো হয়। সূত্র জানায়, চলতি মাসের ২৮ এপ্রিল তার সাজা শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে এর আগেই গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) তার মরদেহ দেশে ফেরত আনা হয়। পরিবারের জন্য এটি এক অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে দেখা দিয়েছে।  

শেরপুর প্রতিনিধি> এপ্রিল ২১, ২০২৬ 0

রাজশাহী মেডিকেলে চিকিৎসা অবহেলায় রোগী মৃত্যুর অভিযোগে দুইজন আটক, ইন্টার্নদের কর্মবিরতি

ছবি: প্রতিনিধি

নীলফামারীতে ক্যাশলেস সেবায় পুবালী ব্যাংক

ছবি: প্রতিনিধি

ফরিদপুরে অষ্টসাধুর স্মরণে কর্নেল তাহের মঞ্চের শ্রদ্ধাঞ্জলি

ছবি: প্রতিনিধি
সৈয়দপুরের ২২টি বিহারি ক্যাম্পে বিদ্যুৎ বকেয়া ৬৭ কোটি টাকা, অবৈধ সংযোগ বাড়ছেই

  নীলফামারীর সৈয়দপুরে বিহারি ক্যাম্পগুলোতে বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে বিপুল বকেয়া ও অবৈধ সংযোগের কারণে নেসকোতে জটিল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। নেসকো সূত্রে জানা গেছে, শহরের ২২টি ক্যাম্পে স্থাপিত ২৪টি সরকারি মিটার থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৫০ লাখ টাকার বিদ্যুৎ ব্যবহার হলেও নিয়মিত বিল পরিশোধ হচ্ছে না। চলতি এপ্রিল পর্যন্ত বকেয়া দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬৭ কোটি টাকা। ২০১৬ সাল পর্যন্ত এই ক্যাম্পগুলোর বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। পরে নাগরিকত্ব ও ভোটাধিকার পাওয়ার পর ক্যাম্পবাসীদের নিজ নিজ বিল পরিশোধের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর থেকেই বকেয়া দ্রুত বাড়তে থাকে। সরেজমিনে দেখা যায়, সরকারি মিটার থাকলেও ক্যাম্পের ভেতরে ব্যাপকভাবে অবৈধ সংযোগ ব্যবহার করা হচ্ছে। অনেক ঘরে সরাসরি লাইনের সঙ্গে সংযোগ নিয়ে বিদ্যুৎ ব্যবহার চলছে, যা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে বলে অভিযোগ। স্থানীয় সূত্র বলছে, অবৈধ সংযোগ সচল রাখতে অনিয়মিত লোড ব্যবস্থাপনা করা হয়, ফলে বিদ্যুৎ অপচয় ও নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ছে। ঘনবসতিপূর্ণ এসব ক্যাম্পে ছোট কক্ষেই একাধিক ফ্যান, লাইট, টিভি ও ফ্রিজ ব্যবহার করা হলেও বেশিরভাগ সংযোগই মিটারবিহীন। নেসকো সৈয়দপুর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আলিমুল ইসলাম সেলিম জানান, কেন্দ্রীয় মিটার থাকলেও পৃথক মিটার বসাতে গেলে বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা নিয়ে কাজ করতে হলেও পরিস্থিতি অনেক সময় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তিনি বলেন, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে কিছু অগ্রগতি হলেও বাসাবাড়ি পর্যায়ে মিটার স্থাপন এখনো বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। দীর্ঘদিন বিনা বিল ব্যবহারের অভ্যাস সমস্যাকে আরও জটিল করেছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং সমাধানে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।  

সৈয়দপুর, নীলফামারী এপ্রিল ২১, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তিনদিন বন্ধ থাকবে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের কার্যক্রম

নরসিংদীতে ২ ঘন্টার ব্যবধানে দুটি মরদেহ উদ্ধার

ছবি: প্রতিনিধি

সুন্দরবনে কুখ্যাত বনদস্যু ছোট সুমন বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড আটক

ভোরে রাজধানীসহ দেশজুড়ে ভূকম্পন অনুভূত

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভোরের দিকে অনুভূত হওয়া ভূকম্পনকে মাঝারি মাত্রার বলে নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর, তবে এতে কোনো তাৎক্ষণিক ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল ৬টা ২৯ মিনিটে সংঘটিত এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল মণিপুর, যা রাজধানী ঢাকার প্রায় ৪৩৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫, যা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প হিসেবে বিবেচিত। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে কম্পন অনুভূত হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং জনসাধারণের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা জরুরি পরিস্থিতির উদ্ভব হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ২১, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

সৈয়দপুরে সুবিধাবঞ্চিত ১৭০ জন শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

ছবি: প্রতিনিধি

হামের টিকা নিয়ে বিগত সরকারের ব্যার্থতা ছিল, এই ব্লেমগেম আমরা খেলতে চাইনা: পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী

ছবি: প্রতিনিধি

ফকিরহাটের নবনিযুক্ত ইউএনও কে এনসিপি নেতৃবৃন্দের ফুলেল শুভেচ্ছা

0 Comments