নরসিংদী রায়পুরায় সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ সাইফুর রহমান ও তার সাথে থাকা লোকজনের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় প্রকৌশলীসহ আহত হয়েছে অন্তত ৩ জন।
সোমবার (২ মার্চ) বিকেল আনুমানিক সাড়ে তিনটার সময় উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের নীলকুঠি মেশিনঘর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে সরকারি প্রকৌশলী মোঃ সাইফুর রহমান বাদী হয়ে ৩ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা ৫/৭ জনকে আসামি করে রায়পুরা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর মামলার এজারভুক্ত একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মামলায় অভিযুক্তরা হলেন, মির্জাপুর ইউনিয়নের মাহমুদাবাদ নামাপাড়া মেশিনঘর এলাকার মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে ফায়েজ উদ্দিন (৫৬), আফিল উদ্দিন (৫০), রাফি উদ্দিন (৪৮)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ঢাকা-সিলেট করিডোর সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সড়কে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি বসানোর কাজ করার সময় লাইনম্যান সোহেলকে হুমকি প্রদান করে অভিযুক্তরা। পরে পল্লী বিদ্যুতের ঠিকাদার জাফর সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. সাইফুর রহমানকে অবগত করলে ঘটনাস্থলে যান মো. সাইফুর রহমান। সেখানে যাওয়া মাত্রই প্রকৌশলীর ড্রাইভার মোহাম্মদ বাচ্চু মিয়ার উপর অতর্কিত হামলা করে অভিযুক্তরা। পরে এক পর্যায়ে অভিযুক্ত আফিল উদ্দিন তার হাতে থাকার লোহার রড দিয়ে প্রকৌশলী সাইফুর রহমানের মাথায় সজোরে আঘাত করে হেলমেট ভেঙ্গে ফেলে। এ সময় তাকে বাঁচাতে ড্রাইভার সহ অন্যান্য কর্মীরা এগিয়ে আসলে তাদেরকেও মারধর করা হয়। একই সাথে তাদেরকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে ফিরে আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা শেষে থানা একটি মামলা দায়ের করেন।
পল্লী বিদ্যুতের লাইনম্যান সোহেল জানিয়েছেন, দুপুরে ঘটনাস্থলে আমরা গিয়ে কাজ করতে থাকলে অভিযুক্তরা আমাদের সাথে কথা কাটাকাটি করে। একপর্যায়ে আমার গলায় তারা দা ধরে। সেখানে শুধুমাত্র তারা তিন ভাই আমাদের উপর আক্রমণ চালায়।
তাদের অভিযোগ রাস্তা করার জন্য সরকার তাদের কাছে যে জায়গা নিয়েছে সে জায়গার মূল্য তারা পায়নি ফলে তারা সেখানে আমাদেরকে কাজ করতে দিবে না। যদি আমরা সেখানে কাজ করি তারা আমাদেরকে মারধোর ও মেরে ফেলার পর্যন্ত হুমকি দেয়। তবে আমরা যতদূর জানি তাদেরকে টাকা দিয়ে দেওয়া হয়েছে। সে টাকায় তারা অন্যত্র বাড়ির কাজও করছে।
ভিডিও বক্তব্যতে নিজের ব্যক্তিগত সমস্যা রয়েছে জানিয়ে অডিও বক্তব্য দিয়েছেন হামলায় আহত সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো: সাইফুর রহমান। তিনি বলেন, বিদ্যুতের লোকজন সেখানে কাজ করতে গেলে প্রথমে তারা (অভিযুক্তরা) তাদের উপর আক্রমণ করে। পরে খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে পল্লী বিদ্যুতের লোকজনের সাথে কথা বলা অবস্থায় তারা আমার এবং আমার ড্রাইভার এর উপর আক্রমণ চালায়। পরবর্তীতে আমি সেখান থেকে ফিরে রায়পুরার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা নিয়ে রায়পুরা থানায় একটি মামলা দায়ের করি।
রায়পুরা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মজিবুর রহমান জানান, এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সন্ধ্যায় মাহমুদাবাদ থেকে মামলার এজারভুক্ত ২ নাম্বার আসামি মোঃ আফিল উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়েছে। অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
নরসিংদী রায়পুরায় সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ সাইফুর রহমান ও তার সাথে থাকা লোকজনের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় প্রকৌশলীসহ আহত হয়েছে অন্তত ৩ জন। সোমবার (২ মার্চ) বিকেল আনুমানিক সাড়ে তিনটার সময় উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের নীলকুঠি মেশিনঘর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে সরকারি প্রকৌশলী মোঃ সাইফুর রহমান বাদী হয়ে ৩ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা ৫/৭ জনকে আসামি করে রায়পুরা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর মামলার এজারভুক্ত একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলায় অভিযুক্তরা হলেন, মির্জাপুর ইউনিয়নের মাহমুদাবাদ নামাপাড়া মেশিনঘর এলাকার মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে ফায়েজ উদ্দিন (৫৬), আফিল উদ্দিন (৫০), রাফি উদ্দিন (৪৮)। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ঢাকা-সিলেট করিডোর সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সড়কে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি বসানোর কাজ করার সময় লাইনম্যান সোহেলকে হুমকি প্রদান করে অভিযুক্তরা। পরে পল্লী বিদ্যুতের ঠিকাদার জাফর সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. সাইফুর রহমানকে অবগত করলে ঘটনাস্থলে যান মো. সাইফুর রহমান। সেখানে যাওয়া মাত্রই প্রকৌশলীর ড্রাইভার মোহাম্মদ বাচ্চু মিয়ার উপর অতর্কিত হামলা করে অভিযুক্তরা। পরে এক পর্যায়ে অভিযুক্ত আফিল উদ্দিন তার হাতে থাকার লোহার রড দিয়ে প্রকৌশলী সাইফুর রহমানের মাথায় সজোরে আঘাত করে হেলমেট ভেঙ্গে ফেলে। এ সময় তাকে বাঁচাতে ড্রাইভার সহ অন্যান্য কর্মীরা এগিয়ে আসলে তাদেরকেও মারধর করা হয়। একই সাথে তাদেরকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে ফিরে আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা শেষে থানা একটি মামলা দায়ের করেন। পল্লী বিদ্যুতের লাইনম্যান সোহেল জানিয়েছেন, দুপুরে ঘটনাস্থলে আমরা গিয়ে কাজ করতে থাকলে অভিযুক্তরা আমাদের সাথে কথা কাটাকাটি করে। একপর্যায়ে আমার গলায় তারা দা ধরে। সেখানে শুধুমাত্র তারা তিন ভাই আমাদের উপর আক্রমণ চালায়। তাদের অভিযোগ রাস্তা করার জন্য সরকার তাদের কাছে যে জায়গা নিয়েছে সে জায়গার মূল্য তারা পায়নি ফলে তারা সেখানে আমাদেরকে কাজ করতে দিবে না। যদি আমরা সেখানে কাজ করি তারা আমাদেরকে মারধোর ও মেরে ফেলার পর্যন্ত হুমকি দেয়। তবে আমরা যতদূর জানি তাদেরকে টাকা দিয়ে দেওয়া হয়েছে। সে টাকায় তারা অন্যত্র বাড়ির কাজও করছে। ভিডিও বক্তব্যতে নিজের ব্যক্তিগত সমস্যা রয়েছে জানিয়ে অডিও বক্তব্য দিয়েছেন হামলায় আহত সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো: সাইফুর রহমান। তিনি বলেন, বিদ্যুতের লোকজন সেখানে কাজ করতে গেলে প্রথমে তারা (অভিযুক্তরা) তাদের উপর আক্রমণ করে। পরে খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে পল্লী বিদ্যুতের লোকজনের সাথে কথা বলা অবস্থায় তারা আমার এবং আমার ড্রাইভার এর উপর আক্রমণ চালায়। পরবর্তীতে আমি সেখান থেকে ফিরে রায়পুরার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা নিয়ে রায়পুরা থানায় একটি মামলা দায়ের করি। রায়পুরা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মজিবুর রহমান জানান, এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সন্ধ্যায় মাহমুদাবাদ থেকে মামলার এজারভুক্ত ২ নাম্বার আসামি মোঃ আফিল উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়েছে। অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
নরসিংদীর মাধবদীতে কিশোরীকে হত্যার ঘটনায় বিএনপি নেতাসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, মহিষাসুরা ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি আহম্মদ আলী দেওয়ান, তার ছেলে ইমরান দেওয়ান, ধর্ষক নূরার চাচাতো ভাই মোহাম্মদ আইয়ুব এবং এবায়দুল্লাহ। স্থানীয় সূত্র থেকে জানা গেছে, ১৫ দিন আগে নূরার নেতৃত্বে ছয়জন বখাটে কিশোরীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। এই ঘটনায় স্থানীয় মেম্বার ও ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি আহম্মদ আলী দেওয়ান বিচার করার দায়িত্ব নেন। তবে অভিযোগ উঠেছে, তিনি অপরাধীদের সঙ্গে রফাদফা করে মোটা অংকের অর্থ আত্মসাৎ করেন এবং কোনো বিচার না করেই ঘটনাটি ধামাচাপা দেন। পাশাপাশি ধর্ষিতার পরিবারকে গ্রাম ছাড়তে চাপ প্রয়োগ করা হয়। ঘটনার বিচার না হওয়ায় অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। ১৫ দিন পর বখাটে চক্রটি ভিকটিম কিশোরীকে তার বাবার সামনে থেকেই ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে তাকে পুনরায় গণধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করে মহিষাশুরা ইউনিয়নের কোতালিরচর দড়িকান্দীর একটি সরিষা ক্ষেত্রে ফেলে রাখে।
রাজশাহী নগরীতে পূর্ববিরোধের জেরে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতে এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আনুমানিক দেড়টার দিকে মহানগরীর শাহমখদুম থানা এলাকার পবা রাইসমিলপাড়া মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মো. সাব্বির (২১) স্থানীয় শাহিন ইসলামের ছেলে। তিনি পারিবারিক হোটেল ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, একই এলাকার বাসিন্দা মো. জাসন (২৫) নামের এক ব্যক্তি তাকে ছুরিকাঘাত করেন। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মাদকাসক্তি ও এলাকায় বিশৃঙ্খল আচরণের অভিযোগ রয়েছে বলে প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন। ঘটনার পর গুরুতর আহত অবস্থায় সাব্বিরকে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, বুকে গভীর আঘাতের কারণে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণেই তার মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের মধ্যে বিরূপ সম্পর্ক চলছিল। এর আগের দিন ভুক্তভোগীর পিতাকে মারধরের অভিযোগও রয়েছে। শাহমখদুম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফারুক হোসেন বলেন, অভিযুক্ত পলাতক রয়েছে; তাকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে। এ ঘটনায় প্রাসঙ্গিক ধারায় হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।