মানিকগঞ্জ-১ আসন দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। এখানে টানা পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন বিএনপির প্রয়াত মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ার হোসেন। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলেছে।
নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে যায়। ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর জয় হলেও বিতর্ক থাকলেও, ২০২৪ সালে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হন।
এবার আসনে মোট সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মাঠ পর্যায়ের পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, মূল লড়াই সীমাবদ্ধ থাকবে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এস এ জিন্নাহ কবির ও স্বতন্ত্র প্রার্থী তোজাম্মেল হক তোজার মধ্যে। তোজা ‘ঘোড়া’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন। তিনি দৌলতপুর উপজেলার চরাঞ্চলের বাসিন্দা হওয়ায় চরাঞ্চলের ভোটারদের মধ্যে বাড়তি সমর্থন পাচ্ছেন।
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এস এ জিন্নাহ কবিরও মাঠে পিছিয়ে নেই। দলীয় নেতাকর্মী ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তিনি প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয় নেতারা মনে করেন, চরাঞ্চলের ভোট এবং প্রার্থীদের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা এই আসনের ফলাফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এবারের নির্বাচনে চরাঞ্চলের ভোট, প্রার্থীর ব্যক্তিগত সুনাম ও দলীয় সংগঠনের শক্তি মিলিয়ে জয়-পরাজয় নির্ধারণ করবে। আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে মানিকগঞ্জ-১ আসনে আগ্রহ ও উত্তাপ বাড়ছে।
নীলফামারী-৪ আসনে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী মোঃ সিদ্দিুকুল আলম সন্ত্রাসবিরোধী মামলার আসামী ও আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনী প্রচারে নেমেছে। জাপা প্রার্থী হেঁটে হেঁটে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণার সময় সামনের কাতারে থাকা সন্ত্রাসবিরোধী মামলার আসামী, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক হোসেন জনগণকে হাত তুলে ভোট চেয়েছেন। ফারুক হোসেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য, ইউপি আওয়ামী লীগ সভাপতি ও কিশোরগঞ্জ থানার সন্ত্রাসী মামলার ৩৮ নং আসামী। উপজেলা জামায়াতের আমীর মোঃ আব্দুর রশিদ শাহ্ বলেন, আমরা প্রথম থেকেই লক্ষ্য করছি জাপা প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচার প্রচারণায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছে। এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ লুৎফর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই। সন্ত্রাসবিরোধী মামলার আসামী নির্বাচনী প্রচারণায় থাকলে তার কপালে তো সে সন্ত্রাসবিরোধী মামলার আসামী সেটি লেখা নেই। তথ্য দিন আমরা তথ্য উপাত্ত’র ভিত্তিতে গ্রেফতার করবো। উল্লেখ্য যে, রাষ্ট্র ও সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানোর পাশাপাশি প্রধান উপদেষ্টার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও মানহানিকর তথ্য প্রচার ও রাষ্ট্র বিরোধী ঘড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকার অভিযোগে গত ৪ জুন ২০২৫ তারিখ কিশোরগঞ্জ থানায় ৪৪ জনের নাম উল্লেখ্য করে ও আরও অজ্ঞাত ১৫০ থেকে ২০০ জনের নামে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের হয়। সেই মামলার ৩৮ নম্বর আসামী এই আওয়ামীলীগ নেতা ফারুক হোসেন।
মানিকগঞ্জ-১ আসন দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। এখানে টানা পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন বিএনপির প্রয়াত মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ার হোসেন। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলেছে। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে যায়। ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর জয় হলেও বিতর্ক থাকলেও, ২০২৪ সালে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হন। এবার আসনে মোট সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মাঠ পর্যায়ের পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, মূল লড়াই সীমাবদ্ধ থাকবে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এস এ জিন্নাহ কবির ও স্বতন্ত্র প্রার্থী তোজাম্মেল হক তোজার মধ্যে। তোজা ‘ঘোড়া’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন। তিনি দৌলতপুর উপজেলার চরাঞ্চলের বাসিন্দা হওয়ায় চরাঞ্চলের ভোটারদের মধ্যে বাড়তি সমর্থন পাচ্ছেন। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এস এ জিন্নাহ কবিরও মাঠে পিছিয়ে নেই। দলীয় নেতাকর্মী ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তিনি প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয় নেতারা মনে করেন, চরাঞ্চলের ভোট এবং প্রার্থীদের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা এই আসনের ফলাফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এবারের নির্বাচনে চরাঞ্চলের ভোট, প্রার্থীর ব্যক্তিগত সুনাম ও দলীয় সংগঠনের শক্তি মিলিয়ে জয়-পরাজয় নির্ধারণ করবে। আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে মানিকগঞ্জ-১ আসনে আগ্রহ ও উত্তাপ বাড়ছে।
জামায়াতে ইসলামী আমীর ডা. শফিকুর রহমান ২৭ জানুয়ারি খুলনা সার্কিট হাউস ময়দানে নির্বাচনী জনসভায় ভাষণ দেবেন। জনসভা আয়োজন করছে খুলনা মহানগরী ও জেলা জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় কমিটি। হেলিকপ্টারযোগে যশোর হয়ে খুলনায় পৌঁছাবেন তিনি এবং খুলনা সভা শেষে বাগেরহাটে অংশ নেবেন। রোববার (২৫ জানুয়ারি) খুলনা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মহানগরী আমীর ও খুলনা-৩ আসনের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান জানান, জনসভা সফল করতে ১৫টি উপ-কমিটি গঠন করা হয়েছে। ৪০×৩০ ফুট মঞ্চ নির্মাণ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং নারীদের জন্য আলাদা বসার জায়গা নিশ্চিত করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও কেএমপির অনুমতি নেওয়া হয়েছে। জনসভায় লক্ষাধিক মানুষের উপস্থিতি আশা করা হচ্ছে। সভায় বিশেষ অতিথি থাকবেন জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, ছাত্রশিবির সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম এবং খুলনার অন্যান্য আসনের জামায়াত ও ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত প্রার্থীরা। সভাপতিত্ব করবেন খুলনা-৩ আসনের প্রার্থী অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান। সংবাদ সম্মেলনে খুলনা-৩ প্রার্থী অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষ ভোটারদের ভয় দেখাচ্ছে, ভোট কেনার চেষ্টা করছে এবং সরকারি লোগো ব্যবহার করে কার্ড বিতরণ করছে। নারীদের নির্বাচনী কাজে বাধা দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, এসব আচরণ নির্বাচনী বিধির লঙ্ঘন এবং নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে। তিনি আরও জানান, মাদক ও সন্ত্রাসজনিত অপরাধ রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। নেতৃবৃন্দ সার্কিট হাউস ময়দানের মঞ্চ ও মাঠ পরিদর্শন করেছেন এবং খুলনাবাসীর সহযোগিতা কামনা করেছেন।