বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান আগামী ২৭ জানুয়ারি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখবেন। রোববার (২৫ জানুয়ারি) জেলা জামায়াত শহরের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল বলেন, জনসভা বেলা ১২টায় সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। এতে জেলার চারটি সংসদীয় আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থীরা উপস্থিত থেকে নির্বাচনী কর্মসূচি ও পরিকল্পনা তুলে ধরবেন। মুকুল আরও বলেন, জনসভা শান্তিপূর্ণ ও সফলভাবে আয়োজনের জন্য দলীয় নেতাকর্মী, সাংবাদিক ও প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।
জামায়াতে ইসলামী আমীর ডা. শফিকুর রহমান ২৭ জানুয়ারি খুলনা সার্কিট হাউস ময়দানে নির্বাচনী জনসভায় ভাষণ দেবেন। জনসভা আয়োজন করছে খুলনা মহানগরী ও জেলা জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় কমিটি। হেলিকপ্টারযোগে যশোর হয়ে খুলনায় পৌঁছাবেন তিনি এবং খুলনা সভা শেষে বাগেরহাটে অংশ নেবেন। রোববার (২৫ জানুয়ারি) খুলনা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মহানগরী আমীর ও খুলনা-৩ আসনের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান জানান, জনসভা সফল করতে ১৫টি উপ-কমিটি গঠন করা হয়েছে। ৪০×৩০ ফুট মঞ্চ নির্মাণ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং নারীদের জন্য আলাদা বসার জায়গা নিশ্চিত করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও কেএমপির অনুমতি নেওয়া হয়েছে। জনসভায় লক্ষাধিক মানুষের উপস্থিতি আশা করা হচ্ছে। সভায় বিশেষ অতিথি থাকবেন জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, ছাত্রশিবির সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম এবং খুলনার অন্যান্য আসনের জামায়াত ও ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত প্রার্থীরা। সভাপতিত্ব করবেন খুলনা-৩ আসনের প্রার্থী অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান। সংবাদ সম্মেলনে খুলনা-৩ প্রার্থী অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষ ভোটারদের ভয় দেখাচ্ছে, ভোট কেনার চেষ্টা করছে এবং সরকারি লোগো ব্যবহার করে কার্ড বিতরণ করছে। নারীদের নির্বাচনী কাজে বাধা দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, এসব আচরণ নির্বাচনী বিধির লঙ্ঘন এবং নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে। তিনি আরও জানান, মাদক ও সন্ত্রাসজনিত অপরাধ রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। নেতৃবৃন্দ সার্কিট হাউস ময়দানের মঞ্চ ও মাঠ পরিদর্শন করেছেন এবং খুলনাবাসীর সহযোগিতা কামনা করেছেন।
বাগেরহাট-৩ (রামপাল–মোংলা) আসনে জামায়াতে ইসলামী ও ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মাওলানা শেখ আব্দুল ওয়াদুদ রবিবার (২৫ জানুয়ারি) রামপাল উপজেলার পেড়িখালি ইউনিয়নের ফুলপুকুর মাঠে নির্বাচনী জনসভা করেছেন। তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মাধ্যমে ভোট প্রার্থনা করেন। জনসভা পেড়িখালি ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমীর গোলাম মাওলার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট মাওলানা শেখ আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, “আগামীর বাংলাদেশ হবে ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমাজব্যবস্থার দেশ। রামপাল–মোংলার সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমি আজীবন সংগ্রাম চালিয়ে যাব।” তিনি আরও বলেন, দুর্নীতি, বৈষম্য ও অনিয়মমুক্ত সমাজ গঠনে ইসলামী মূল্যবোধভিত্তিক নেতৃত্বের বিকল্প নেই। জনসভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মো. ইকবাল হোসাইন ও শেখ মোহাম্মদ ইউনুস। এছাড়া বক্তব্য দেন এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মোল্লা রহমতুল্লাহ, রামপাল উপজেলা এনসিপির সমন্বয়ক মো. মাজিদুর রহমান জুয়েল, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর আলহাজ মল্লিক আব্দুল হাই, সেক্রেটারি মাওলানা জিহাদুজ্জামান জিহাদ, মোংলা উপজেলা জামায়াতের আমীর মো. কোহিনুর সরদার, সাবেক ছাত্রশিবির নেতা মো. আসাদুজ্জামান আছাদ, মুক্তিযোদ্ধা রাজু আহমেদ, ছাত্রশিবির নেতা আহমদুল্লাহ ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। বক্তারা নির্বাচনী জনসভায় দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে ইসলামী মূল্যবোধভিত্তিক, সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য সকল স্তরের জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।
পঞ্চগড়ে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা শফিকুর রহমান বলেছেন, আমাদের কাছে কোন কার্ড নেই, আপনারাই আমাদের কার্ড। আপনাদের বুকে আমরা ভালবাসার কার্ড চাই। জনগনের ট্যাক্সের টাকায় পরের ধনে পোদ্দারি এ আমরা করবো না। তিনি শুক্রবার দুপুরে পঞ্চগড়ের চিনিকল মাঠে জেলা জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় এমন্তব্য করেন। এসময় জামায়াত আমির বলেন, যারা চুরি করে বিদেশে ২৮ লক্ষ কোটি টাকা পাচার করে নিয়ে গেছেন তাদের পেটের ভেতরে হাত ঢুকিয়ে বের করে আনবো ইনশাআল্লাহ। আমরা কারো উপর বোঝা চাপিয়ে দিতে চাইনা। আমরা দেশের যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে চাই। তাদের বেকার হতে দেবো না। শফিকুর রহমান বলেন, উত্তরাঞ্চলের মাটি উর্বর কিন্তু উত্তরাঞ্চলকে ষড়যন্ত্র করে বঞ্চিত করে রাখা হয়েছে। বলা হচ্ছে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া এবার আর নয়। এবার তেঁতুলিয়া থেকে টেকনাফ শ্লোগান হবে। উত্তরাঞ্চলকে আর পিছিয়ে রাখা যাবে না। উত্তরাঞ্চলের উপর দিয়ে চারটি নদী গেছে। নদীগুলো শুকিয়ে মরুভূমি হয়ে গেছে। জামায়াত আমির বলেন, ওরা ৫ বছরে একবার দরদের হান্ডিতে জাল দেয় আর উথলায়া ওঠে। আর বাকী সাড়ে ৪ বছর তাদের আর হারিকেন জ্বালিয়ে পাওয়া যায় না। কিছু কিছু মানুষ বসন্তের কোকিলের মত কুহুকুহু করছে। ভোট পেলে তাদের এলাকায় পাওয়া যাবে না। পরে জামায়াত আমির ডা শফিকুর রহমান জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও পঞ্চগড় ১ আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী সারজিস আলমের হাতে শাপলা কলি ও পঞ্চগড় ২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী সফিউল আলম সূফীর হাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দিয়ে ভোট চান। একই সাথে তাদের নির্বাচিত করতে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান। এসময় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দল হাকিম, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি জাগপার সহসভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান সহ ১০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা বক্তব্য রাখেন। এর আগে, জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে বিভিন্ন যানবাহন ও পায়ে হেঁটে জনসভাস্থলে আসেন জোটের নেতাকর্মীরা। মুহুর্তেই জনসভাস্থল জনসমুদ্রে পরিণিত হয়। তিঁল ধারণের ঠাঁই ছিলনা পুরো চিনিকল মাঠে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান আগামী ২৭ জানুয়ারি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখবেন। রোববার (২৫ জানুয়ারি) জেলা জামায়াত শহরের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল বলেন, জনসভা বেলা ১২টায় সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। এতে জেলার চারটি সংসদীয় আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থীরা উপস্থিত থেকে নির্বাচনী কর্মসূচি ও পরিকল্পনা তুলে ধরবেন। মুকুল আরও বলেন, জনসভা শান্তিপূর্ণ ও সফলভাবে আয়োজনের জন্য দলীয় নেতাকর্মী, সাংবাদিক ও প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।
জামায়াতে ইসলামী আমীর ডা. শফিকুর রহমান ২৭ জানুয়ারি খুলনা সার্কিট হাউস ময়দানে নির্বাচনী জনসভায় ভাষণ দেবেন। জনসভা আয়োজন করছে খুলনা মহানগরী ও জেলা জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় কমিটি। হেলিকপ্টারযোগে যশোর হয়ে খুলনায় পৌঁছাবেন তিনি এবং খুলনা সভা শেষে বাগেরহাটে অংশ নেবেন। রোববার (২৫ জানুয়ারি) খুলনা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মহানগরী আমীর ও খুলনা-৩ আসনের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান জানান, জনসভা সফল করতে ১৫টি উপ-কমিটি গঠন করা হয়েছে। ৪০×৩০ ফুট মঞ্চ নির্মাণ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং নারীদের জন্য আলাদা বসার জায়গা নিশ্চিত করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও কেএমপির অনুমতি নেওয়া হয়েছে। জনসভায় লক্ষাধিক মানুষের উপস্থিতি আশা করা হচ্ছে। সভায় বিশেষ অতিথি থাকবেন জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, ছাত্রশিবির সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম এবং খুলনার অন্যান্য আসনের জামায়াত ও ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত প্রার্থীরা। সভাপতিত্ব করবেন খুলনা-৩ আসনের প্রার্থী অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান। সংবাদ সম্মেলনে খুলনা-৩ প্রার্থী অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষ ভোটারদের ভয় দেখাচ্ছে, ভোট কেনার চেষ্টা করছে এবং সরকারি লোগো ব্যবহার করে কার্ড বিতরণ করছে। নারীদের নির্বাচনী কাজে বাধা দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, এসব আচরণ নির্বাচনী বিধির লঙ্ঘন এবং নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে। তিনি আরও জানান, মাদক ও সন্ত্রাসজনিত অপরাধ রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। নেতৃবৃন্দ সার্কিট হাউস ময়দানের মঞ্চ ও মাঠ পরিদর্শন করেছেন এবং খুলনাবাসীর সহযোগিতা কামনা করেছেন।
বাগেরহাট-৩ (রামপাল–মোংলা) আসনে জামায়াতে ইসলামী ও ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মাওলানা শেখ আব্দুল ওয়াদুদ রবিবার (২৫ জানুয়ারি) রামপাল উপজেলার পেড়িখালি ইউনিয়নের ফুলপুকুর মাঠে নির্বাচনী জনসভা করেছেন। তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মাধ্যমে ভোট প্রার্থনা করেন। জনসভা পেড়িখালি ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমীর গোলাম মাওলার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট মাওলানা শেখ আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, “আগামীর বাংলাদেশ হবে ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমাজব্যবস্থার দেশ। রামপাল–মোংলার সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমি আজীবন সংগ্রাম চালিয়ে যাব।” তিনি আরও বলেন, দুর্নীতি, বৈষম্য ও অনিয়মমুক্ত সমাজ গঠনে ইসলামী মূল্যবোধভিত্তিক নেতৃত্বের বিকল্প নেই। জনসভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মো. ইকবাল হোসাইন ও শেখ মোহাম্মদ ইউনুস। এছাড়া বক্তব্য দেন এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মোল্লা রহমতুল্লাহ, রামপাল উপজেলা এনসিপির সমন্বয়ক মো. মাজিদুর রহমান জুয়েল, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর আলহাজ মল্লিক আব্দুল হাই, সেক্রেটারি মাওলানা জিহাদুজ্জামান জিহাদ, মোংলা উপজেলা জামায়াতের আমীর মো. কোহিনুর সরদার, সাবেক ছাত্রশিবির নেতা মো. আসাদুজ্জামান আছাদ, মুক্তিযোদ্ধা রাজু আহমেদ, ছাত্রশিবির নেতা আহমদুল্লাহ ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। বক্তারা নির্বাচনী জনসভায় দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে ইসলামী মূল্যবোধভিত্তিক, সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য সকল স্তরের জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।
পঞ্চগড়ে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা শফিকুর রহমান বলেছেন, আমাদের কাছে কোন কার্ড নেই, আপনারাই আমাদের কার্ড। আপনাদের বুকে আমরা ভালবাসার কার্ড চাই। জনগনের ট্যাক্সের টাকায় পরের ধনে পোদ্দারি এ আমরা করবো না। তিনি শুক্রবার দুপুরে পঞ্চগড়ের চিনিকল মাঠে জেলা জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় এমন্তব্য করেন। এসময় জামায়াত আমির বলেন, যারা চুরি করে বিদেশে ২৮ লক্ষ কোটি টাকা পাচার করে নিয়ে গেছেন তাদের পেটের ভেতরে হাত ঢুকিয়ে বের করে আনবো ইনশাআল্লাহ। আমরা কারো উপর বোঝা চাপিয়ে দিতে চাইনা। আমরা দেশের যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে চাই। তাদের বেকার হতে দেবো না। শফিকুর রহমান বলেন, উত্তরাঞ্চলের মাটি উর্বর কিন্তু উত্তরাঞ্চলকে ষড়যন্ত্র করে বঞ্চিত করে রাখা হয়েছে। বলা হচ্ছে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া এবার আর নয়। এবার তেঁতুলিয়া থেকে টেকনাফ শ্লোগান হবে। উত্তরাঞ্চলকে আর পিছিয়ে রাখা যাবে না। উত্তরাঞ্চলের উপর দিয়ে চারটি নদী গেছে। নদীগুলো শুকিয়ে মরুভূমি হয়ে গেছে। জামায়াত আমির বলেন, ওরা ৫ বছরে একবার দরদের হান্ডিতে জাল দেয় আর উথলায়া ওঠে। আর বাকী সাড়ে ৪ বছর তাদের আর হারিকেন জ্বালিয়ে পাওয়া যায় না। কিছু কিছু মানুষ বসন্তের কোকিলের মত কুহুকুহু করছে। ভোট পেলে তাদের এলাকায় পাওয়া যাবে না। পরে জামায়াত আমির ডা শফিকুর রহমান জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও পঞ্চগড় ১ আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী সারজিস আলমের হাতে শাপলা কলি ও পঞ্চগড় ২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী সফিউল আলম সূফীর হাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দিয়ে ভোট চান। একই সাথে তাদের নির্বাচিত করতে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান। এসময় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দল হাকিম, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি জাগপার সহসভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান সহ ১০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা বক্তব্য রাখেন। এর আগে, জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে বিভিন্ন যানবাহন ও পায়ে হেঁটে জনসভাস্থলে আসেন জোটের নেতাকর্মীরা। মুহুর্তেই জনসভাস্থল জনসমুদ্রে পরিণিত হয়। তিঁল ধারণের ঠাঁই ছিলনা পুরো চিনিকল মাঠে।