স্বাস্থ্য

নতুন ভাইরাসের আতঙ্ক: কীভাবে বাঁচবেন আপনি ও আপনার পরিবার?

Icon
আয়ান তাহরিম
প্রকাশঃ জুন ২৮, ২০২৫
নতুন ভাইরাসের আতঙ্ক: কীভাবে বাঁচবেন আপনি ও আপনার পরিবার?
নতুন ভাইরাসের আতঙ্ক: কীভাবে বাঁচবেন আপনি ও আপনার পরিবার?

বিশ্ব এখন আবার এক অজানা ভাইরাসের আতঙ্কে। কোভিড-১৯ এর দুঃসহ অভিজ্ঞতা এখনও সবার মনে তাজা। সেই রকমই আরেকটি ভাইরাসের সংক্রমণের খবর পাওয়া যাচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে। যদিও এর নাম, প্রকৃতি ও বিস্তার এখনও সম্পূর্ণভাবে জানা যায়নি, তবে বিজ্ঞানীরা বলছেন এটি সংক্রমণযোগ্য এবং মানুষের জীবনধারায় নতুন করে প্রভাব ফেলতে পারে।

এই নতুন ভাইরাস মূলত সর্দি, জ্বর, গলা ব্যথা ও ক্লান্তি দিয়ে শুরু হয়। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্ট, বমি, কিংবা দীর্ঘস্থায়ী দুর্বলতা দেখা যাচ্ছে। চিকিৎসকরা এখনো নিশ্চিত করে কিছু বলতে না পারলেও এ নিয়ে চলছে গবেষণা। তবে সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিমধ্যেই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে—আবার কি লকডাউন আসছে? আবার কি স্কুল-কলেজ বন্ধ হয়ে যাবে? মাস্ক, স্যানিটাইজার, দূরত্ব—সব আবার শুরু?

এমন আতঙ্কের সময় সবচেয়ে প্রয়োজন সচেতনতা ও প্রস্তুতি। আতঙ্কিত না হয়ে আমাদের উচিত তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং পরিবারকে সুরক্ষিত রাখার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস গড়ে তোলা।

প্রথমেই আসি ব্যক্তিগত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে। ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো বারবার সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, বিশেষ করে বাইরে থেকে এসে, খাবার খাওয়ার আগে ও পরে। অ্যালকোহল-ভিত্তিক হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারও উপকারী। চোখ, মুখ ও নাক বারবার স্পর্শ না করাই ভালো, কারণ এখান থেকেই ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করতে পারে।

মাস্ক পরার অভ্যাস আবার গুরুত্ব পাচ্ছে। বিশেষ করে জনসমাগমপূর্ণ জায়গায় গেলে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করা উচিত। এতে শুধু নিজেকে নয়, অন্যদেরও রক্ষা করা যায়। মনে রাখা দরকার, ভাইরাস বাহক ব্যক্তি নিজে অসুস্থ না হলেও অন্যকে সংক্রমিত করতে পারে।

পর্যাপ্ত পানি পান করা, পুষ্টিকর খাবার খাওয়া, পর্যাপ্ত ঘুম—এই সবগুলোই শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। ঘরে যদি ছোট বাচ্চা বা বৃদ্ধ কেউ থাকে, তাদের আরও বেশি যত্ন নেওয়া প্রয়োজন, কারণ এদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে দুর্বল।

যাদের মধ্যে উপসর্গ দেখা দিচ্ছে, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ না নেওয়াই ভালো। অনেক সময় গুজব বা সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো ভুল তথ্য মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। তাই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO), দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কিংবা স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগের দেওয়া তথ্য অনুসরণ করাই সর্বোত্তম।

এছাড়া অফিস বা স্কুল-কলেজ কর্তৃপক্ষেরও উচিত প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণে কঠোরতা আরোপ করা। যদি ভাইরাসটির প্রকোপ বাড়ে, তবে সরকার কর্তৃক নির্দেশিত নির্দেশিকা মানা জরুরি হবে। সবাই মিলে যদি সচেতনভাবে এগিয়ে আসে, তবে ভয় নয়, বরং দায়িত্ব নিয়েই এই সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব।

সবশেষে বলা যায়—নতুন ভাইরাসের আতঙ্ক সত্য, কিন্তু আতঙ্কিত হয়ে ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া আরও ভয়াবহ হতে পারে। স্বাস্থ্যবিধি মানা, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক দায়িত্ব পালন—এই তিনটি পথই আমাদের রক্ষা করতে পারে।

আপনার সচেতনতা মানেই আপনার পরিবারের নিরাপত্তা। আমরা যদি সবাই সচেতন থাকি, তবে একসঙ্গে এই সংকটও অতিক্রম করা সম্ভব।

স্বাস্থ্য

আরও দেখুন
অবিবাহিত তরুণ-তরুণীদের  মধ্যে বাড়ছে এইচআইভি সংক্রমণ, প্রয়োজন সচেতনতা

দেশে তরুণ ও অবিবাহিতদের মধ্যে এইচআইভি সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত ১ হাজার ৮৯১ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে, যাদের মধ্যে ২১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। জাতীয় এইডস ও এসটিডি নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঝুঁকিপূর্ণ যৌন আচরণ, ইনজেক্টেবল ড্রাগ ব্যবহার, কনডমসহ সুরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার না করা এবং যৌন স্বাস্থ্য সম্পর্কে অজ্ঞতা তরুণদের মধ্যে সংক্রমণের প্রধান কারণ। বিশেষজ্ঞরা সামাজিক লজ্জা ভাঙা, প্রজনন স্বাস্থ্য শিক্ষা জোরদার এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করার মাধ্যমে এই হারের নিয়ন্ত্রণে আহ্বান জানিয়েছেন। ঢাকার হাসপাতালের চিকিৎসাধীন এক তরুণ জানান, “অন্যের ব্যবহৃত সুচের ঝুঁকি আমি জানতাম না; জানলে কখনোই তা করতাম না।” অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বলেন, নিয়মিত ওষুধ নিলে এইডস আক্রান্ত ব্যক্তি স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন, তবে সামাজিক ভীতি ও লজ্জার কারণে অনেকেই চিকিৎসা শুরু করতে দেরি করছেন। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেন, প্রযুক্তি, নগরায়ণ ও সামাজিক পরিবর্তনের কারণে তরুণদের যৌন আগ্রহ বেড়েছে, কিন্তু যৌন স্বাস্থ্য সচেতনতা কম থাকায় সংক্রমণ আরও ত্বরান্বিত হচ্ছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
ফেরদৌস আরা

শোক সংবাদ

স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বড় রূপান্তর: ‘স্বাস্থ্য–খাত সংস্কার’ ও শরীরে ‘পাখি–ফ্লু’ আঘাত

ডেঙ্গুর প্রভাব বাড়ছে, সতর্ক থাকার পরামর্শ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের

মেটালযুক্ত ত্বক ফর্সাকারী ক্রিমে স্বাস্থ্যঝুঁকি, হুঁশিয়ারি বিশেষজ্ঞদের

দেশে ব্যাপকভাবে প্রচলিত ত্বক ফর্সাকারী ক্রিমে মেটাল বা ভারী ধাতব উপাদান ব্যবহারের কারণে ত্বক ও কিডনিসহ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা সর্তকতা জারি করেছেন এবং দ্রুত নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। সম্প্রতি বাংলাদেশ ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) এক পরীক্ষায় দেখা গেছে, বাজারে পাওয়া বেশ কিছু নামিদামি ফেয়ারনেস ক্রিমে পারদ (Mercury), সিসা (Lead), আরসেনিক (Arsenic) এবং ক্যাডমিয়াম (Cadmium)-এর মতো ক্ষতিকর উপাদান অনুমোদিত সীমার বহু গুণ বেশি পরিমাণে রয়েছে।   চিকিৎসকদের উদ্বেগ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চর্ম ও যৌন রোগ বিভাগের অধ্যাপক ডা. ফারহানা পারভীন বলেন, “এসব ক্রিমের ব্যবহারে ত্বক ফর্সা হওয়া তো দূরের কথা, বরং তা ত্বকের স্থায়ী ক্ষত, চুলকানি, ফুসকুড়ি ও পিগমেন্টেশনের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদে এগুলো কিডনি ও স্নায়ুতন্ত্রের ওপরও প্রভাব ফেলে।” তিনি আরও জানান, অনেক নারী দীর্ঘদিন এসব ক্রিম ব্যবহারের পর ত্বকের স্বাভাবিক রঙ হারিয়ে ফেলছেন, আবার কেউ কেউ গুরুতর সংক্রমণের শিকার হচ্ছেন।   বাজারে অনিয়ন্ত্রিত পণ্য বাজারে অনেক পণ্য বিদেশি ব্র্যান্ডের নামে বাজারজাত করা হলেও তাদের যথাযথ নিবন্ধন নেই। কিছু ক্রিমের গায়ে উপাদানের উল্লেখ থাকলেও তা ভুয়া বা ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়।   ভুক্তভোগীদের অভিজ্ঞতা নারায়ণগঞ্জের গার্মেন্টসকর্মী সালমা খাতুন বলেন, “টিভি বিজ্ঞাপনে দেখে একটা ক্রিম কিনেছিলাম। কয়েকদিন ব্যবহারের পর মুখে জ্বালা-পোড়া শুরু হয়। পরে ডাক্তার দেখিয়ে জানতে পারি তাতে ক্ষতিকর রাসায়নিক ছিল।”   বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ চর্মরোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ত্বক ফর্সাকারী পণ্যে আকৃষ্ট না হয়ে প্রাকৃতিক পরিচর্যায় গুরুত্ব দেওয়া উচিত। ত্বক ভিন্ন ভিন্ন কারণে কালচে হতে পারে—তাই সঠিক রোগ নির্ণয় ছাড়া যেকোনো ক্রিম ব্যবহার বিপজ্জনক।   সরকারি অবস্থান ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, ইতোমধ্যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং অচিরেই বাজার থেকে ক্ষতিকর ক্রিমগুলো জব্দ করা হবে। পাশাপাশি, ভোক্তাদের সচেতন করার জন্য গণমাধ্যমে প্রচার চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

জানিফ হাসান জুন ৯, ২০২৫ 0

বাড়ছে শিশুদের মধ্যে হাঁপানির প্রকোপ, চিকিৎসকরা বলছেন দূষণ দায়ী

নতুন ভাইরাসের আতঙ্ক: কীভাবে বাঁচবেন আপনি ও আপনার পরিবার?

নতুন ভাইরাসের আতঙ্ক: কীভাবে বাঁচবেন আপনি ও আপনার পরিবার?

করোনা পরবর্তী জটিলতায় বাড়ছে মানসিক রোগীর সংখ্যা

তুলসি পাতার ৫টি আশ্চর্য স্বাস্থ্যগুণ

হাজার বছর ধরে উপমহাদেশের আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা ও ঘরোয়া পথ্য ব্যবস্থায় তুলসি পাতা এক অবিচ্ছেদ্য নাম। তুলসি শুধু একটি গাছ নয়—এটি স্বাস্থ্য, উপকারিতা ও আধ্যাত্মিকতার এক অনন্য প্রতীক। বৈজ্ঞানিক গবেষণাও প্রমাণ করেছে যে তুলসিতে রয়েছে এমন কিছু উপাদান, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো থেকে শুরু করে হৃদরোগ প্রতিরোধ পর্যন্ত বিস্তৃত।   নিচে তুলে ধরা হলো তুলসি পাতার পাঁচটি উল্লেখযোগ্য স্বাস্থ্যগুণ, যা প্রতিটি ঘরে জানার মতো।   ১. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় তুলসি পাতায় থাকা প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (ইমিউনিটি) বাড়াতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে সিজনাল ফ্লু, ঠান্ডা-কাশি বা ভাইরাস সংক্রমণের সময় নিয়মিত তুলসি পাতা সেবন করলে শরীর অনেক বেশি প্রতিরোধক্ষম হয়। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) এক গবেষণায় দেখা গেছে, তুলসি চায়ের নিয়মিত গ্রহণ ৪৫% পর্যন্ত সাধারণ ঠান্ডাজনিত রোগের ঝুঁকি কমাতে পারে।   ২. মানসিক চাপ ও উদ্বেগ কমায় তুলসি পাতার সুগন্ধ ও উপাদান মস্তিষ্কে ‘কর্টিসল’ হরমোনের নিঃসরণ কমায়, যা মানসিক চাপ কমাতে সহায়ক। অনেকে তুলসিকে ‘ন্যাচারাল অ্যাডাপ্টোজেন’ বলে থাকেন, কারণ এটি শরীরকে মানসিক চাপের সঙ্গে মানিয়ে নিতে সাহায্য করে। চিকিৎসকরা বলছেন, প্রতিদিন সকালে খালি পেটে তুলসি পাতা চিবালে বা তুলসি চা পান করলে সারাদিন মন শান্ত ও সতেজ থাকে।   ৩. রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য তুলসি একটি উপকারী প্রাকৃতিক সহায়ক। তুলসি পাতা ইনসুলিন নিঃসরণে সাহায্য করে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। তবে এটি কোনো ওষুধের বিকল্প নয়—পরামর্শ অনুযায়ী খাবারের সঙ্গে তুলসি পাতা গ্রহণ করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। ভারতের ‘জার্নাল অব ক্লিনিকাল হেরবাল মেডিসিন’-এ প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা যায়, ৬ সপ্তাহ তুলসি পাতা সেবনের ফলে টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়।   ৪. শ্বাসতন্ত্রের রোগে কার্যকর তুলসি পাতায় থাকা ইউজেনল ও সাইনোল নামক উপাদান কাশি, হাঁপানি, ব্রঙ্কাইটিসসহ নানা শ্বাসতন্ত্রের রোগে উপকারী হিসেবে কাজ করে। বিশেষ করে ঠান্ডা লাগা, গলায় খুশখুশ ভাব বা শ্বাসকষ্টের সময় তুলসি পাতার রস মধুর সঙ্গে খেলে উপশম মেলে। গ্রামাঞ্চলে তুলসি পাতা, আদা ও গোল মরিচ দিয়ে তৈরি পানীয় ‘কাড়া’ এখনো ব্যাপক জনপ্রিয়।   ৫. ত্বক ও চুলের যত্নে সহায়ক তুলসি পাতার অ্যান্টি-ফাঙ্গাল ও অ্যান্টি-সেপটিক উপাদান ত্বকের ব্রণ, ফুসকুড়ি ও চুলকানি প্রতিরোধে সাহায্য করে। এছাড়া তুলসি চুলের গোড়া মজবুত করে ও খুশকি দূর করে। অনেক হোমমেড ফেসপ্যাক ও হেয়ার মাস্কে তুলসি পাতা গুঁড়ো বা রস ব্যবহার করা হয়। নিয়মিত ব্যবহারে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়।

জানিফ হাসান জুন ১১, ২০২৫ 0

প্রতিদিন মাত্র ৩০ মিনিট হাঁটার অভ্যাস বদলে দিতে পারে জীবন

0 Comments