শিরোনাম
দুই বছর পর হরিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চালু হলো জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন
দুই বছর পর হরিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চালু হলো জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন

দীর্ঘ দুই বছর পর ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরকারিভাবে পুনরায় চালু হয়েছে জলাতঙ্ক প্রতিষেধক (এআরভি) ভ্যাকসিন সরবরাহ। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সংসদ সদস্য ডা. আব্দুস সালামের উদ্যোগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে ভ্যাকসিনের বরাদ্দ নিশ্চিত করা হয়েছে।

হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত দুই বছর ধরে হরিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জলাতঙ্কের ভ্যাকসিনের সরবরাহ বন্ধ ছিল। এ সময়ে কুকুর, বিড়াল বা শিয়ালের কামড়ে আহত রোগীদের বাইরের ফার্মেসি থেকে ভ্যাকসিন কিনে নিতে হতো। এতে বিশেষ করে নিম্নআয়ের পরিবারগুলো আর্থিকভাবে সমস্যার মুখে পড়ত।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, বিষয়টি নিয়ে সংসদ সদস্য ডা. আব্দুস সালাম স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলে সম্প্রতি হাসপাতালে পুনরায় ভ্যাকসিন সরবরাহ শুরু হয়।

ভ্যাকসিন সরবরাহ চালু হওয়ার পর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা রোগীরা এ সেবা গ্রহণ করছেন। সম্প্রতি চিকিৎসাসেবা পাওয়া রোগীদের মধ্যে রয়েছেন কাঠালডাঙ্গী ঝাড়বাড়ী এলাকার লতিফুরের স্ত্রী জান্নাতুন (১৭), ডাঙ্গীপাড়ার শাহিনের দুই বছরের সন্তান মুন্তাকিন এবং তারবাগান এলাকার রুবেলের পাঁচ বছরের সন্তান নুর ইসলাম।

হরিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. আসাদুজ্জামান বলেন, “দীর্ঘদিন পর সরকারি উদ্যোগে আমাদের হাসপাতালে পুনরায় জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন সরবরাহ শুরু হয়েছে। ভ্যাকসিন আসার পর এ পর্যন্ত ২৮ জন রোগীকে এই সেবা দেওয়া হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “বাইরের বাজারে প্রতিটি ভ্যাকসিনের দাম প্রায় ৫০০ টাকা। সে হিসাবে এখন পর্যন্ত রোগীদের প্রায় ৪২ হাজার টাকার বেশি ব্যয় সাশ্রয় হয়েছে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় রোগীরা সময়মতো বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পাচ্ছেন। ভবিষ্যতেও ভ্যাকসিনের সরবরাহ অব্যাহত থাকবে বলে আমরা আশা করছি।”