জাতীয়

নির্বাচনী পরিবেশ অনুকূলে, মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল শুরু

Icon
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশঃ জানুয়ারী ৫, ২০২৬
এ এম এম নাসির উদ্দিন
এ এম এম নাসির উদ্দিন

নির্বাচনী পরিবেশ অনুকূলে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করতে সক্ষম হবে বলে তারা আশাবাদী।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে মনোনয়ন বাতিল সংক্রান্ত আপিল গ্রহণের জন্য স্থাপিত বুথ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, মনোনয়ন বাছাইয়ের শেষ দিন রোববার (৪ জানুয়ারি) পর্যন্ত ৩০০ সংসদীয় আসনের বিপরীতে ৭২৩ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। এসব সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল কার্যক্রম চলবে আগামী ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত।
প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিলে ৭টি নির্দেশনা মানতে হবে—
১. আপিল আবেদন কমিশনকে সম্বোধন করে স্মারকলিপি আকারে (নির্ধারিত ফরমেটে) দায়ের করতে হবে।
২. আপিল দায়েরকালে মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাতিলের তারিখ, আপিলের কারণ সংবলিত বিবৃতি এবং মনোনয়নপত্র বাতিল বা গ্রহণ আদেশের সত্যায়িত কপি দাখিল করতে হবে।
৩. আপিল আবেদনের ১টি মূল কপিসহ সর্বমোট সাতটি কপি দাখিল করতে হবে।
৪. আপিল আবেদন ইসির আপিল গ্রহণ সংক্রান্ত কেন্দ্রে স্ব স্ব অঞ্চলের নির্ধারিত বুথে জমা দিতে হবে।
৫. আপিল আবেদন ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারির মধ্যে দায়ের করতে হবে।
৬. আপিল কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত বা রায়ের কপির জন্য নির্ধারিত ফরমে আবেদন দাখিল করতে হবে। ফরমের নমুনা নির্বাচন কমিশনে আপিল দায়ের সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় বুথ থেকে সংগ্রহ করা যাবে।
৭. আপিল দায়েরকারী অথবা আপিল দায়েরকারী পক্ষে মনোনীত ব্যক্তি আপিলের রায়ের কপি সংগ্রহ করতে পারবেন।
আপিল দায়ের করতে নির্বাচন ভবন চত্বরে দশটি অঞ্চলের জেলার জন্য ১০টি বুথ রয়েছে—
১নং বুথে খুলনা অঞ্চলের জেলা সমূহ: মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, যশোর, মাগুরা, নড়াইল, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা।
২নং বুথে রাজশাহী অঞ্চলের জেলা সমূহ: জয়পুরহাট, বগুড়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, রাজশাহী, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, পাবনা।
৩নং বুথে রংপুর অঞ্চলের জেলা সমূহ: পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা।
৪নং বুথে চট্টগ্রাম অঞ্চলের জেলা সমূহ: চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান।
৫নং বুথে কুমিল্লা অঞ্চলের জেলা সমূহ: ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, চাঁদপুর, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর।
৬নং বুথে সিলেট অঞ্চলের জেলা সমূহ: সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ।
৭নং বুথে ঢাকা অঞ্চলের জেলা সমূহ: টাংগাইল, কিশোরগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, ঢাকা, গাজীপুর, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ।
৮নং বুথে ময়মনসিংহ অঞ্চলের জেলা সমূহ: জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা।
৯নং বুথে বরিশাল অঞ্চলের জেলা সমূহ: বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, ঝালকাঠি, পিরোজপুর।
১০নং বুথে ফরিদপুর অঞ্চলের জেলা সমূহ: রাজবাড়ী, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর।

যুবলীগ নেতা বাপ্পির পরিকল্পনাতেই খুন হয় হাদি

যুবলীগ নেতা ও সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি ও ফয়সাল করিম মাসুদসহ ১৭ জনকে আসামি করে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্ববায়ক শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার অভিযোগপত্র দিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ।  মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিকেলে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলছেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর এবং ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পির ‘পরিকল্পনাতেই’ হাদিকে হত্যা করা হয়। শফিকুল ইসলাম বলেন, তদন্তে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলেই চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। চার্জশিট দেওয়া ১৭ জনের মধ্যে ১২ জন গ্রেফতার এবং পাঁচজন পলাতক রয়েছে বলে তিনি জানান। ভারতীয় আধিপত্যবাদবিরোধী জুলাই বিপ্লবী ওসমান হাদিকে গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানী ঢাকার রাস্তায় প্রকাশ্যে গুলি করে দুই সন্ত্রাসী। গত ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।  

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

এনইআইআর সেবা গ্রহণে সতর্ক থাকার নির্দেশ বিটিআরসির

ওবায়দুল কাদের

ওবায়দুল কাদেরসহ ১৫ জনের বিদেশযাত্রায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা

ছবি: সংগৃহীত

চাঁদাবাজির মামলায় আলোচিত তাহরিমা সুরভীর জামিনে মুক্ত

গুম হওয়া ২৫১ জনের মধ্যে ৯৬% বিরোধী দলের সদস্য

গণ-অভ্যুত্থানের আগে আওয়ামী লীগের দেড় দশকের শাসনকালীন সময়ে ১ হাজার ৫৬৯টি গুমের ঘটনা নিশ্চিত করেছে গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এদের মধ্যে ২৫১ জন এখনও নিখোঁজ, যাদের মৃত বলে ধরা হচ্ছে। এছাড়া সময়সীমা অতিক্রমের পর আরও ৩৬ জনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। কমিশন নিশ্চিত করেছে, অভিযোগ যাচাই-বাছাই শেষে অন্তত ২৮৭টি মৃত্যু সরাসরি গুমের সঙ্গে সম্পর্কিত। কমিশনের তথ্যমতে, ১ হাজার ৯১৩টি অভিযোগের মধ্যে ১ হাজার ৫৬৯টি বৈধ গুম হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে। এর মধ্যে ১১৩টি অভিযোগ গুমের সংজ্ঞার বাইরে, যেমন স্বাভাবিক গ্রেপ্তার বা হেফাজতের সময় ২৪ ঘণ্টার কম হওয়া। কমিশন ধারণা করছে, প্রকৃত গুমের সংখ্যা আনুমানিক ৪ হাজার থেকে ৬ হাজারের মধ্যে হতে পারে। গুমের ঘটনায় র‍্যাব, পুলিশ ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার নাম উঠে এসেছে। প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, অভিযোগের প্রায় এক-চতুর্থাংশে র‍্যাবের সংশ্লিষ্টতার উল্লেখ রয়েছে। গুম হওয়া ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয় বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ৯৬.৭ শতাংশ (৯৪৮ জন) বিরোধী রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংযুক্ত ছিলেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সদস্য ৪৭৬ জন (৫০.২%), ইসলামী ছাত্রশিবিরের ২৩৬ জন (২৪.৯%), বিএনপির ১৪২ জন (১৫%), জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ৪৬ জন (৪.৯%) ও যুবদল ১৭ জন (১.৮%)। কমিশন মন্তব্য করেছে, গুমের ঘটনা রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ ছিল না এবং বিরোধী দলের সদস্যদের ওপর লক্ষ্যবস্তু করে পরিচালিত হয়েছে। লিঙ্গভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ১,৫৪৬ জনের মধ্যে পুরুষ ১,৫২৩ জন (৯৮.৫%), নারী ২৩ জন (১.৫%)। নারীদের সংখ্যা কম হলেও সামাজিক কলঙ্ক ও পরিবারিক চাপের কারণে অনেক অভিযোগ অজানা থেকে গেছে। বছরভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০০৯ সালে ১০টি গুম, ২০১০ সালে ৩৪, ২০১১ সালে ৪৭, ২০১২ সালে ৬১, ২০১৩ সালে ১২৮, ২০১৪ সালে ৯৫, ২০১৫ সালে ১৪১, ২০১৬ সালে ২১৫, ২০১৭ সালে ১৯৪, ২০১৮ সালে ১৯২, ২০১৯ সালে ১১৮, ২০২০ সালে ৫১, ২০২১ সালে ৯৫, ২০২২ সালে ১১০, ২০২৩ সালে ৬৫ ও ২০২৪ সালে ৪৭টি। ২০১২ সালের পর গুমের সংখ্যা দ্রুত বেড়ে ২০১৮ সালের মধ্যে উচ্চমাত্রায় পৌঁছায়। নির্বাচন ও রাজনৈতিক সংঘাতের সঙ্গে এ ঘটনার সম্পর্ক স্পষ্ট। চূড়ান্ত প্রতিবেদনে কমিশন সতর্ক করেছে, সরকারি ও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে প্রকৃত ঘটনার চিত্র হতে পারে আংশিক। ভুক্তভোগী ও নিখোঁজদের অধিকাংশই ছাত্র ও যুব সংগঠনের সক্রিয় সদস্য ছিলেন, যা প্রমাণ করে রাজনৈতিক কার্যক্রমে সক্রিয় তরুণরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে ছিলেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ৫, ২০২৬ 0
এ এম এম নাসির উদ্দিন

নির্বাচনী পরিবেশ অনুকূলে, মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল শুরু

ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব

শুল্ক কমলেও এনইআইআর কার্যক্রম বন্ধ নয়: ফয়েজ তৈয়্যব

হবিগঞ্জে ছাত্র আন্দোলনের নেতা মাহদী হাসান জামিনে মুক্ত

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে ব্যাপক রদবদল

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে নতুন উপদেষ্টা দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রশাসনিক কাঠামোয় বড় ধরনের রদবদল শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে সাবেক উপদেষ্টার একান্ত সচিবসহ ১৩ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে এবং আরও কয়েকজনের বদলির প্রস্তুতি চলছে। একই সঙ্গে আগের সময়ে গৃহীত কিছু উন্নয়ন প্রকল্প পুনর্বিবেচনা ও ফেরত পাঠানো হচ্ছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া পদত্যাগ করলে ১১ ডিসেম্বর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান আদিলুর রহমান খান। দায়িত্ব গ্রহণের পর গত দুই সপ্তাহে উপসচিব ও যুগ্ম সচিব পর্যায়ের একাধিক কর্মকর্তাকে অন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়, আবার বাইরে থেকে কয়েকজন কর্মকর্তাকে এই মন্ত্রণালয়ে আনা হয়েছে। জনপ্রশাসন সূত্র জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আরও কিছু কর্মকর্তাকেও পর্যায়ক্রমে বদলি করা হবে। এদিকে সাবেক উপদেষ্টার সময়ে প্রস্তাবিত কুমিল্লাকেন্দ্রিক কয়েকটি বড় প্রকল্প পরিকল্পনা কমিশন থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। প্রক্রিয়াগত ত্রুটি, সমীক্ষার ঘাটতি ও জনবল নির্ধারণ সংক্রান্ত নিয়ম না মানার কারণে এসব প্রকল্প অনুমোদন পায়নি বলে কমিশন জানিয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, নতুন উপদেষ্টার অধীনে মন্ত্রণালয়ের কাজকর্ম নতুন করে সাজানোর অংশ হিসেবেই এসব পরিবর্তন ও পর্যালোচনা চলছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ৩, ২০২৬ 0

মার্কিন নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন শামা ওবায়েদ

রংপুরে জাপা প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল

খালেদা জিয়ার জানাজা ঘিরে রাজধানীতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সতর্কতা

0 Comments