যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী চেকপোস্টে মোবাইল ডিউটিতে থাকা পুলিশ সদস্য মো. শাহআলম (৩৩)কে দুর্বৃত্তরা ছুরিকাঘাত করে আহত করেছে। ঘটনাস্থল থেকে ফেলে যাওয়া একটি ব্যাগে পাঁচটি ককটেল ও একটি বোমা উদ্ধার করা হয়েছে।
যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক মো. সাহিদুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চারজন যুবক দুটি ব্যাগ নিয়ে চেকপোস্টের সামনে যাচ্ছিল। ব্যাগ তল্লাশির চেষ্টা করলে একজন দুষ্কৃতী কোমর থেকে ছুরি বের করে শাহআলমের কপালের বাম পাশে আঘাত করেন। দুর্বৃত্তরা পালানোর সময় ব্যাগ থেকে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। উদ্ধারকৃত বোমা ও ককটেল বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আহত পুলিশকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জরুরি বিভাগ জানিয়েছে, তার মাথার সিটি স্ক্যান ও চিকিৎসা চলছে। পুলিশ ঘটনায় অভিযুক্তদের ধরতে তল্লাশি শুরু করেছে এবং আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী চেকপোস্টে মোবাইল ডিউটিতে থাকা পুলিশ সদস্য মো. শাহআলম (৩৩)কে দুর্বৃত্তরা ছুরিকাঘাত করে আহত করেছে। ঘটনাস্থল থেকে ফেলে যাওয়া একটি ব্যাগে পাঁচটি ককটেল ও একটি বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক মো. সাহিদুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চারজন যুবক দুটি ব্যাগ নিয়ে চেকপোস্টের সামনে যাচ্ছিল। ব্যাগ তল্লাশির চেষ্টা করলে একজন দুষ্কৃতী কোমর থেকে ছুরি বের করে শাহআলমের কপালের বাম পাশে আঘাত করেন। দুর্বৃত্তরা পালানোর সময় ব্যাগ থেকে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। উদ্ধারকৃত বোমা ও ককটেল বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটে হস্তান্তর করা হয়েছে। আহত পুলিশকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জরুরি বিভাগ জানিয়েছে, তার মাথার সিটি স্ক্যান ও চিকিৎসা চলছে। পুলিশ ঘটনায় অভিযুক্তদের ধরতে তল্লাশি শুরু করেছে এবং আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
চট্টগ্রামে র্যাব ৭ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে অস্ত্র ও গুলিসহ একজন সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতের নাম ইমতিয়াজ সুলতান ইকরাম (২৮)। র্যাবের তথ্য অনুযায়ী, ইমতিয়াজ নগর পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী এবং একসময় বিদেশে পলাতক সাজ্জাদ আলী খান ওরফে বড় সাজ্জাদের সহযোগী ছিলেন। তিনি চাঁদাবাজি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। গ্রেফতারের সময় ইমতিয়াজের সঙ্গে থাকা সহযোগী আবুল কালাম আজাদকেও আটক করা হয়। র্যাব-৭ চট্টগ্রামের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে লিংক রোড এলাকায় অস্ত্র কেনাবেচার উদ্দেশ্যে অবস্থান করার সময় অভিযান চালানো হয়। ধৃতের কাছ থেকে একটি পিস্তল উদ্ধার করা হয় এবং পরে তার বাড়ি তল্লাশি করে আরও একটি পিস্তল ও ৫৬ রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়। র্যাব জানায়, ইমতিয়াজের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, অস্ত্র সংরক্ষণ ও নাশকতা সহ একাধিক মামলা রয়েছে। পাশাপাশি তিনি চট্টগ্রামের স্কুলছাত্রী তাসফিয়া হত্যা মামলার আসামি। আগে তিনি চট্টগ্রামের সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের অনুসারী ছিলেন এবং বিদেশে পলাতক ছিলেন। ধৃতের পরিবারের দাবি, তিনি একজন ব্যবসায়ী এবং সাজ্জাদ আলীর পক্ষ থেকে ফাঁসানো হয়েছে। তবে র্যাব এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, অভিযান চলাকালীন সময়ে অস্ত্র ও অপরাধমূলক কার্যকলাপে ধৃতকে আটক করা হয়েছে। র্যাব কর্মকর্তারা আরও জানান, নগরের বিভিন্ন এলাকায় ইমতিয়াজ চাঁদাবাজি করতেন এবং একসময় কিশোর গ্যাং ‘রিচ কিডস’ পরিচালনা করতেন। তার সহযোগী আবুল কালাম আসামির ব্যক্তিগত গাড়িচালক হিসেবে চাঁদাবাজি পরিচালনা করত। মামলা ও তদন্ত প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান এবং র্যাব এ বিষয়ে আরও তথ্য সংগ্রহ করছে।
অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে রাজশাহীর গোদাগাড়ী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মীর্জা মো. আব্দুস সালাম ও তার স্ত্রী শাহানা পারভীনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে রাজশাহী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি রুজু করেন। সম্পদ গোপনের অভিযোগ মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, শাহানা পারভীন ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ২১ লাখ ৭৪ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য দেন। কিন্তু দুদকের অনুসন্ধানে তার নামে প্রায় ৯৫ লাখ ১৬ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের সন্ধান পাওয়া যায়। অর্থাৎ প্রায় ৭৩ লাখ ৪২ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এছাড়া তার বৈধ আয় ৭ লাখ ১৪ হাজার টাকা হলেও পারিবারিক ব্যয়সহ মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ১ কোটি ২ লাখ ৮০ হাজার ৭৫০ টাকা। ফলে ৯৫ লাখ ৬৬ হাজার ৭৫০ টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বলে দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। স্বামীর বিরুদ্ধে ও সহায়তার অভিযোগ মামলায় অভিযোগ করা হয়, এএসপি মীর্জা মো. আব্দুস সালাম সরকারি চাকরির ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ দিয়ে স্ত্রীর নামে সম্পদ গড়ে তুলতে সহায়তা করেছেন। এ ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(2) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন জানান, তদন্তে অন্য কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযোগ অস্বীকার করে এএসপি মীর্জা মো. আব্দুস সালাম মামলাকে ভিত্তিহীন দাবি করে বলেন, “আমাদের বৈধ ট্যাক্স দেওয়া আছে। এগুলো আমার স্ত্রীর পারিবারিক সম্পত্তি। হয়রানি করতেই এ মামলা করা হয়েছে। উল্লেখ, রাজশাহী মহানগর গোয়েন্দা শাখায় থাকা কালে অবৈধ আয়ে নগরীর বহরমপুরে বহুতল বাড়ি করেন। গোয়েন্দা শাখায় পরিদর্শক মীর্জা আব্দুস সালাম ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতি, আটক ব্যানিজ্যসহ মাসিক মাসোহারা উত্তোলনের অভিযোগে সংবাদ প্রকাশ হয়।