বাগেরহাট-২ ( সদর ও কচুয়া) আসনের সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক রাহাদ এর উদ্যোগে বাগেরহাট কোর্ট চত্বর ও বাগেরহাট জেলা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টায় কোর্ট চত্বর থেকে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয় পরবর্তীতে জেলা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়। এক মাসব্যাপী চলমান এ কর্মসূচির আওতায় হাসপাতাল ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, জমে থাকা আবর্জনা অপসারণ, ড্রেন পরিষ্কার এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট জেলা ২৫০ শয্যা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক অসীম সমাদ্দার, হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ দলীয় নেতাকর্মীরা।
শেখ মনজুরুল হক রাহাদ বলেন, জনসাধারণের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতালসহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনাগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা অত্যন্ত জরুরি। একটি স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ রোগীদের দ্রুত আরোগ্য লাভে সহায়ক ভূমিকা রাখে। তিনি এ ধরনের সামাজিক ও মানবিক উদ্যোগে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ কামনা করেন।

আরও বলেন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তুলতে সম্মিলিত প্রচেষ্টার বিকল্প নেই। মাসব্যাপী এ কর্মসূচির মাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধি পাবে এবং হাসপাতালের সেবার মান ও পরিবেশ আরও উন্নত হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বাগেরহাটে সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রীর আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বাগেরহাটের স্বাধীনতা উদ্যানে এতিম শিশুদের অংশগ্রহণে এ আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হয়। পরে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী -এর রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়। দোয়া মাহফিল শেষে উপস্থিত এতিম শিশু ও অতিথিদের মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মানবিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ জাগ্রত করতেই এ ধরনের কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন মাজেদা বেগম ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এম. এ সালাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট-২ (সদর ও কচুয়া) আসনের সংসদ সদস্য সহ স্থানীয় নেতাকর্মী, শিক্ষক ও সাংবাদিকরা।
বিদেশে অবস্থানরত স্বামীর সাথে লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়ে বসতবাড়িতে অনধিকার প্রবেশ, শ্লীলতাহানি, মারধর, ভাঙচুর ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারী) বিকাল ৩টা টার সময় মডেল প্রেসক্লাব চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর হল রুমে মোসা: মর্জিনা খাতুন (৩৮) নামে এক নারী এই সংবাদ সম্মেলন করেন। মোসা: মর্জিনা খাতুন চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার পোলাডাঙ্গা গ্রামের মোঃ তহুরুলের স্ত্রী। এক লিখিত বক্তব্যে মোসা: মর্জিনা খাতুন বলেন, গত ৫-৬ মাস আগে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ১৪ নং ওয়ার্ডের ধাপাপাড়া গ্রামের মৃত গোলাম কিবরিয়া ছেলে মোঃ শরিফ আলী। আমার বাবার বাড়িতে এসে বলেন, তোমার স্বামী তহুরুলের কাছে ২০ লক্ষ টাকা পাবো, তুমি বাড়ি বিক্রায় করে হোক, জমি বিক্রির করে হোক যেমন করে পারো আমার টাকা পরিশোধ করো। তখন আমি তাকে জানায়, আমার স্বামী আমাদের কোন খোঁজ খবর রাখে না এবং খরচ পাতিও দেই না, আমি বাবার বাড়িতে খেয়ে না খেয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছি। আপনারা তহুরুলের সাথে ঝামেলা তহুরুলের সাথেই মারেন। আমি এ ব্যাপারে কোন কিছুই করতে পারবোনা, তখন সে আমাকে নানা রকম হুমকি ধামকি দিয়ে চলে যায়, এরপরও শরিফ বিভিন্ন সময় আমাকে আমার বাবার বাড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় টাকার দাবী করে অপমান অপদস্থ করেন। গত ২ জানুয়ারি ২০২৬ আমার বাবার বাড়িতে এসে একটি ৫০০ হাজার বান্ডিল আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলে কত টাকা আছে গুন, আমি টাকা গুনতে থাকলে শরিফ কৌশলে ভিডিও ধারণ করে এবং আবারও ২০ লক্ষ টাকা দাবি করে বলে এই যে ভিডিও দেখ তুমি টাকা নিচ্ছো তোমাকেই টাকা দিতে হবে। এরপর গত ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে কোটে আমার নামে মামলা করেন, আমি আদালতে হাজির হয়ে ৫ ফেব্রুয়ারী জামিন নেই। শরিফ আলী মামলা করেও ক্ষান্ত হননি গত ১৮ ফেব্রুয়ারী বিকেল আনুমানিক ৩ ঘটিকার সময় আমার বাবার বসতবাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে, আমার শ্লীলতাহানি করে, মারধর ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করে আলমারি থেকে জোরপূর্বক ৭০ হাজার টাকা ও ৪ ভরি সোনা নিয়ে চলে যায়। আমি আহত অবস্থায় ঘরের মেঝেতে পড়ে থাকলে পরবর্তীতে আমার বড় বোন ও ভাগ্নী আমাকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসা নেই। আমি আপনাদের জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি আমার বিরুদ্ধে করা মিথ্যা মামলার প্রত্যাহার করা হোক এবং আমাকে শ্লীলতাহানি, মারধর, ভাঙচুর ও মিথ্যা মামলার করার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ভুক্তভোগী বড় বোন হাফিজা খাতুন সহ ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। অভিযুক্ত শরিফের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
ভূমি জরিপ অধিদপ্তরের অসাধু কয়েক কর্মকর্তা সহ স্থানীয় জমির দালাল কর্তৃক সম্পন্ন হওয়া সকল কার্যক্রম বাতিলের দাবিতে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন ভুক্তভোগীরা। রোববার (২২ ফ্রেব্রুয়ারী) সকাল সোয়া ১০ টায় দপদপিয়া চৌমাথা এলাকায় এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ঘণ্টাব্যাপী ওই এলাকাজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, প্রবাসী মো. শহিদুল ইসলাম খান, অব. শিক্ষা অফিসার মো. শাহআলম বখতিয়ার, স্থানীয় মো. লুৎফর রহমান খান, আনিসুর রহমান, ইমদাদুল হক ও খোকন খান। বক্তারা বলেন, ঝালকাঠি নলছিটি উপজেলার ৯ নং দপদপিয়া ইউনিয়নের দপদপিয়া মৌজার "পূর্ব চর দপদপিয়া ১২৯ নং” জমির বিএস মাঠ জরিপ ও বিএস রেকর্ডে ভূমি জরিপ অধিদপ্তরের অসাধু কর্মকর্তা মো. জনি মোল্লা, আজাদ, জুয়েল, সিদ্দিক সহ অনেকে ঘুষ বাণিজ্যের প্রতিবাদে তাদের কর্মকালীন সময়ে সম্পন্ন সকল কার্যক্রম বাতিলের দাবিতে দপদপিয়া এলাকার সাধারণ জনগণের পক্ষে এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন। বক্তার এ সময় তাদের সহ এলাকার জমি নিয়ে নানা সমস্যার কথা তুলে ধরেন। অসাধু কর্মকর্তাদের দালাল হিসেবে এলাকায় নিয়োজিত ছিলেন মিঠু (রাশেদ খান মিঠু), আলামিন, সিদ্দিক, টিটু (টুটুল খান) ও আনিচ। মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।