জাতীয়

“ডোন্ট গেট নার্ভাস, আই এম ফিট”: রুমিন ফারহানাকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

Icon
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশঃ এপ্রিল ৮, ২০২৬


স্বাস্থ্য বিষয়ক সংসদীয় বিতর্কে হামের মৃত্যুর তথ্য ও টিকা সংকট নিয়ে উত্তাপ দেখা দিয়েছে। স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে হামের বিস্তার, টিকার ঘাটতি ও মৃত্যুর পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, তাঁর বক্তব্য কোনো আতঙ্ক ছড়ানোর উদ্দেশ্যে নয়, বরং জনস্বাস্থ্যের জরুরি বিষয় তুলে ধরা লক্ষ্য।
রুমিন ফারহানা জানিয়েছেন, গত ২০ দিনে সন্দেহজনকভাবে ৯৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, নিশ্চিত মৃত্যু ১৬। তিনি বলেন, প্রতিটি মৃত্যুর পেছনে একটি শিশুর জীবন, একটি মায়ের কান্না ও পরিবারের ধ্বংসের গল্প রয়েছে। এছাড়া, দেশে ১০ ধরনের টিকার সংকট দেখা দিয়েছে। ইপিআই কেন্দ্রীয় গুদামে বিসিজি, পেন্টা, ওপিভি, পিসিভি, এমআর ও টিডি টিকার মজুদ শূন্যে নেমে এসেছে।
এ বিষয়ে জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন সংসদে বলেন, “ডোন্ট গেট নার্ভাস, আই এম ফিট।” তিনি সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, তথ্য যাচাই ছাড়া আতঙ্ক ছড়ানো ঠিক নয়। মন্ত্রী জানান, তিনি নিজেও ঝুঁকি নিয়ে মহাখালী সংক্রামক রোগ হাসপাতালে হামের ওয়ার্ড পরিদর্শন করেছেন এবং একজন শিশুর মৃত্যুর পর কেঁদেছেন।
মন্ত্রী নিশ্চিত করেছেন, সরকারের উদ্যোগে টিকার মজুদ পুনর্গঠন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে এবং ইউনিসেফের মাধ্যমে সরাসরি টিকা সংগ্রহ করা হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ ও বিশ্বব্যাংক সরকারের সঙ্গে সহযোগিতা করছে। মন্ত্রী পুনরায় বলেন, জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং আতঙ্ক ছড়ানো এড়ানোই সরকারের লক্ষ্য।

 

‘এটা সংসদ, শাহবাগ নয়’: হাসনাতকে স্পিকার

  জাতীয় সংসদে বিরোধী মতামত ও সংশোধনী নিয়ে আলোচনার সময় উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহকে সংযত থাকার আহ্বান জানান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি সংসদীয় শিষ্টাচার বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৩তম দিনে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর বিল, ২০২৬’ পাসের পর সংশোধনী সংক্রান্ত আলোচনায় এ পরিস্থিতি তৈরি হয়। এ সময় সংসদ উত্তপ্ত হয়ে উঠলে স্পিকার কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে হস্তক্ষেপ করেন। স্পিকার তার রুলিংয়ে বলেন, সংসদ কোনো বিক্ষোভ বা জনসমাবেশের স্থান নয়; এটি একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, যেখানে ধৈর্য ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা আবশ্যক। তিনি আরও উল্লেখ করেন, অতীতের সংসদগুলোর তুলনায় বর্তমান সংসদ তুলনামূলকভাবে অধিক সহযোগিতামূলক পরিবেশে পরিচালিত হচ্ছে এবং সরকারি–বিরোধী সমঝোতার মাধ্যমে বহু বিল পাস হয়েছে। এ সময় তিনি সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে সংযত আচরণ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন, যাতে আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন থাকে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১০, ২০২৬ 0

চতুর্থবার সংসদ বর্জন করল বিরোধী জোট

সংসদে গৃহীত জুলাই যোদ্ধাদের পুনর্বাসন অধ্যাদেশ

সাবেক বিচারপতিকে ‘মানিকচোরা’ বলায় সংসদ থেকে আখতারের বক্তব্য এক্সপাঞ্জ

আবু সাঈদের দেহে গুলির প্রমাণ মেলেনি: আসামিপক্ষের আইনজীবী

  জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল রায় ঘোষণা করেছে। রায়ে দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া একজন আসামিকে খালাস এবং অন্যান্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করা হয়েছে। রায়ের প্রতিক্রিয়ায় আসামিপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দোলন দাবি করেছেন, মামলার উপস্থাপিত প্রমাণে গুলির উপস্থিতি নিশ্চিত করা যায়নি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, জব্দকৃত আলামত ও মরদেহে কোনো গুলির চিহ্ন বা ক্ষত পাওয়া যায়নি এবং প্রয়োজনীয় ফরেনসিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয়নি। তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী ১২ বোর শর্টগানের কার্টিজ ব্যবহারের দাবি করা হলেও সংশ্লিষ্ট আলামত জব্দ করা হয়নি। এ বিষয়ে প্রতিরক্ষা পক্ষ একাধিক আইনি যুক্তি আদালতে উপস্থাপন করেছে বলে জানান তিনি। আইনজীবী দোলন বলেন, আসামিপক্ষের পক্ষে ২০টিরও বেশি পয়েন্টে লিখিত যুক্তি দাখিল করা হয়েছে। তবে প্রত্যাশিত রায় না পাওয়ায় পূর্ণাঙ্গ রায় পর্যালোচনা করে উচ্চ আদালতে আপিল দায়ের করা হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৯, ২০২৬ 0

ট্রাইব্যুনালে হাজির আবু সাঈদ হত্যা মামলার ৬ আসামি

আজ ঘোষণা হবে আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়

“ডোন্ট গেট নার্ভাস, আই এম ফিট”: রুমিন ফারহানাকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সংশোধিত সন্ত্রাসবিরোধী আইন পাস, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধই থাকবে

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমদ বুধবার (৮ এপ্রিল) সংসদে উত্থাপিত সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশোধনী অধ্যাদেশ বিল-২০২৬ সর্বসম্মত কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে।  নতুন বিধান অনুযায়ী, সরকার এখন কোনো ব্যক্তি, রাজনৈতিক দল বা সংগঠনকে সন্ত্রাসে জড়িত থাকলে নিষিদ্ধ করতে পারবে। অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের কার্যক্রম প্রচারও প্রতিরোধ করা যাবে। এছাড়া, নিষিদ্ধ সংগঠন বা দলকে অর্থ, আশ্রয় বা সহায়তা প্রদানে কঠোর শাস্তির বিধান জারি হয়েছে। উল্লেখ্য, এই আইনের প্রাথমিক সংস্করণ গত বছরের ১১ মে অন্তর্বর্তী সরকার দ্বারা গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়েছিল। তখন সংসদ কার্যকর না থাকায় রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশে তা কার্যকর করা হয়েছিল। নতুন পাসকৃত বিল এখন সন্ত্রাসবিরোধী আইনকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করতে সাহায্য করবে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৮, ২০২৬ 0

২০ এপ্রিল থেকে সারাদেশে হামের টিকা কার্যক্রম শুরু: সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

২১ এপ্রিল থেকে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র জমা শুরু

৪৭তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ

0 Comments