জাতীয়

রাষ্ট্রপক্ষের আপিলে শেখ হাসিনা ও কামালের মৃত্যুদণ্ড বৃদ্ধির শুনানি আজ

Icon
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশঃ ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত গণহত্যা সংক্রান্ত মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের কারাদণ্ড বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নিয়মিত ও পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রপক্ষের আপিলের শুনানি করবে।
রাষ্ট্রপক্ষ গত ১৫ ডিসেম্বর আপিল বিভাগে আবেদন দাখিল করে দণ্ড বৃদ্ধি চেয়ে আটটি যুক্তি উপস্থাপন করেছে। মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ গত ১৭ নভেম্বর এক অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড ও অন্য অভিযোগে আমৃত্যু কারাদণ্ড প্রদান করেছিল। একই মামলায় পুলিশের সাবেক আইজি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন রাজসাক্ষী হিসেবে তথ্য-প্রমাণ দেওয়ায় তাকে পাঁচ বছরের লঘুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর বর্তমান সরকারের পতনের পর থেকে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খানের বিচার কার্যক্রম তাদের অনুপস্থিতিতেই সম্পন্ন হয়। আপিলের শুনানি আজ তাদের কারাদণ্ড বৃদ্ধির সম্ভাব্য রায় নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্ধারণ করবে।

 

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই সাবেক ভিসির বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা

ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজ মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি হারুন-অর-রশীদ ও উপাচার্য মো. মশিউর রহমানের বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। দুদকের আবেদনের ভিত্তিতে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।  সংস্থার উপপরিচালক মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন জানান, দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে গঠিত তিন সদস্যের অনুসন্ধান টিম তদন্ত চালাচ্ছে এবং অভিযোগ সংশ্লিষ্টরা বিদেশে চলে গেলে অনুসন্ধান ব্যাহত হতে পারে। হারুন-অর-রশীদ প্রথমবার ভিসি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন ২০১৩ সালে এবং ২০১৭ সালে পুনরায় দায়িত্বে আসেন। ২০২১ সালে তিনি অবসরে যাওয়ার পর মশিউর রহমান উপাচার্য হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ 0

পিলখানা হত্যা মামলায় এবার  আসামি হচ্ছেন শেখ হাসিনা

রাষ্ট্রপক্ষের আপিলে শেখ হাসিনা ও কামালের মৃত্যুদণ্ড বৃদ্ধির শুনানি আজ

একদিনেই ১২ সচিব অপসারণ, দ্রুত নতুন নিয়োগের প্রস্তুতি

বিদায়ের দিনে তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে ‘সিন্ডিকেট ও দুর্নীতির’ অভিযোগ

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর পদ থেকে অব্যাহতির দিনে মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে গুরুতর অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উত্থাপন করেছেন ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর বি এম সুলতান মাহমুদ।  সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া মন্তব্যে তিনি দাবি করেন, চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়কে ‘অর্থ উপার্জনের হাতিয়ার’ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে এবং একটি সিন্ডিকেট প্রভাব বিস্তার করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সুলতান মাহমুদ অভিযোগ করেন, আশুলিয়ায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক এসআই শেখ আবজালুল হককে রাজসাক্ষী (অ্যাপ্রুভার) করার প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। একই সঙ্গে সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে রাজসাক্ষী করা এবং রংপুরের একটি মামলায় এক পুলিশ কর্মকর্তাকে অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়েও তিনি আপত্তি তোলেন। তাঁর দাবি, সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্তগুলো প্রভাবিত ও অনিয়মতান্ত্রিক। তবে সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিচারপ্রক্রিয়া ছিল স্বচ্ছ ও আইনানুগ। ব্যক্তিগত বিদ্বেষবশত উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অভিযোগ আনা হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীমও অভিযোগকে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ দাবি করেছেন। নবনিযুক্ত চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করে বলেন, আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ এলে তা পর্যালোচনা করা হবে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ 0

২০০৬ সালের নিয়োগ বাতিল ৬০০’র বেশি এসআই পুনর্বহাল হবেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিডিআর হত্যাকাণ্ড তদন্তের জন্য নতুন কমিশন গঠন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী

ব্যারিস্টার রাগীব রউফ হতে পারেন দেশের নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন
“কঠিন সময়ে বিএনপি ও সেনাবাহিনীর সমর্থন পেয়েছি”: রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনকালে অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামলে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বিভিন্ন অসাংবিধানিক উদ্যোগ ও ষড়যন্ত্রের মুখে তিনি দৃঢ় ছিলেন, যার ফলে কোনো চক্রান্তই সফল হয়নি। সাহাবুদ্দিন উল্লেখ করেন, গণ-অভ্যুত্থান ও রাজনৈতিক চাপের মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার মাধ্যমে তাকে অপসারণের চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে বিএনপি এবং তাদের জোটসঙ্গীরা সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় শতভাগ সমর্থন জানিয়েছিল। তিনি বলেন, “বিএনপি ও তাদের জোটের একাংশ আমার পাশে ছিলেন, তাই চক্রান্ত ব্যর্থ হয়েছে।” রাষ্ট্রপতি আরও জানান, ওই সময় তিন বাহিনীর প্রধানরা তাকে সমর্থন জানিয়েছিলেন এবং বঙ্গভবনের সামনে মব সৃষ্টির পরও তারা দৃঢ় অবস্থান নিয়েছিলেন। তিনি অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকার বিদেশ সফর ও সরকারি অনুষ্ঠানে তাকে অংশগ্রহণে বাধা দিয়েছিল এবং রাষ্ট্রপতির সরকারি ছবি ও বাণী গণমাধ্যমে প্রচার বন্ধ করেছিল। সাহাবুদ্দিনের বক্তব্যে প্রতিস্পষ্ট হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামলে দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা এবং সংবিধানকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছিল, তবে তাঁর দৃঢ় অবস্থান ও রাজনৈতিক সহযোগিতার কারণে এসব ষড়যন্ত্র কোনো সুফল পায়নি।  

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ডেপুটি স্পিকার পদে পার্থ-সহ তিনজনের নাম এগিয়ে

মো. আমিনুল ইসলাম

চিফ প্রসিকিউটর পদে নিয়োগ পেলেন আমিনুল ইসলাম

দুই জ্যেষ্ঠ পদোন্নতিপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাকে র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

0 Comments