জামালপুরের মাদারগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় ৮ বছর বয়সী শিশু জাহিন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় আরও তিনজন নারী আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে জামালপুর-মাদারগঞ্জ মহাসড়কের ফায়ার সার্ভিস মোড় এলাকায় একটি মাহিন্দ্র (কাকড়া গাড়ি) এবং জামালপুর থেকে আসা সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে সিএনজিটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।

নিহত জাহিন উপজেলার বালিজুড়ী বাজারের মামুনুর রশিদের ছেলে। আহতরা হলেন নিহতের মা বিথি (৩৫), জোনাইল ফকিরবাড়ির সামিরা (৪০) ও মিজানুর রহমানের স্ত্রী সেলিনা (৩৫)। আহতদের মাদারগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে; মৃত শিশুর মায়ের পা ও হাতের হাড় ভেঙে উন্নত চিকিৎসার জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মাদারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ জানান, প্রাথমিকভাবে অতিরিক্ত গতি ও চালকের অসতর্কতাকেই দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে। গাড়ি দুটি পুলিশ হেফাজতে রয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
চট্টগ্রামের হালিশহরে গ্যাস লাইন বিস্ফোরণে আরও একজন দগ্ধের মৃত্যু হয়েছে, এই নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩ জনে পৌঁছালো। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টা ৫৫ মিনিটে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন সামির আহমেদ সুমন (৪০) মারা যান। জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানিয়েছেন, তার শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ ছিল এবং ইনহ্যালেশন ইনজুরি ছিল। এর আগে নুরজাহান আক্তার ও তার ছেলে শাওন এই দুর্ঘটনায় নিহত হয়। তবে বাকি ছয় দগ্ধের অবস্থা সংকটাপন্ন বলেও চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলায় গ্যাস সিলিন্ডার থেকে গ্যাস লিকেজজনিত বিস্ফোরণে নারী ও শিশুসহ একই পরিবারের চার সদস্য দগ্ধ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ভোরের দিকে দুর্ঘটনার পর গুরুতর অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট–এর জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়। দগ্ধরা হলেন মনোয়ারা (৬০), জিল হক (৩৭), উম্মে হুমায়রা (৩০) ও শিশু হুররাম (২)। ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান গণমাধ্যমকে জানান, আহতদের মধ্যে জিল হকের শরীরের ৫৪ শতাংশ এবং উম্মে হুমায়রার ৬৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে, যা আশঙ্কাজনক। মনোয়ারার শরীরের ২ শতাংশ ও শিশু হুররামের ৬ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে প্রাথমিকভাবে গ্যাস লিকেজকে কারণ হিসেবে ধারণা করা হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্ত করছে।
বাংলাদেশে ধর্মীয় আচার অনুসারে চীনা কনের সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়লেন সুকান্ত সেন। রাজনগরের কামারচাক ইউনিয়নে রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাতে হিন্দু ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী চীনের নাগরিক ক্রিস হুই ও বাংলাদেশি যুবক সুকান্ত সেনের বিবাহ সম্পন্ন হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্কের পর বর সুকান্ত বাংলাদেশে এসে কনেকে হেলিকপ্টারে নিজের বাড়িতে আনার পর অনুষ্ঠান শুরু হয়। বিয়েতে শতাধিক সনাতন ধর্মাবলম্বী ও অতিথি উপস্থিত ছিলেন। ক্রিস হুই লাল বেনারসি শাড়িতে সাজে কনের আসনে বসেন এবং সুকান্ত সেন তাকে সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে দেন। কনের পরিবারও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বর সুকান্ত ও কনে ক্রিস উভয়েই বিবাহ সম্পন্ন হওয়ায় আনন্দিত। সুকান্ত জানান, তাদের সম্পর্ক ব্যবসায়িক পরিচয় থেকে প্রেমে পরিণত হয় এবং ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি চীনে বিবাহ নিবন্ধন সম্পন্ন হয়। এবার দেশে ধর্মীয় রীতিনীতির মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহ সম্পন্ন হলো।