রাঙ্গামাটি জেলার লংগদু উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে বেওয়ারিশ কুকুর শিকার করে সীমান্ত পার হয়ে ভারতের মিজোরামে পাচারের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি কুকুর ১০–১২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শিকার করা কুকুরগুলো নৌকা ও স্থলপথে কাপ্তাই হ্রদ ও বরকল এলাকা অতিক্রম করে মিজোরামে পৌঁছে দেওয়া হয়।
স্থানীয়রা বলছেন, শিকার মূলত বসন্ত উৎসব ‘চাপচার কুট’-এর জন্য করা হচ্ছে, যেখানে কুকুরের মাংসের চাহিদা বাড়ে। যদিও ২০১৯ সালের বাংলাদেশের প্রাণী কল্যাণ আইন অনুযায়ী মালিকবিহীন কুকুর হত্যা বা অপসারণ দণ্ডনীয় অপরাধ, মিজোরামে ২০২০ সালের সংশোধিত আইন কুকুরকে জবাই বা ভোজ্য প্রাণীর তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে।
রাঙ্গামাটি জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তা ডা. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, “বেওয়ারিশ কুকুর অপসারণ ও বিক্রির ফলে জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বাড়ে। যথাযথ সচেতনতা ছাড়া এমন কার্যক্রম আইন বিরুদ্ধ।”
এ ঘটনায় প্রশাসন ও প্রাণিসম্পদ দপ্তর বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার তাগাদা দিয়েছে।
চট্টগ্রামের হালিশহরে গ্যাস লাইন বিস্ফোরণে আরও একজন দগ্ধের মৃত্যু হয়েছে, এই নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩ জনে পৌঁছালো। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টা ৫৫ মিনিটে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন সামির আহমেদ সুমন (৪০) মারা যান। জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানিয়েছেন, তার শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ ছিল এবং ইনহ্যালেশন ইনজুরি ছিল। এর আগে নুরজাহান আক্তার ও তার ছেলে শাওন এই দুর্ঘটনায় নিহত হয়। তবে বাকি ছয় দগ্ধের অবস্থা সংকটাপন্ন বলেও চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলায় গ্যাস সিলিন্ডার থেকে গ্যাস লিকেজজনিত বিস্ফোরণে নারী ও শিশুসহ একই পরিবারের চার সদস্য দগ্ধ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ভোরের দিকে দুর্ঘটনার পর গুরুতর অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট–এর জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়। দগ্ধরা হলেন মনোয়ারা (৬০), জিল হক (৩৭), উম্মে হুমায়রা (৩০) ও শিশু হুররাম (২)। ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান গণমাধ্যমকে জানান, আহতদের মধ্যে জিল হকের শরীরের ৫৪ শতাংশ এবং উম্মে হুমায়রার ৬৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে, যা আশঙ্কাজনক। মনোয়ারার শরীরের ২ শতাংশ ও শিশু হুররামের ৬ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে প্রাথমিকভাবে গ্যাস লিকেজকে কারণ হিসেবে ধারণা করা হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্ত করছে।
বাংলাদেশে ধর্মীয় আচার অনুসারে চীনা কনের সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়লেন সুকান্ত সেন। রাজনগরের কামারচাক ইউনিয়নে রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাতে হিন্দু ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী চীনের নাগরিক ক্রিস হুই ও বাংলাদেশি যুবক সুকান্ত সেনের বিবাহ সম্পন্ন হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্কের পর বর সুকান্ত বাংলাদেশে এসে কনেকে হেলিকপ্টারে নিজের বাড়িতে আনার পর অনুষ্ঠান শুরু হয়। বিয়েতে শতাধিক সনাতন ধর্মাবলম্বী ও অতিথি উপস্থিত ছিলেন। ক্রিস হুই লাল বেনারসি শাড়িতে সাজে কনের আসনে বসেন এবং সুকান্ত সেন তাকে সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে দেন। কনের পরিবারও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বর সুকান্ত ও কনে ক্রিস উভয়েই বিবাহ সম্পন্ন হওয়ায় আনন্দিত। সুকান্ত জানান, তাদের সম্পর্ক ব্যবসায়িক পরিচয় থেকে প্রেমে পরিণত হয় এবং ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি চীনে বিবাহ নিবন্ধন সম্পন্ন হয়। এবার দেশে ধর্মীয় রীতিনীতির মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহ সম্পন্ন হলো।