নতুন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান জানিয়েছেন, দেশের ব্যাংক একীভূতকরণের প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, খেলাপি ঋণ আদায়ে সমস্ত বিকল্প পদক্ষেপ কার্যকর করতে হবে এবং বন্ধ কলকারখানা নিয়মের মধ্যে পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নিতে হবে, যাতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পায়।
আজ বাংলাদেশ ব্যাংকে আয়োজিত সভায় একীভূতকরণের উদ্যোগে থাকা পাঁচটি ব্যাংকের প্রশাসকদের সঙ্গে আলোচনায় গভর্নর মোস্তাকুর রহমান আরও বলেন, গ্রাহক সেবা ও আমানত বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সব পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। তিনি বলেছেন, ব্যাংকের বন্ধ কলকারখানা নিয়মের মধ্যে চালু করার মাধ্যমে অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল রাখা এবং ব্যবসা সম্প্রসারণের উদ্যোগ ত্বরান্বিত করা হবে।
সভা সূত্রে জানা গেছে, শিগগির একীভূত ব্যাংকগুলিতে নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নিয়োগ দেওয়া হবে। এই পদক্ষেপে লক্ষ্য হচ্ছে ব্যাংকগুলোর আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা, খেলাপি ঋণ কমানো এবং দেশের অর্থনীতিতে অবদান বৃদ্ধি করা। নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান বলেন, পূর্ববর্তী উদ্যোগের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ব্যাংক সংস্কার ও একীভূতকরণ সফলভাবে সম্পন্ন করা হবে।
নতুন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান জানিয়েছেন, দেশের ব্যাংক একীভূতকরণের প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, খেলাপি ঋণ আদায়ে সমস্ত বিকল্প পদক্ষেপ কার্যকর করতে হবে এবং বন্ধ কলকারখানা নিয়মের মধ্যে পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নিতে হবে, যাতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পায়। আজ বাংলাদেশ ব্যাংকে আয়োজিত সভায় একীভূতকরণের উদ্যোগে থাকা পাঁচটি ব্যাংকের প্রশাসকদের সঙ্গে আলোচনায় গভর্নর মোস্তাকুর রহমান আরও বলেন, গ্রাহক সেবা ও আমানত বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সব পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। তিনি বলেছেন, ব্যাংকের বন্ধ কলকারখানা নিয়মের মধ্যে চালু করার মাধ্যমে অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল রাখা এবং ব্যবসা সম্প্রসারণের উদ্যোগ ত্বরান্বিত করা হবে। সভা সূত্রে জানা গেছে, শিগগির একীভূত ব্যাংকগুলিতে নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নিয়োগ দেওয়া হবে। এই পদক্ষেপে লক্ষ্য হচ্ছে ব্যাংকগুলোর আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা, খেলাপি ঋণ কমানো এবং দেশের অর্থনীতিতে অবদান বৃদ্ধি করা। নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান বলেন, পূর্ববর্তী উদ্যোগের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ব্যাংক সংস্কার ও একীভূতকরণ সফলভাবে সম্পন্ন করা হবে।
আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বাজারে সোনার দাম পুনরায় ঊর্ধ্বমুখী। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) স্পট মার্কেটে আউন্সপ্রতি দাম ৫,০৪১.৮০ ডলারে পৌঁছেছে, যা আগের দামের তুলনায় ২.৩৩ শতাংশ বেড়েছে। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, আউন্সপ্রতি ৫,০০০ ডলার সোনার জন্য একটি ‘মানসিক সীমানা’ হিসেবে কাজ করছে। অর্থনৈতিক অস্থিরতা ও বৈশ্বিক বাজারের অপ্রত্যাশিত পরিবর্তন সোনার দামের দ্রুত ওঠা-নামার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার, মূল্যস্ফীতি ও বৈশ্বিক অর্থনীতির অনিশ্চয়তার ওপর নির্ভর করে সোনার দাম ভবিষ্যতে ৬,০০০ ডলার স্পর্শ করতে পারে। লন্ডন বুলিয়ন মার্কেটের বিশ্লেষকরা অনুমান করেছেন, চলতি বছর সোনার দাম সর্বোচ্চ ৭,১৫০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান হাবিব মনসুর দেশীয় ব্যাংকিং খাতের বর্তমান দুরবস্থা ও পুনর্গঠনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। বুধবার (২১ জানুয়ারি) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ‘ব্যাংকিং খাত: বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে পরিবারতন্ত্র, দুর্নীতি ও সুশাসনের অভাবের কারণে ২০–২৫ বিলিয়ন ডলার দেশের বাইরে পাচার হয়েছে। বর্তমানে দেশে ব্যাংকের সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় অত্যধিক, তাই বাস্তবতার ভিত্তিতে মাত্র ১০–১৫টি ব্যাংকই যথেষ্ট হবে। তিনি আরও জানান, খেলাপি ঋণের হার নিয়ন্ত্রণে আনা এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের সংখ্যা কমিয়ে রেশনালাইজেশন করা সরকারের লক্ষ্য। বাংলাদেশ ব্যাংক রেজ্যুলিউশন ফান্ড গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে, যেখানে ৩০–৪০ হাজার কোটি টাকা জমা রাখা হবে। নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকেও এই কাঠামোর আওতায় আনা হবে। গভর্নর আশ্বাস দেন, মার্চের মধ্যে খেলাপি ঋণ ২৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা পূরণ সম্ভব। তবে সংশোধিত বাংলাদেশ ব্যাংক অধ্যাদেশ জারি না হলে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ আবার ফিরে আসার ঝুঁকি রয়েছে। সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম, অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শরিফ মোশারফ হোসেন এবং বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ। তারা সবাই ব্যাংকিং খাতের সংকট ও প্রয়োজনীয় পুনর্গঠনের উপর গুরুত্বারোপ করেন।