বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার চিংগড়িয়া এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিশ্বাস ও শেখ বংশের মধ্যে প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় রাজীব শেখ (২৮) নামে একজন নিহত হয়েছে। বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার চিংগড়িয়া এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিশ্বাস ও শেখ বংশের মধ্যে প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় রাজীব শেখ (২৮) নামে একজন নিহত হয়েছে।
স্থানীয়রা বলেন, বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যা ছয়টা থেকে প্রায় ৯টা পর্যন্ত এই হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। পূর্ব বিরোধের জের ধরে কয়েকটি বসতঘরে আগুন দেওয়া হয় এবং মালামাল লুটপাট করা হয়, বিশ্বাসদের হামলায় ফারুক শেখের ছেলে রাজীব শেখ নিহত হয়।
মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, বিশ্বাস বাড়ির সন্ত্রাসী বাহিনী আমাদের শেখ বাড়ির প্রায় ৩০টি বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করেছে। তারা ঘরে থাকা সোনাদানা, নগদ টাকা-পয়সাসহ মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায় এবং বাড়িঘর আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। এতে আমাদের পরিবারের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

ভুক্তভোগী মোঃ রিপন শেখ বলেন, আমাদের বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। আমাদের বংশের ২০ থেকে ৩০টি বাড়িতে লুটপাট চালিয়ে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী সাইদ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে মাদক বিক্রির বাধা দেওয়ায় তার নেতৃত্বে একদল লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর বাড়ি ও দোকান ঘরে হামলা চালায়।
খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
চিতলমারী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ নজরুল ইসলাম মুঠোফোনে জানান, পরিস্থিতি বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে এবং এ ঘটনায় রাজীব নামে একজন নিহত হয়েছেন।
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার চিংগড়িয়া এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিশ্বাস ও শেখ বংশের মধ্যে প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় রাজীব শেখ (২৮) নামে একজন নিহত হয়েছে। বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার চিংগড়িয়া এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিশ্বাস ও শেখ বংশের মধ্যে প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় রাজীব শেখ (২৮) নামে একজন নিহত হয়েছে। স্থানীয়রা বলেন, বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যা ছয়টা থেকে প্রায় ৯টা পর্যন্ত এই হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। পূর্ব বিরোধের জের ধরে কয়েকটি বসতঘরে আগুন দেওয়া হয় এবং মালামাল লুটপাট করা হয়, বিশ্বাসদের হামলায় ফারুক শেখের ছেলে রাজীব শেখ নিহত হয়। মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, বিশ্বাস বাড়ির সন্ত্রাসী বাহিনী আমাদের শেখ বাড়ির প্রায় ৩০টি বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করেছে। তারা ঘরে থাকা সোনাদানা, নগদ টাকা-পয়সাসহ মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায় এবং বাড়িঘর আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। এতে আমাদের পরিবারের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ভুক্তভোগী মোঃ রিপন শেখ বলেন, আমাদের বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। আমাদের বংশের ২০ থেকে ৩০টি বাড়িতে লুটপাট চালিয়ে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী সাইদ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে মাদক বিক্রির বাধা দেওয়ায় তার নেতৃত্বে একদল লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর বাড়ি ও দোকান ঘরে হামলা চালায়। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। চিতলমারী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ নজরুল ইসলাম মুঠোফোনে জানান, পরিস্থিতি বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে এবং এ ঘটনায় রাজীব নামে একজন নিহত হয়েছেন।
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার শিবপুর এলাকায় সংঘবদ্ধ সশস্ত্র দুষ্কৃতিকারীদের গুলিতে হামজা মুন্সী (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে নিজ বাড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটে, যা এলাকায় চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ১০ থেকে ১২ জনের একটি দল হঠাৎ করে বাড়িতে প্রবেশ করে ভিকটিমকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, হামলার পর ৫-৬ জন মোটরসাইকেলে দ্রুত এলাকা ত্যাগ করে। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, পূর্বশত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হতে পারে এবং এর সঙ্গে বহিরাগতদের সম্পৃক্ততার সম্ভাবনা রয়েছে। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তার এবং আইনানুগ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, ঘটনাটিকে একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হিসেবে বিবেচনা করে সংশ্লিষ্টদের শনাক্তে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানায় বুধবার (২৫ মার্চ) রাতে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে ৮ পুলিশ সদস্যকে আহত করার ঘটনায় যুব জামায়াতের এক নেতা ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে নারী পুলিশ সদস্যও রয়েছেন। পুলিশের তদন্তে এক স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরীফ আল রাজীব মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, যুব জামায়াত নেতা মাহমুদুল হাসান পলাশ অভিযোগ বিষয় নিয়ে থানায় গেলে, একটি দোকান বন্ধ না থাকার কারণে ওসির সঙ্গে তার তর্ক উত্তপ্ত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে পলাশ ও তার সঙ্গে থাকা সহযোগীরা ওসির ওপর চড়াও হন। অন্য পুলিশ সদস্যদের হস্তক্ষেপের সময় তাদেরও মারধর করা হয়। আহতরা পরে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন। পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন জানিয়েছেন, ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে হামলায় জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে। জেলা জামায়াতের নেতারা দাবি জানিয়েছেন, প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক, কিন্তু নিরীহ কাউকে হয়রানি করা যাবে না।