সংরক্ষিত নারী আসনকে ঘিরে প্রচারিত নানা জল্পনা-গুঞ্জনের প্রেক্ষাপটে নিজের অবস্থান আনুষ্ঠানিকভাবে পরিষ্কার করেছেন আফরোজা আব্বাস, যেখানে তিনি মনোনয়ন চাওয়ার বিষয়টি সরাসরি নাকচ করেছেন।
সোমবার (২০ এপ্রিল) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে প্রকাশিত বিবৃতিতে তিনি জানান, সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য তিনি কখনোই মনোনয়ন প্রত্যাশা করেননি। ব্যক্তিগত পরিচয়কে প্রাধান্য দিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, তিনি মূলত মির্জা আব্বাস-এর সহধর্মিণী হিসেবে পরিচিত হতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।
বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, তার নাম জড়িয়ে যে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে তা ভিত্তিহীন এবং তা থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি বর্তমান পারিবারিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে জানান, স্বামীর অসুস্থতার কারণে তিনি মানসিকভাবে কঠিন সময় অতিক্রম করছেন এবং এ মুহূর্তে তার প্রধান অগ্রাধিকার পারিবারিক দায়িত্ব পালন।
এদিকে সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থীদের উদ্দেশে তিনি শুভকামনা জানিয়ে বলেন, নারীর অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে যারা অংশ নিচ্ছেন তারা ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রতীক।
বিবৃতিতে তিনি আরও উল্লেখ করেন, সকল বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে নারীর সমান অধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সম্মিলিত প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকা প্রয়োজন।
সংরক্ষিত নারী আসনকে ঘিরে প্রচারিত নানা জল্পনা-গুঞ্জনের প্রেক্ষাপটে নিজের অবস্থান আনুষ্ঠানিকভাবে পরিষ্কার করেছেন আফরোজা আব্বাস, যেখানে তিনি মনোনয়ন চাওয়ার বিষয়টি সরাসরি নাকচ করেছেন। সোমবার (২০ এপ্রিল) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে প্রকাশিত বিবৃতিতে তিনি জানান, সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য তিনি কখনোই মনোনয়ন প্রত্যাশা করেননি। ব্যক্তিগত পরিচয়কে প্রাধান্য দিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, তিনি মূলত মির্জা আব্বাস-এর সহধর্মিণী হিসেবে পরিচিত হতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, তার নাম জড়িয়ে যে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে তা ভিত্তিহীন এবং তা থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি বর্তমান পারিবারিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে জানান, স্বামীর অসুস্থতার কারণে তিনি মানসিকভাবে কঠিন সময় অতিক্রম করছেন এবং এ মুহূর্তে তার প্রধান অগ্রাধিকার পারিবারিক দায়িত্ব পালন। এদিকে সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থীদের উদ্দেশে তিনি শুভকামনা জানিয়ে বলেন, নারীর অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে যারা অংশ নিচ্ছেন তারা ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রতীক। বিবৃতিতে তিনি আরও উল্লেখ করেন, সকল বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে নারীর সমান অধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সম্মিলিত প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকা প্রয়োজন।
খাল খনন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওকে ঘিরে সৃষ্ট বিতর্কের পর অবশেষে বিষয়টির অবসান ঘটেছে। পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এবং বিএনপি নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য কবি মাসুদ অরুণ পারস্পরিক সাক্ষাতে স্পষ্ট করেছেন, ঘটনাটি ছিল অনাকাঙ্ক্ষিত ভিড়জনিত পরিস্থিতির ফল, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কোনো আচরণ নয়। সোমবার (১৩ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত ওই সাক্ষাতের পর মাসুদ অরুণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছবি প্রকাশ করে জানান, সংশ্লিষ্ট ভিডিওটি বাস্তব ঘটনার বিকৃত উপস্থাপন। তিনি উল্লেখ করেন, অতিরিক্ত জনসমাগমের মধ্যে স্বাভাবিক ধাক্কাধাক্কির একটি অংশ বিশেষভাবে প্রচার করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হয়েছে, যা দুই নেতার পারস্পরিক সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করার অপচেষ্টা। আইনগত দৃষ্টিকোণ থেকে এ ঘটনায় কোনো প্রকার ইচ্ছাকৃত আক্রমণ বা অসদাচরণের উপাদান প্রতীয়মান হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো ইঙ্গিত দিয়েছে। উভয় পক্ষই বিষয়টিকে ভুল বোঝাবুঝি হিসেবে আখ্যায়িত করে পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বাদশ দিনে একাধিক বিল পাসকে কেন্দ্র করে বিরোধী দলীয় জোট অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৫টা ৫৬ মিনিটে তারা সম্মিলিতভাবে কক্ষ ত্যাগ করে। ওয়াকআউটের আগে বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, বিরোধী পক্ষের উত্থাপিত যৌক্তিক আপত্তি উপেক্ষা করে ধারাবাহিকভাবে কয়েকটি বিল পাস করা হয়েছে, যা জনস্বার্থবিরোধী। এ প্রেক্ষাপটে উক্ত আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ার দায়ভার এড়াতেই তারা সংসদ বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান। এদিন অধিবেশনে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা একাধিক অধ্যাদেশ অনুমোদন দেওয়া হয় এবং কিছু অধ্যাদেশ রহিত করে নতুন আইন পাস করা হয়। যেসব প্রস্তাবিত আইনের বিভিন্ন ধারায় বিরোধী জোট আপত্তি জানিয়েছে, তার মধ্যে স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) সংশোধন বিল, জেলা পরিষদ সংশোধন বিল ২০২৬, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন সংশোধন-সংক্রান্ত বিল, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় ও বিচারক নিয়োগ সংক্রান্ত বিলসহ জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল সংশোধন বিল উল্লেখযোগ্য। ঘটনাটি সংসদীয় কার্যক্রমে বিরোধী মতামতের প্রতিফলন ও আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উত্থাপন করেছে।