কৃষি ও জলবায়ু

পতিত জমিতে মুগ চাষ

মোরেলগঞ্জে স্বল্প খরচে অধিক লাভবানে স্বপ্ন বুনছেন চাষিরা

Icon
মোরেলগঞ্জ, বাগেরহাট
প্রকাশঃ এপ্রিল ২১, ২০২৬



 
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে পতিত জমিতে মুগ ডাল চাষ করে স্বল্প খরচে বেশি লাভের সম্ভাবনা দেখছেন কৃষকরা। আর মাত্র তিন সপ্তাহ পর ফসল ঘরে তুলতে পারবেন তারা। ভালো ফলন হওয়ায় বিঘাপ্রতি ৫-৬ মণ উৎপাদনের আশা করছেন চাষিরা।
উপজেলার হোগলাবুনিয়া ইউনিয়নের পূর্ব চর হোগলাবুনিয়া গ্রামে এ বছর প্রথমবারের মতো ১১ বিঘা পতিত জমিতে ১০ জন কৃষক শীতকালীন মুগ ডাল চাষ করে সফলতা পেয়েছেন। আগে এসব জমিতে কেবল আমন ধান হতো, পরে জমি অনাবাদি পড়ে থাকত। কৃষি বিভাগের প্রণোদনা ও পরামর্শে এবার মুগ চাষে আগ্রহী হন তারা।
কৃষকদের দাবি, বিঘাপ্রতি প্রায় ৫ হাজার টাকা খরচ করে দুই মাসে প্রায় ২০ হাজার টাকা আয় সম্ভব হচ্ছে। পাশাপাশি নিজের চাহিদা মিটিয়ে নিরাপদ খাদ্যও পাচ্ছেন তারা।
স্থানীয় কৃষি বিভাগ জানায়, চলতি মৌসুমে উপজেলায় প্রায় ২৭৫ হেক্টর জমিতে মুগ ডাল চাষ হয়েছে। বিশেষ করে হোগলাবুনিয়া, বলইবুনিয়া, চিংড়াখালী, পুটিখালী ও বনগ্রাম এলাকায় চাষ বেশি হয়েছে।
উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মেহেদী হাসান বলেন, পতিত জমিকে চাষের আওতায় এনে কৃষকদের আয় বাড়ানো সম্ভব হয়েছে। কৃষকদের আগ্রহ থাকায় ভালো ফলন এসেছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. সাইফুল ইসলাম জানান, তিন ফসলি জমিতে রূপান্তরের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মুগ চাষ সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে এ চাষ আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

 

কৃষি ও জলবায়ু

আরও দেখুন
মোরেলগঞ্জে স্বল্প খরচে অধিক লাভবানে স্বপ্ন বুনছেন চাষিরা

  বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে পতিত জমিতে মুগ ডাল চাষ করে স্বল্প খরচে বেশি লাভের সম্ভাবনা দেখছেন কৃষকরা। আর মাত্র তিন সপ্তাহ পর ফসল ঘরে তুলতে পারবেন তারা। ভালো ফলন হওয়ায় বিঘাপ্রতি ৫-৬ মণ উৎপাদনের আশা করছেন চাষিরা। উপজেলার হোগলাবুনিয়া ইউনিয়নের পূর্ব চর হোগলাবুনিয়া গ্রামে এ বছর প্রথমবারের মতো ১১ বিঘা পতিত জমিতে ১০ জন কৃষক শীতকালীন মুগ ডাল চাষ করে সফলতা পেয়েছেন। আগে এসব জমিতে কেবল আমন ধান হতো, পরে জমি অনাবাদি পড়ে থাকত। কৃষি বিভাগের প্রণোদনা ও পরামর্শে এবার মুগ চাষে আগ্রহী হন তারা। কৃষকদের দাবি, বিঘাপ্রতি প্রায় ৫ হাজার টাকা খরচ করে দুই মাসে প্রায় ২০ হাজার টাকা আয় সম্ভব হচ্ছে। পাশাপাশি নিজের চাহিদা মিটিয়ে নিরাপদ খাদ্যও পাচ্ছেন তারা। স্থানীয় কৃষি বিভাগ জানায়, চলতি মৌসুমে উপজেলায় প্রায় ২৭৫ হেক্টর জমিতে মুগ ডাল চাষ হয়েছে। বিশেষ করে হোগলাবুনিয়া, বলইবুনিয়া, চিংড়াখালী, পুটিখালী ও বনগ্রাম এলাকায় চাষ বেশি হয়েছে। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মেহেদী হাসান বলেন, পতিত জমিকে চাষের আওতায় এনে কৃষকদের আয় বাড়ানো সম্ভব হয়েছে। কৃষকদের আগ্রহ থাকায় ভালো ফলন এসেছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. সাইফুল ইসলাম জানান, তিন ফসলি জমিতে রূপান্তরের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মুগ চাষ সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে এ চাষ আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।  

মোরেলগঞ্জ, বাগেরহাট এপ্রিল ২১, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

মধু চাষে মধুর জীবন গড়ছেন শিক্ষক সাহানুর

ছবি: প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁওয়ের লিচুতে এবার ২০ হাজার টনের স্বপ্ন

ছবি: প্রতিনিধি

মৌ মৌ গন্ধে সুরভিত করে তুলেছে সজনে ফুল, বাড়ছে বাণিজ্যিক চাষ

ছবি: প্রতিনিধি
নীলফামারীতে নিজের নামে উদ্ভাবিত মাল্টার জাত দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে চান রাজু

নীলফামারী জেলার পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের ঝাড়পাড়ায় মনিরুজ্জামান (রাজু) গড়ে তুলেছেন রাজু অর্গানিক গার্ডেন অ্যান্ড নার্সারী, যেখানে বিভিন্ন জাতের মাল্টা, কমলা এবং দেশি-বিদেশি ফলের চারা উৎপাদন করা হচ্ছে। রাজু ডিপ্লোমা কৃষিবিদ পাস করার পর চাকরি না পেয়ে উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। ২০১৮ সালে নিজের পৈতৃক দেড় একর জমিতে তিনি মাল্টার বাগান গড়ে তোলেন। বাগানে বর্তমানে রাজু-১ ও রাজু-২ নামে তার উদ্ভাবিত মাল্টার দুটি জাত ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। রাজুর বাগান থেকে নীলফামারীর বিভিন্ন অফিস-আদালত ও দেশের বাইরের জেলায় মাল্টা পাঠানো হচ্ছে। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। বাগানে কমলা, সিকি মোসাম্বি, বারী-১, বারী-২, মরক্কো, থাই পেয়ারা, বারো মাসী আমড়া, কাঁঠাল, ড্রাগন, আনার, আপেল, কাজু ও পেস্তা বাদামসহ প্রায় ৪০০ প্রজাতির ফলগাছ রয়েছে। রাজু বলেন, “২০১৯ সালে প্রথম ফল পাওয়া শুরু হয়। ২০২০ সালে ফলন ও মিষ্টিতা বেশি হওয়ায় বাজারে চাহিদা বেড়ে যায়। গত বছর বাগান থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকার আয় হয়েছে, এবারে ১৫ লাখ ছাড়িয়ে যাবে আশা করি।” পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আনারুল হক বলেন, “রাজু মনেপ্রাণে কাজ করেছে। কৃষি বিভাগের পরামর্শে মাল্টা ও কমলার উৎপাদন ও জাত উন্নয়নে সফলতা পেয়েছে।” নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, “ব্যক্তিগত উদ্যোগে তৈরি এই বাগান থেকে বিষমুক্ত, স্বাস্থ্যকর মাল্টা পাওয়া যাচ্ছে। এটি স্থানীয়দের কর্মসংস্থানও দিয়েছে।” নীলফামারী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মঞ্জুর রহমান বলেন, “রাজুর বাগান থেকে উৎপাদিত মাল্টা ও কমলা দেশজুড়ে বিস্তৃত হতে পারে। ভার্মি কম্পোস্ট, জৈব সার ও হাঁড়ের গুড়া ব্যবহার করে আশাতীত ফলন মিলছে। কৃষি বিভাগও রাজুর উদ্ভাবিত মাল্টা জাত দেশের বাজারে ছড়িয়ে দিতে কাজ করছে।”  

সৈয়দপুর, নীলফামারী ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

দেবীগঞ্জে গম ও ভুট্টা চাষে নতুন সম্ভাবনা, গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাফল্য

ছবি: প্রতিনিধি

মালচিং পদ্ধতিতে ক্যাপসিকাম চাষ করে জীবন বদলাতে চান সুমন

ছবি: প্রতিনিধি

সাতক্ষীরায় এবছর লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে সরিষা ও মধু আহরণ

নীলফামারীতে আলুখেতে লেটব্রাইট রোগ, দিশাহারা চাষিরা

তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে নীলফামারীর সৈয়দপুরে ব্যাপকভাবে আলুখেতে লেটব্রাইট (কোল্ড ইনজুরি) রোগ দেখা দিয়েছে। প্রায় প্রতিদিন কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক স্প্রে করেও সুফল না পাওয়ায় চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন আলুচাষিরা। জেলায় হিমশীতল বাতাস ও দীর্ঘস্থায়ী কুয়াশার প্রভাবে শত শত বিঘা আলুখেত আক্রান্ত হচ্ছে। কৃষকদের অভিযোগ, নামি-দামি বালাইনাশক ব্যবহার করেও রোগ দমন করা যাচ্ছে না। ফলে ক্ষেত নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় লোকসানের হিসাব কষে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন তারা। কিশোরগঞ্জ উপজেলার উত্তর দুরাকুঠি এলাকার আলুচাষি আবদুল জব্বার বলেন, গত বছর অনুকূল আবহাওয়ায় ভালো ফলন পাওয়ায় এবার দ্বিগুণ জমিতে আলু আবাদ করা হয়েছিল। কিন্তু চলতি মৌসুমে শীত ও কুয়াশার কারণে লেটব্রাইট রোগে ফসল নষ্ট হচ্ছে।     কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি রবি মৌসুমে নীলফামারী জেলায় ১৮ হাজার ৩২০ হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৩২ হাজার ৬২০ টন। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মনজুর রহমান বলেন, আক্রান্ত এলাকার তথ্য পেলে দ্রুত মাঠ পর্যায়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিশোরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লোকমান আলম জানান, প্রচণ্ড শীত ও কুয়াশায় আলুখেতে এ ধরনের রোগ দেখা দিতে পারে।     সৈয়দপুর উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে লেটব্রাইট রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা গেছে। কৃষকরা দোকানিদের পরামর্শে ছত্রাকনাশক প্রয়োগ করছেন। একই সঙ্গে শীত ও কুয়াশা থেকে রক্ষায় বোরো বীজতলা পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। সৈয়দপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ধীমান ভূষণ বলেন, মাঠ পর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা নিয়মিত কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছেন এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

সৈয়দপুর, নীলফামারী জানুয়ারী ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

কৃষক আজিজুলের মুখে তৃপ্তির হাঁসি

Irregular rainfall disrupts farming

বৃষ্টির অনিয়মিত আচরণে চাষাবাদে ব্যাঘাত, কৃষকদের আয় কমছে দিনদিন

সবুজ প্রযুক্তিতে বিপ্লব: স্মার্ট কৃষি যন্ত্রে বদলে যাচ্ছে গ্রামের চাষাবাদ

0 Comments