কালীগঞ্জ উপজেলায় এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু হয়েছে। প্রথম দিনেই সব কেন্দ্রে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল সময়মতো ও শৃঙ্খলাবদ্ধ।
কালীগঞ্জ আর.আর.এন পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও বালীগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শনে দেখা যায়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তা ও প্রশাসনের নজরদারিতে পরীক্ষার পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে। প্রবেশপথে তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে এবং বহিরাগতদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, উপজেলায় ৫টি কেন্দ্রে মোট ৩৬টি স্কুল ও ২৯টি মাদ্রাসার ৩,১৪১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। প্রথম দিনে ৩৫ জন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নুর-ই-জান্নাত জানান, নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে কেন্দ্রগুলোতে বিশেষ টিম কাজ করছে এবং কেন্দ্র সচিবরা দায়িত্বশীলভাবে দায়িত্ব পালন করছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ.টি.এম কামরুল ইসলাম কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে বলেন, পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কোনো অনিয়ম সহ্য করা হবে না। ভ্রাম্যমাণ আদালত নিয়মিত নজরদারি করছে বলেও তিনি জানান।
কালীগঞ্জ উপজেলায় এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু হয়েছে। প্রথম দিনেই সব কেন্দ্রে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল সময়মতো ও শৃঙ্খলাবদ্ধ। কালীগঞ্জ আর.আর.এন পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও বালীগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শনে দেখা যায়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তা ও প্রশাসনের নজরদারিতে পরীক্ষার পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে। প্রবেশপথে তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে এবং বহিরাগতদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, উপজেলায় ৫টি কেন্দ্রে মোট ৩৬টি স্কুল ও ২৯টি মাদ্রাসার ৩,১৪১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। প্রথম দিনে ৩৫ জন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নুর-ই-জান্নাত জানান, নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে কেন্দ্রগুলোতে বিশেষ টিম কাজ করছে এবং কেন্দ্র সচিবরা দায়িত্বশীলভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ.টি.এম কামরুল ইসলাম কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে বলেন, পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কোনো অনিয়ম সহ্য করা হবে না। ভ্রাম্যমাণ আদালত নিয়মিত নজরদারি করছে বলেও তিনি জানান।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় রমজান মাসজুড়ে ছুটি ঘোষণা হওয়ার কারণে শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণের জন্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে পরবর্তী ১০টি শনিবার ক্লাস চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) মন্ত্রণালয়ের উপপরিচালক মো. অয়নাল আবেদীন স্বাক্ষরিত পরিপত্রের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের তথ্য জানানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন। পরিপত্রে বলা হয়েছে, রমজান মাসে বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা শ্রেণি কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পারেনি। তাই রমজানের ছুটির পরে বিদ্যালয়গুলোতে পাঠদান কার্যক্রম চালু রাখতে হবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষার নিবন্ধনপত্রে গুরুতর ত্রুটি ধরা পড়েছে। বোর্ডের নিবন্ধিত প্রায় ৬৯ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রায় ৩৯ হাজার ছেলে থাকলেও তাদের সবার নিবন্ধনপত্রে লিঙ্গ হিসেবে ‘Female’ উল্লেখ করা হয়েছে। কলেজগুলোতে নিবন্ধনপত্র বিতরণের সময় বিষয়টি প্রথম ধরা পড়ে। ঝালকাঠিসহ বিভিন্ন জেলার কলেজে ছেলেদের কার্ডেও ‘Female’ লেখা দেখে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি দেখা দেয়। পরে অনুসন্ধানে জানা যায়, বোর্ডের ডাটাবেসে ভুল সেটিংসের কারণে এই ত্রুটি ঘটে এবং তা যাচাই না করেই হাজার হাজার নিবন্ধনপত্র মুদ্রণ করা হয়। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বোর্ডের অ্যানালিস্ট এস এম শহিদুজ্জামানের গাফিলতির বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। বোর্ড চেয়ারম্যান ড. ইউনুস আলী সিদ্দিকী বলেন, কম্পিউটার প্রোগ্রাম সেটিংস ও অপারেটরের অসাবধানতার কারণে এই ভুল হয়েছে। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে শোকজ করা হয়েছে এবং নিবন্ধনপত্র পুনর্মুদ্রণের কাজ চলছে। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. শহিদুল ইসলাম জানান, নতুন সেটিংস করে নিবন্ধনপত্র সংশোধন করা হচ্ছে। কয়েক হাজার কার্ড ইতোমধ্যে সংশোধন করা হয়েছে এবং বাকি কাজ দ্রুত শেষ করা হবে। এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, নিবন্ধনপত্রে মৌলিক তথ্য যাচাই না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা মানসিকভাবে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছে।