দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে স্থিতিশীল রাখতে চট্টগ্রাম বন্দরে একের পর এক তেলবাহী জাহাজ আগমন অব্যাহত রয়েছে; এরই ধারাবাহিকতায় ৩৪ হাজার টন জেট ফুয়েল বহনকারী চীনা পতাকাবাহী ট্যাংকার ‘শিং তং ৭৯৯’ বহির্নোঙরে নোঙর করেছে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেলে চট্টগ্রাম বন্দর-এর বহির্নোঙরে জাহাজটির অবস্থান নিশ্চিত করা হয়। প্রায় ১৮২ দশমিক ৫ মিটার দৈর্ঘ্যের এ ট্যাংকারটির ড্রাফট বেশি হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে জেটিতে ভেড়ানো সম্ভব হয়নি। ফলে কুতুবদিয়া সংলগ্ন গভীর সমুদ্রে লাইটার জাহাজের মাধ্যমে আংশিক জ্বালানি খালাস কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
জাহাজটির স্থানীয় এজেন্ট প্রাইড শিপিং লাইনস-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নজরুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে জ্বালানি খালাসের মাধ্যমে ড্রাফট হ্রাস করা হচ্ছে; পরবর্তীতে জাহাজটিকে জেটিতে এনে পূর্ণাঙ্গ আনলোডিং সম্পন্ন করা হবে।
এর আগে গত ১৪ এপ্রিল সিঙ্গাপুর থেকে ১১ হাজার টন জেট ফুয়েল (জেট এ-১) বহনকারী ‘এমটি গ্রেট প্রিন্সেস’ বন্দরে পৌঁছায়। একই ধারাবাহিকতায় শনিবার ভোরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে ৩৫ হাজার ৫৫ টন ডিজেল নিয়ে পানামার পতাকাবাহী ট্যাংকার ‘প্রিভে অ্যাঞ্জেল’ জেটিতে ভেড়ে। এছাড়া শুক্রবার তাইওয়ান থেকে ৩৩ হাজার ৪০০ টন ডিজেল নিয়ে পাকিস্তানি পতাকাবাহী ট্যাংকার ‘এমটি কোয়েটা’ বহির্নোঙরে আসে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ধারাবাহিকভাবে এসব জ্বালানি তেলবাহী জাহাজ আগমনের ফলে দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় ভারসাম্য বজায় রাখা সহজ হবে এবং চাহিদা পূরণে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে স্থিতিশীল রাখতে চট্টগ্রাম বন্দরে একের পর এক তেলবাহী জাহাজ আগমন অব্যাহত রয়েছে; এরই ধারাবাহিকতায় ৩৪ হাজার টন জেট ফুয়েল বহনকারী চীনা পতাকাবাহী ট্যাংকার ‘শিং তং ৭৯৯’ বহির্নোঙরে নোঙর করেছে। শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেলে চট্টগ্রাম বন্দর-এর বহির্নোঙরে জাহাজটির অবস্থান নিশ্চিত করা হয়। প্রায় ১৮২ দশমিক ৫ মিটার দৈর্ঘ্যের এ ট্যাংকারটির ড্রাফট বেশি হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে জেটিতে ভেড়ানো সম্ভব হয়নি। ফলে কুতুবদিয়া সংলগ্ন গভীর সমুদ্রে লাইটার জাহাজের মাধ্যমে আংশিক জ্বালানি খালাস কার্যক্রম শুরু হয়েছে। জাহাজটির স্থানীয় এজেন্ট প্রাইড শিপিং লাইনস-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নজরুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে জ্বালানি খালাসের মাধ্যমে ড্রাফট হ্রাস করা হচ্ছে; পরবর্তীতে জাহাজটিকে জেটিতে এনে পূর্ণাঙ্গ আনলোডিং সম্পন্ন করা হবে। এর আগে গত ১৪ এপ্রিল সিঙ্গাপুর থেকে ১১ হাজার টন জেট ফুয়েল (জেট এ-১) বহনকারী ‘এমটি গ্রেট প্রিন্সেস’ বন্দরে পৌঁছায়। একই ধারাবাহিকতায় শনিবার ভোরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে ৩৫ হাজার ৫৫ টন ডিজেল নিয়ে পানামার পতাকাবাহী ট্যাংকার ‘প্রিভে অ্যাঞ্জেল’ জেটিতে ভেড়ে। এছাড়া শুক্রবার তাইওয়ান থেকে ৩৩ হাজার ৪০০ টন ডিজেল নিয়ে পাকিস্তানি পতাকাবাহী ট্যাংকার ‘এমটি কোয়েটা’ বহির্নোঙরে আসে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ধারাবাহিকভাবে এসব জ্বালানি তেলবাহী জাহাজ আগমনের ফলে দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় ভারসাম্য বজায় রাখা সহজ হবে এবং চাহিদা পূরণে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
প্রায় চার দশকের ধারাবাহিক অগ্রযাত্রার পর আন্তর্জাতিক ডেনিম বাণিজ্যে নেতৃত্ব আরও দৃঢ় করেছে বাংলাদেশ। সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্র—এই দুই প্রধান বাজারে দেশটির ডেনিম পোশাক রপ্তানি উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ২৬০ কোটি মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, যা পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় প্রায় ২৫ শতাংশ বেশি। সরকারি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য তথ্যসূত্র—বিশেষত অফিস অব টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেল (অটেক্সা) ও ইউরোস্ট্যাটের উপাত্তে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি ৯৬ কোটি ডলারে উন্নীত হয়েছে, যেখানে প্রবৃদ্ধি ৩৪ শতাংশ এবং বাজার হিস্যা প্রায় ২৬ শতাংশ। অপরদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে ১৬৪ কোটি ডলারের রপ্তানির মাধ্যমে ২১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে, যা উভয় ক্ষেত্রেই শীর্ষস্থান নিশ্চিত করেছে। বাজার প্রতিযোগিতায় মেক্সিকো, ভিয়েতনাম, পাকিস্তান, তুরস্ক ও কম্বোডিয়া অনুসরণ করলেও রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ও বাজার দখলে বাংলাদেশ স্পষ্টতই অগ্রগামী অবস্থানে রয়েছে। খাতসংশ্লিষ্ট বিশ্লেষণে প্রতীয়মান হয় যে, গত দেড় দশকে দেশীয় ডেনিম শিল্পে বিনিয়োগ বৃদ্ধির ফলে উৎপাদন সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বিস্তৃত হয়েছে। বর্তমানে দেশীয় মিলগুলো মোট চাহিদার প্রায় ৬০ শতাংশ সরবরাহ করতে সক্ষম, যা পূর্বে আমদানিনির্ভর ছিল। পাশাপাশি উৎপাদন ব্যয়ের প্রতিযোগিতামূলক কাঠামো, জ্বালানি ও কাঁচামালের তুলনামূলক প্রাপ্যতা এবং বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলের পুনর্বিন্যাস বাংলাদেশের রপ্তানি সক্ষমতা জোরদার করেছে। আইনগত ও বাণিজ্যিক কাঠামোর দৃষ্টিকোণ থেকে, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ, প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদন ব্যবস্থা এবং বাণিজ্যিক অংশীদারিত্বের সম্প্রসারণ—এসব উপাদান বাংলাদেশের ডেনিম খাতকে একটি টেকসই ও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত করেছে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মত দিয়েছে।
বৈশ্বিক আর্থিক বাজারে মুদ্রার শক্ত অবস্থান ও ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তার প্রভাবে আন্তর্জাতিক স্বর্ণবাজারে মূল্যহ্রাসের প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে, যা সাম্প্রতিক সময়ে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ সময় সকাল অনুযায়ী স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম প্রায় ০.৬ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৭১৮.৯৮ মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা গত এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন। একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের জুন ডেলিভারি গোল্ড ফিউচারস প্রায় ১ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ৪,৭৪২ ডলারে নেমে আসে। বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, শক্তিশালী মার্কিন ডলার ও তেলের দামের ঊর্ধ্বগতির কারণে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ স্বর্ণ থেকে সরে যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা এবং সম্ভাব্য সুদহার বৃদ্ধির প্রত্যাশা স্বর্ণের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে। অন্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও নিম্নমুখী প্রবণতা পরিলক্ষিত হয়েছে। রুপা ও প্লাটিনামের দাম কমলেও প্যালাডিয়ামের দামে সামান্য ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। এদিকে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে স্বর্ণের মূল্য স্থিতিশীল থাকলেও উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকা, যা বিদ্যমান বাজার পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।