বিনোদন

১২ বছর আগে ওপারে চলে গেছেন সুচিত্রা সেন

Icon
নিখাদ খবর ডেস্ক
প্রকাশঃ জানুয়ারী ১৭, ২০২৬
মহানায়িকা সুচিত্রা সেন
মহানায়িকা সুচিত্রা সেন

আজ ১৭ জানুয়ারি। বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেত্রী মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের প্রয়াণের ১২ বছর পূর্ণ হলো। তিনি মারা যান ২০১৪ সালের এই দিনে। জন্ম ১৯৩১ সালের ৬ এপ্রিল। তার জন্মগত নাম ছিল রমা দাশগুপ্ত।
বাংলা ও হিন্দি চলচ্চিত্রে অসামান্য অভিনয়ের মাধ্যমে সুচিত্রা সেন হয়ে ওঠেন বাংলা সিনেমার সর্বকালের শ্রেষ্ঠ রোমান্টিক নায়িকা। মৃত্যুর পরও তিনি দর্শকের হৃদয়ে সমানভাবে প্রাসঙ্গিক ও স্মরণীয়।
পাবনার সদর উপজেলার হিমসাগর এলাকায় তার জন্মভিটায় প্রতিষ্ঠিত সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংগ্রহশালায় সংরক্ষিত রয়েছে তার ছবির নানা মুহূর্ত, পুরস্কার, আবক্ষ মূর্তি ও স্মৃতিচিহ্ন। সেখানকার তথ্য অনুযায়ী, টেলিফোনে কথা বলতে অনীহা ছিল এই মহানায়িকার। খুব প্রয়োজন না হলে তিনি ফোন ধরতেন না এবং অপরিচিতদের ক্ষেত্রে নিজের পরিচয় গোপন করতেন।

 


 

সুচিত্রা সেন ছিলেন কবি রজনীকান্ত সেনের নাতনী। ১৯৪৭ সালে তিনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন শিল্পপতি পরিবারের দিবানাথ সেনের সঙ্গে। তার একমাত্র কন্যা মুনমুন সেন এবং নাতনী রিয়া সেন ও রাইমা সেনও চলচ্চিত্র অঙ্গনের পরিচিত মুখ।
১৯৫২ সালে চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু হলেও ‘সাড়ে চুয়াত্তর’ ছবিতে উত্তম কুমারের বিপরীতে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। পরবর্তী দুই দশক উত্তম-সুচিত্রা জুটি বাংলা সিনেমায় এক অনন্য আইকনে পরিণত হয়।
দীর্ঘদিন অবহেলায় থাকা তার জন্মভিটা ২০১৭ সালে প্রশাসনের উদ্যোগে উদ্ধার করে সেখানে স্মৃতি সংগ্রহশালা স্থাপন করা হয়। বর্তমানে এটি সংস্কৃতি ও চলচ্চিত্রপ্রেমীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান।
মহানায়িকা সুচিত্রা সেন বাংলা চলচ্চিত্রে তার অভিনয় ও ব্যক্তিত্বের মাধ্যমে আজও অমর হয়ে আছেন।

বিনোদন

আরও দেখুন
মহানায়িকা সুচিত্রা সেন
১২ বছর আগে ওপারে চলে গেছেন সুচিত্রা সেন

আজ ১৭ জানুয়ারি। বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেত্রী মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের প্রয়াণের ১২ বছর পূর্ণ হলো। তিনি মারা যান ২০১৪ সালের এই দিনে। জন্ম ১৯৩১ সালের ৬ এপ্রিল। তার জন্মগত নাম ছিল রমা দাশগুপ্ত। বাংলা ও হিন্দি চলচ্চিত্রে অসামান্য অভিনয়ের মাধ্যমে সুচিত্রা সেন হয়ে ওঠেন বাংলা সিনেমার সর্বকালের শ্রেষ্ঠ রোমান্টিক নায়িকা। মৃত্যুর পরও তিনি দর্শকের হৃদয়ে সমানভাবে প্রাসঙ্গিক ও স্মরণীয়। পাবনার সদর উপজেলার হিমসাগর এলাকায় তার জন্মভিটায় প্রতিষ্ঠিত সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংগ্রহশালায় সংরক্ষিত রয়েছে তার ছবির নানা মুহূর্ত, পুরস্কার, আবক্ষ মূর্তি ও স্মৃতিচিহ্ন। সেখানকার তথ্য অনুযায়ী, টেলিফোনে কথা বলতে অনীহা ছিল এই মহানায়িকার। খুব প্রয়োজন না হলে তিনি ফোন ধরতেন না এবং অপরিচিতদের ক্ষেত্রে নিজের পরিচয় গোপন করতেন।     সুচিত্রা সেন ছিলেন কবি রজনীকান্ত সেনের নাতনী। ১৯৪৭ সালে তিনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন শিল্পপতি পরিবারের দিবানাথ সেনের সঙ্গে। তার একমাত্র কন্যা মুনমুন সেন এবং নাতনী রিয়া সেন ও রাইমা সেনও চলচ্চিত্র অঙ্গনের পরিচিত মুখ। ১৯৫২ সালে চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু হলেও ‘সাড়ে চুয়াত্তর’ ছবিতে উত্তম কুমারের বিপরীতে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। পরবর্তী দুই দশক উত্তম-সুচিত্রা জুটি বাংলা সিনেমায় এক অনন্য আইকনে পরিণত হয়। দীর্ঘদিন অবহেলায় থাকা তার জন্মভিটা ২০১৭ সালে প্রশাসনের উদ্যোগে উদ্ধার করে সেখানে স্মৃতি সংগ্রহশালা স্থাপন করা হয়। বর্তমানে এটি সংস্কৃতি ও চলচ্চিত্রপ্রেমীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান। মহানায়িকা সুচিত্রা সেন বাংলা চলচ্চিত্রে তার অভিনয় ও ব্যক্তিত্বের মাধ্যমে আজও অমর হয়ে আছেন।

নিখাদ খবর ডেস্ক জানুয়ারী ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

রাফসান–জেফারের গোপন সম্পর্কের গুঞ্জনে ইতি আজ

ঢাকার আদালতে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী

মেহজাবীন ও তাঁর ভাইকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিল আদালত

তাহসান-রোজার সংসার এবার ভাঙার পথে

0 Comments