বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ের আয়োজনে এবং বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ময়মনসিংহ বিভাগে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাঁদের সন্তানদের অংশগ্রহণে ৯ম বিভাগীয় বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা–২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় ময়মনসিংহ স্টেডিয়ামে আয়োজিত এ ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. এহছানুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি মো. আতাউল কিবরিয়া।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার মিজ ফারাহ্ শাম্মী, এনডিসি। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক ড. মুহাম্মদ মফিজুল ইসলাম। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) কাজী জিয়াউল বাসেত।
অনুষ্ঠানে ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমানসহ নেত্রকোনা, জামালপুর ও শেরপুর জেলার জেলা প্রশাসকগণ, ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান এবং প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বেলুন উড়িয়ে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি। তিনি বলেন, শরীর ও মন গঠনে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের মধ্যে খেলাধুলা চর্চা অব্যাহত রাখতে জেলা প্রশাসকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
সভাপতির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে আত্মবিশ্বাস, শৃঙ্খলা ও সৌহার্দ্য গড়ে ওঠে।
জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও মশাল প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে খেলার আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। পরে বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে প্রতিযোগিতার সমাপ্তি ঘটে।
খুলনায় আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতির কারণে নগরবাসীর নিরাপত্তাহীনতা, খুন, ছিনতাই, চুরি ও মাদক কার্যক্রম বেড়ে যাওয়ার প্রতিবাদে এবং পরিস্থিতি উন্নয়নের দাবি জানিয়ে “নিরাপদ খুলনা চাই” উদ্যোগে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠান শনিবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় পিকচার প্যালেস মোড়ে অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সভাপতি সরদার বাদশার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উপদেষ্টা ও মানবাধিকারকর্মী এস এম দেলোয়ার হোসেন। প্রধান অতিথি ছিলেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট নাগরিক নেতা অ্যাডভোকেট মোঃ বাবুল হাওলাদার। এতে উপস্থিত ছিলেন বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান বাবু, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার মোঃ আব্দুর রহমান, সাংবাদিকরা, নাগরিক নেতারা এবং সংগঠনের অন্যান্য কার্যনির্বাহী সদস্যরা। বক্তারা বলেন, ২৪ সালের জুলাই পরবর্তী খুলনায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ক্রমশ অবনতির পথে। খুন, চুরি, রাহাজানি, মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি ও অস্ত্র প্রদর্শন প্রতিনিয়ত বেড়ে চলেছে। প্রশাসনের উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও কার্যক্রম সন্তোষজনক নয়। রাজনৈতিক দলগুলোও সন্ত্রাস দমনে যথাযথ ভূমিকা নিচ্ছে না। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা প্রশাসন ও রাজনৈতিক দলগুলোকে দায়িত্বশীল ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার আহ্বান জানান। তারা বলেন, আইন-শৃঙ্খলার অবনতি যেমন নাগরিকদের নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলছে, তেমনি খুলনার ব্যবসা ও অর্থনীতিকেও মারাত্মক প্রভাব ফেলছে।
দেওয়ানগঞ্জ প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দেওয়ানগঞ্জ প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. শামছুল হুদা (রতন)। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি নুর-ই-ইলাহী, সাধারণ সম্পাদক মো. আজাদ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর-আল-বশির, কোষাধ্যক্ষ মো. হাসান আলী, ভারপ্রাপ্ত কোষাধ্যক্ষ আবু সাঈদ গালিব এবং সাধারণ পরিষদের সদস্য মো. রিফাত আলীসহ অন্যান্যরা। কম্বল বিতরণকালে সভাপতির বক্তব্যে মো. শামছুল হুদা বলেন, ১৯৭১ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ৪৮ বছর দেওয়ানগঞ্জে কোনো সাংবাদিক সংগঠন ছিল না। ২০২০ সালে একদল তরুণ সাংবাদিকের উদ্যোগে সাংবিধানিকভাবে দেওয়ানগঞ্জ প্রেস ক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি বলেন, সংগঠনটি পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়ে আসছে। তিনি আরও বলেন, সবার সহযোগিতায় দেওয়ানগঞ্জ প্রেস ক্লাব দিন দিন এগিয়ে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
নরসিংদী জেলা কারাগারে এক কয়েদীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। মৃত কয়েদীর নাম বিল্লাল হোসেন। তার বাড়ী নরসিংদী সদর উপজেলার মাধবদী থানার আনন্দীর মোড় এলাকায়। মৃত বিল্লাল হোসেন নামের এই কয়েদীর মাদক মামলায় দেড় বছরের সাজা হয়েছিল। সকালে কারারক্ষীরা তাকে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। নরসিংদী জেলা কারাগারের জেলার হুমায়ুন কবির জানান হঠাৎ করে কয়েদী বিল্লাল হোসেন অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। জেলা হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। লাশ ময়না তদন্তের জন্য জেলা হাসপাতাল থেকে নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।