ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বরিশাল-৫ (সদর-সিটি) আসন থেকে সরে দাঁড়ালেন। এর ফলে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীও মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুয়াযযম হোসাইন হেলাল সাংবাদিকদের জানান, দলীয় সিদ্ধান্ত এবং সৌজন্য বিবেচনায় ফয়জুল করীমের আসনে তার মনোনয়ন প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এর আগে দশ দলীয় জোটের শরিক এবি পার্টি বরিশাল-৩ আসনে প্রার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। বরিশালের ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে চারটিতে এখন জামায়াতের প্রার্থীরা মাঠে রয়েছেন।
জমায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ভোট একত্রিত করার আলোচনা চলে আসছিল। তবে আসন বণ্টন নিয়ে মতবিরোধের কারণে ইসলামী আন্দোলন আলাদা নির্বাচনে যায়। এই প্রেক্ষাপটেই সৌজন্যতার বার্তা হিসেবে জামায়াত ফয়জুল করীমের আসনে প্রার্থী না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ঢাকা কলেজের এইচএসসি ১৯৯৬ ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থীরা শুক্রবার (৬ মার্চ) রাজধানীর একটি অভিজাত রেস্তোরাঁতে ইফতার ও দোয়া মাহফিলে মিলিত হন। অনুষ্ঠানটি বন্ধুত্ব, স্মৃতিচারণ ও সম্প্রীতির আবহে মুখরিত হয়ে ওঠে। সভাপতিত্ব করেন ব্যাচের সভাপতি ও ঢাকা মহানগর জেনারেল হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট ডাঃ আশরাফুল হাসান মানিক। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশের বিভিন্ন সেক্টরে কর্মরত প্রায় দেড় শতাধিক সাবেক শিক্ষার্থী। বক্তারা তাদের শিক্ষাজীবনের স্মৃতিচারণ করেন। বুয়েট অধ্যাপক তানভীর আহমেদ বলেন, “ঢাকা কলেজ আমাদের জীবনের ভিত্তি গড়ে দিয়েছিল। আজ আমরা যেখানে থাকি না কেন, এই ব্যাচের বন্ধন আমাদের শিকড়ের কথা মনে করিয়ে দেয়।” এলামনাই সাধারণ সম্পাদক ও ব্যবসায়ী ওয়াহিদ আলম তুলিত বলেন, “বন্ধুদের সঙ্গে এই আড্ডা মানসিক প্রশান্তি দেয়। আমরা চাই আমাদের সংগঠন শুধু ইফতার বা মিলনেই সীমাবদ্ধ না থেকে আর্তমানবতার সেবায়ও অবদান রাখুক।” অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কানাডা প্রবাসী সাংবাদিক দীন ইসলাম, ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব তোফাজ্জল হোসেন, বিকেএসপির পরিচালক কর্ণেল গোলাম মাবুদ, পুলিশ ও এলজিইডির কর্মকর্তাসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। ইফতার ও সংক্ষিপ্ত আলোচনার পর বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। অনুষ্ঠান শেষ হয় নৈশভোজের মাধ্যমে। উপস্থিত সাবেক শিক্ষার্থীরা আয়োজক কমিটির প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে আরও বড় পুনর্মিলনী আয়োজনের আশা প্রকাশ করেন।
নরসিংদীর পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শনিবার (৭ মার্চ) আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। তিনি সময়মত কর্মস্থলে উপস্থিত না থাকার অভিযোগের প্রেক্ষিতে সকাল সাড়ে ৮টায় হাসপাতালটি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের সময় দেখা গেছে, হাসপাতালের ২১ জন ডাক্তারের মধ্যে ৫ জন ছুটিতে থাকায় ১৬ জন কর্তব্যরত ছিলেন। এদের মধ্যে মাত্র ৮ জন ডাক্তার নির্ধারিত সময়মতো উপস্থিত ছিলেন, আর ২ জন ডাক্তার পরে আসেন। মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, “আমরা খবর পেয়েছিলাম যে পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তাররা সময়মতো আসেন না। আজকের পরিদর্শনে তা সত্য প্রমাণিত হয়েছে। যারা অনুপস্থিত ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” মন্ত্রী পরিদর্শনের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান ব্যবস্থার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এবং রোগীদের সুষ্ঠু সেবা নিশ্চিত করতে গুরুত্বারোপ করেছেন।
নীলফামারী সরকারী টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে প্রতিষ্ঠানের সামনে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ সভা করেছেন। প্রতিবাদ সভা আয়োজন করা হয় পার্টটাইম শিক্ষক হাসান মাহমুদকে ভুয়া ও মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে জ্যোতি টেইলার্সের মালিক আবু সাঈদ ও তার ভাড়া করা সন্ত্রাসী বাহিনী কর্তৃক দেশীয় অস্ত্র, লাঠি, লোহার পাইপ ও রড দিয়ে শারীরিকভাবে গুরুতরভাবে আহত করার ঘটনায়। সভায় বক্তৃতা করেন প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মোঃ সিদ্দিক সফিকুল ইসলাম, ইন্সট্রাক্টর আরিফ বিল্লাহ, মাহমুদুল হাসান, সামছুস জ্জামান মহসিনসহ অন্যান্য শিক্ষক ও কর্মচারী। বক্তারা বলেন, “শিক্ষক জাতি গঠনের কারিগর। যদি কোনো ভুল বা ত্রুটি থাকে, তা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের কাছে অবগত করা উচিত। শিক্ষকের উপর সরাসরি ভুয়া ও মিথ্যা অভিযোগ ভিত্তিক হামলা গ্রহণযোগ্য নয়।” তারা আরও দাবি করেন, এ ধরনের বর্বরোচিত ঘটনা বিদ্যালয় ও শিক্ষাব্যবস্থার জন্য হুমকি এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দায়িত্বপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।